শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫

কেন পারমাণবিক বর্জ্য এত বিপজ্জনক?

প্রিন্ট ভার্সন
কেন পারমাণবিক বর্জ্য এত বিপজ্জনক?

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় পারমাণবিক শক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্কের মধ্য দিয়ে একটি বিষয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষিত হয়ে আসছে। তা হলো পারমাণবিক কার্যক্রমের ফলে সৃষ্ট বর্জ্য এবং দূষণের সমস্যা...

 

পারমাণবিক বর্জ্য কী?

অন্যান্য পন্থায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতোই, পারমাণবিক জ্বালানি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এর উপজাত হিসেবে এক ধরনের বর্জ্য নির্গত হয়। যদিও সামান্য পারমাণবিক জ্বালানি প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যই যথেষ্ট। এই বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পারমাণবিক বর্জ্য উৎপন্ন হয়ে থাকে। যেহেতু ব্যবহৃত জ্বালানির পরিমাণ কম, তাই পারমাণবিক বর্জ্যও একইভাবে কম হয়ে থাকে। তবে সেই সামান্য পরিমাণও যদি কোনো প্রকার পরিশোধন ছাড়াই সরাসরি পরিবেশে নির্গত করা হয়, তবে তা খুবই ক্ষতিকর।

 

পারমাণবিক বর্জ্য কত প্রকার?

পারমাণবিক সুবিধা থেকে তিন ধরনের পারমাণবিক বর্জ্য উৎপন্ন হয় এবং এর তেজস্ক্রিয়তা অনুযায়ী শ্রেণিবদ্ধ করা হয় :

নিম্ন স্তরের বর্জ্য (মোট বর্জ্যরে ৯০%) :

নিম্ন স্তরের বর্জ্যরে মধ্যে নানাবিধ সরঞ্জাম এবং প্রতিরক্ষামূলক পোশাক অন্তর্ভুক্ত। এতে মোট তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ মাত্র ১% থাকে অর্থাৎ বিটা-গামা কার্যকলাপের হিসেবে ১২ জিবি কিউ/টন এর নিচে।

মধ্যবর্তী স্তরের বর্জ্য (মোট বর্জ্যরে ৭%) :

মধ্যবর্তী স্তরের বর্জ্যরে মধ্যে রয়েছে চুল্লির ভিতরের ইস্পাতের যন্ত্রপাতি, ফিল্টার এবং পারমাণবিক পুনঃপ্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত কিছু উপজাত উপাদান। এতে তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ মাত্র ৪%। এটি নিষ্পত্তির পর মধ্যবর্তী স্তরের বর্জ্যরে জন্য শিল্ডিং প্রয়োজন।

উচ্চ-স্তরের বর্জ্য (মোট বর্জ্যরে ৩%) :

উচ্চ স্তরের বর্জ্যে ব্যবহৃত হয় পারমাণবিক জ্বালানি। যদিও এর বর্জ্য মোট পারমাণবিক বর্জ্যরে মাত্র ৩%। তবে এর তেজস্ক্রিয়তার ক্ষমতা মারাত্মক (৯৫%)। তাই, নিষ্পত্তি করার পরে পারমাণবিক বর্জ্যরে শীতলীকরণ এবং শিল্ডিং উভয়ই প্রয়োজন।

...

যেভাবে এটি মানুষকে প্রভাবিত করে?

পারমাণবিক বর্জ্য প্রাণিকুলের জন্য খুবই বিপজ্জনক। কারণ এটি মানব শরীরের কোষগুলোকে প্রভাবিত করে। সাধারণত এর তেজস্ক্রিয়তা শরীরের কোষের স্তরে স্তরে মিউটেশন ঘটায়। ক্যান্সার এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলে। প্রাথমিকভাবে, কোনো ব্যক্তি পারমাণবিক বর্জ্যরে কারণে সৃষ্ট উপসর্গ বুঝতে পারেন না। তবে যদি কোনো ব্যক্তি বারবার উচ্চমাত্রার বিকিরণের সংস্পর্শে আসেন, অর্থাৎ পারমাণবিক চুল্লির আশপাশে পাওয়া যায়, তবে তা শরীরের অনেক কোষের অপরিবর্তনীয় ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। ফলে ওই ব্যক্তির বাঁচার সম্ভাবনা নাও থাকতে পারে। যদিও ভালো খবর হলো- এর তেজস্ক্রিয়তা ক্ষতিকর রূপ নিতে সময় নেয়। যা কখনো কখনো হাজার বছরও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

কেন পারমাণবিক বর্জ্য এত বিপজ্জনক?

১. পারমাণবিক জ্বালানির উপজাতের জন্য দীর্ঘমেয়াদি স্টোরেজের অভাব। বর্তমানে ৪৪৯টি চালু পারমাণবিক কেন্দ্রের মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ১১% বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়। বর্তমানে একে কোথাও সংরক্ষণ করা এবং পরে এর কী করা হবে এবং কীভাবে এটি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে তা খুঁজে বের করে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য মোকাবিলা করা হচ্ছে। তবে এর জন্য কোনো নিরাপদ দীর্ঘমেয়াদি বাস্তব বর্জ্য স্টোরেজ রিপোজিটরি নেই। তবে এখন সাধারণত মহাসাগর ও সমুদ্রকে স্টোরেজ রিপোজিটরি স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হয়, কারণ এদের বিকিরণ পাতলা করার বিশাল ক্ষমতা রয়েছে। যদিও এই প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট পরিমাণ স্টোরেজ সম্ভব।

২. মানব সভ্যতার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। কারণ এই বর্জ্য সংরক্ষণের সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হলো গভীর ভূতাত্ত্বিক রিপোজিটরি, পারমাণবিক কার্যকলাপ কমে যাওয়ার জন্য বর্জ্যকে খুব দীর্ঘ সময়ের জন্য দূরে রাখা উচিত। এ ধারণার অনেক সমস্যা রয়েছে:

► এই স্টোরেজ রিপোজিটরিগুলো কতদিন টিকবে তা অনুমান করা যায় না।

► ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে সাধারণত কী উপায়ে পারমাণবিক বর্জ্য নিষ্পত্তি স্থান তৈরি করা যায়?

► কীভাবে নিশ্চিত করা যায় যে, এই স্টোরেজ রিপোজিটরিগুলো আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাধ্যমে আরও সুরক্ষিত থাকবে?

► এলাকার কাছাকাছি বসবাসকারী সম্প্রদায়গুলোর নিরাপত্তার বিষয়ে ১০০ শতাংশ নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না।

৩. পারমাণবিক বর্জ্য পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি করে। বাড়ায় মাত্রাতিরিক্ত দূষণ। যদি এই বর্জ্যগুলোকে সঠিকভাবে সিল করা না যায়, তবে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা বা দূষণ দাবানলের মতো পরিবেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। যা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বাস্তুতন্ত্রেও প্রবেশ করতে পারে। বাতাস, পানি এবং জমি; পারমাণবিক বর্জ্য দ্বারা দূষিত হলে অসংখ্য মানুষ এবং পশুপাখি এমনকি জীবজন্তুও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিপজ্জনক তেজস্ক্রিয় নিঃসরণ বহু বছর ধরে অলক্ষিত থাকতে পারে। এদিকে, রাজনৈতিক পার্থক্য ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার বিবেচনায়, অনেক সরকার পরিবেশ সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়ন করবে না কিংবা নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা উদ্বেগ জনসম্মুখে আনবে না।

৪. এর তেজস্ক্রিতায় স্থায়ী স্বাস্থ্যগত প্রভাবও রয়েছে। সাধারণত মানুষের শরীরে বিকিরণের প্রভাব পরিমাপ করা খুব কঠিন, কারণ পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তা শরীরের ওপর গোপনীয়ভাবে প্রভাব ফেলে। যদিও একটি বিষয় খুব স্পষ্ট যে, এই বিকিরণগুলো তীব্র বিকিরণের লক্ষণগুলোর সঙ্গে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করে, যার মধ্যে খিঁচুনি এবং চুল পড়া অন্তর্ভুক্ত। এই সমস্যাগুলো এমন প্রকৃতির যে, ডাক্তারদের পক্ষে পরীক্ষা করা খুব কঠিন।

বিকিরণে সৃষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো হলো-

► হৃদরোগ

► স্নায়ুতন্ত্রের রোগ

► গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ

► ডায়াবেটিস

► ক্যান্সার

যার সর্বশেষ উদাহরণ হলো- চেরনোবিল বিপর্যয়। এই দুর্ঘটনার পর, বিজ্ঞানীরা ইউক্রেন এবং রাশিয়া থেকে বিকিরণের সংস্পর্শে আসা জনগোষ্ঠীর ওপর বিকিরণের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করেছেন। ১৯৯০-২০০০ সাল পর্যন্ত (১০ বছর)  লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৫০% এবং বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার আক্রান্তদের সংখ্যা ৪০% বেড়েছে। চেরনোবিল বিকিরণের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ক্যান্সার নির্ণয় করা হয়েছিল থাইরয়েড ক্যান্সার। অতএব, দেখা যায়, আমাদের ওপর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং যা বরাবর অপ্রত্যাশিত।

৫. অন্তর্নিহিত বিপজ্জনক পারমাণবিক বর্জ্য পরিষ্কার করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। শুধু তাই নয়, এর পরিষ্কারের কাজে জড়িত কর্মীদের স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাবও ফেলবে। উদাহরণস্বরূপ, উত্তর জার্মানির বনের নিচে একটি পারমাণবিক বর্জ্য ফুটো হয়েছিল, যেখানে পারমাণবিক বর্জ্যরে স্টোরেজ লকার হিসেবে ব্যবহৃত একটি লবণ খনি (১,২৬,০০০ ধারক তেজস্ক্রিয় বর্জ্য) ধসের লক্ষণ দেখিয়েছিল। পারমাণবিক বর্জ্য পরিবহনের সঙ্গেও অনেক ঝুঁকি জড়িত। স্টোরেজ পরিবহনের সময় যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে পরিবেশের ওপর এর ফলাফলও বিধ্বংসী হতে পারে।

৬. পারমাণবিক বর্জ্যরে পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ খুবই দূষণকারী এবং বিশ্বের মানবসৃষ্ট তেজস্ক্রিয়তার অন্যতম বৃহত্তম উৎস। এ সময়, ইউরেনিয়াম জ্বালানি থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার একটি সিরিজের মাধ্যমে প্লুটোনিয়াম আলাদা করা হয়। প্লুটোনিয়াম তারপর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে বা বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নতুন  জ্বালানির মতো ব্যবহার করা হয়। জনশ্রুতি আছে, পারমাণবিক জ্বালানি   পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা সবচেয়ে বড় অর্জন, তবে এর বিরুদ্ধে কারণও আছে-Ÿ প্লুটোনিয়াম সবচেয়ে বিষাক্ত পদার্থগুলোর একটি। যা লিভার এবং হাড়ে জমা হওয়ার কারণে এর প্রভাব অনুমান করা কঠিন।

► পারমাণবিক পুনরুৎপাদন পারমাণবিক বর্জ্য সমস্যার সর্বকালের স্থায়ী সমাধান নয়।

► প্লুটোনিয়াম নিষ্কাশনের মাধ্যমে পারমাণবিক বিস্তার হুমকির বৃদ্ধি পায়। পারমাণবিক শক্তিতে ব্যবহৃত প্রধান রাসায়নিক যৌগগুলোর মধ্যে একটি হলো প্লুটোনিয়াম।

► পারমাণবিক শক্তির পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ একটি অত্যন্ত নোংরা এবং বিপজ্জনক প্রক্রিয়া।

পারমাণবিক বর্জ্যরে সবচেয়ে সাধারণ উৎস :

আগেই বলা হয়েছে, পারমাণবিক বিভাজন এবং সংযোজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পারমাণবিক বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এমনকি এর অন্যান্য পর্যায়েও কিছু বর্জ্য উৎপন্ন হয়, যার মধ্যে ইউরেনিয়াম খনির কাজ এবং প্রক্রিয়াকরণ অন্তর্ভুক্ত। যা পারমাণবিক চুল্লিতে ব্যবহারের উপযুক্ত।

তথ্যসূত্র : ওয়াস্ট্রিজ নিউক্লিয়ার

 

 

‘কে জানে মাটির নিচে কত

আপনি কি জানেন?

১৯৮৬ সালে চেরনোবিল পারমাণবিক চুল্লি বিস্ফোরিত হলে সোভিয়েত কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ নীরব ছিল। এ কারণে পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তা ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে। উচ্চমাত্রার বিকিরণের সংস্পর্শে আসে অসংখ্য মানুষ। ২০ শতকের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে আমরা আমাদের মহাসাগরে যা ফেলেছি তার একটি তালিকা এখানে দেওয়া হলো :

► ১৪টি পারমাণবিক চুল্লি

► ২ লাখেরও বেশি তেজস্ক্রিয় বর্জ্যরে ধারক।

► ১৯টি জাহাজ যার ওপর পারমাণবিক বর্জ্য রয়েছে।

► ৬টি পারমাণবিক সাবমেরিন।

পারমাণবিক দূষণের একটি বৈশ্বিক প্রভাব রয়েছে, যা বিশ্বের সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত স্থানে দৃশ্যমান। জীববিজ্ঞানীরা পারমাণবিক বিকিরণের কারণে আলাস্কার সিল এবং ওয়ালরাসগুলোয় আলসারের পরিমাণ বৃদ্ধির মাত্রা খুঁজে পেয়েছেন।

এই বিভাগের আরও খবর
অবশেষে ধরা পড়ল আইনস্টাইন রিং
অবশেষে ধরা পড়ল আইনস্টাইন রিং
মৃগীরোগ শনাক্ত করবে এআই!
মৃগীরোগ শনাক্ত করবে এআই!
ধস নামবে ফোল্ডেবল ফোনের বাজারে!
ধস নামবে ফোল্ডেবল ফোনের বাজারে!
এম১০৪ : সোমব্রেরো গ্যালাক্সি
এম১০৪ : সোমব্রেরো গ্যালাক্সি
পুরোনো ফোনের ভালো দাম পেতে যা করবেন
পুরোনো ফোনের ভালো দাম পেতে যা করবেন
মাইক্রোসফট শিগগিরই ‘ব্লু স্ক্রিন অব ডেথ’ প্রতিস্থাপন করতে পারে!
মাইক্রোসফট শিগগিরই ‘ব্লু স্ক্রিন অব ডেথ’ প্রতিস্থাপন করতে পারে!
২০২৫ সালের সবচেয়ে সেরা অ্যাকশন ক্যামেরা
২০২৫ সালের সবচেয়ে সেরা অ্যাকশন ক্যামেরা
গুগলের সার্চে এআই সম্প্রসারণ
গুগলের সার্চে এআই সম্প্রসারণ
অবসরে যাচ্ছে স্কাইপ!
অবসরে যাচ্ছে স্কাইপ!
রিলস অ্যাপ আনছে ইনস্টাগ্রাম
রিলস অ্যাপ আনছে ইনস্টাগ্রাম
টেডপোল গ্যালাক্সি (ব্যাঙাচি ছায়াপথ)
টেডপোল গ্যালাক্সি (ব্যাঙাচি ছায়াপথ)
পারমাণবিক বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ!
পারমাণবিক বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ!
সর্বশেষ খবর
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

এই মাত্র | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

১ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ
ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান
পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার
নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৭
যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৭

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাওরে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার
হাওরে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

২৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা