প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের কাছে হেরে বিপিএলের ১১তম আসর শুরু করেছিল চিটাগাং কিংস। তবে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে টুর্নামেন্টে হ্যাটট্রিক জয় তুলে নিয়েছে দলটি। চতুর্থ ম্যাচে সিলেটকে রানে হারিয়েছে মিথুন-শরিফুলরা। এতে ৬ পয়েন্ট টেবিলে বরিশালকে পিছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে চিটাগং কিংস। ৫ ম্যাচ খেলে বরিশালের পয়েন্ট ৬ হলেও রান রেটে এগিয়ে রয়েছে তারা।
আজ সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিলেট স্ট্রাইকার্সকে ৩০ রানে হারিয়েছে চিটাগাং কিংস।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে উসমান খান, গ্রায়াম ক্লার্কের ঝড়ো শুরুর পর শেষ দিকে হায়দার আলির উত্তাল ইনিংসে ২০৩ রান করে চিটাগাং কিংস। বড় রান তাড়ায় নেমে ১৭৩ রানে থেমে যায় সিলেট স্ট্রাইকার্সের ইনিংস।
টার্গেটে খেলতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই রনি তালুকদারের উইকেট হারায় সিলেট। নাবিল সামাদের বলে কোন রান না করেই ফেরেন পল স্টার্লিং। আগের দুই ম্যাচে দারুণ খেলা জাকির এদিনও ভালো শুরু পেয়েছিলেন। তবে থিতু হয়ে এদিন ফেরেন আলিসের শিকার হয়ে। ব্যর্থ হন অ্যারন জোন্সও।
তবে ক্রিজ থিতু হয়ে চেষ্টা চালান জর্জ মানসি। তার সঙ্গে যোগ দিয়ে ঝড়ের আভাস দিয়েছিলেন জাকের আলি অনিকও। এই দুজনের জুটিতে যোগ হয় ৬২ রান। ৩৭ বলে চারটি করে চার-ছক্কায় ৫২ করে আউট হন মানসি।
অধিনায়ক আরিফুল হক দুই ছক্কা মেরেই ফিরে যান। জাকের টিকে ছিলেন শেষ পর্যন্ত। তবে হারের ব্যবধান কমানো ছাড়া কিছু করতে পারেননি তিনি। জাকের অপরাজিত থাকেন ২৩ বলে ৪৭ রানে।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে কিংসের শুরুটা হয় বাজে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে সুযোগ পাওয়া বাঁহাতি ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন আবার ব্যর্থ হন। তানজিম হাসান সাকিবের বলে ক্যাচ দিয়ে ১০ বলে ৭ রান করে ফেরেন তিনি।
তবে এই ধাক্কা দ্রুতই সামলে নেয় কিংস। আবার জ্বলে উঠেন পাকিস্তানি উসমান, তার সঙ্গে মিলে ঝড় তুলেন ক্লার্ক। দুজনে মিলে যোগ করেন ৬৮ রান। ৩৫ বলে ৫৩ করে আরিফুল হকের বলে ফেরেন উসমান।
তবে চালিয়ে যেতে থাকেন ক্লার্ক, তিনি খেলেন আরও আগ্রাসী। ৩৩ বলে ৩ চার, ৫ ছক্কায় ৬০ করা ক্লার্ককে আউট করেন নাহিদুল ইসলাম। শেষ দিকে কিংসের রান দুইশো ছাড়ায় পাকিস্তানি হায়দারের ব্যাটে। মাত্র ১৮ বলের উপস্থিতিতে ৩ চার, ৫ ছক্কায় ৪২ করে যান এই ব্যাটার।
বিডি প্রতিদিন/মুসা