শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫৮, বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫

পুলিশের দুর্বলতায় ক্রমে বাড়ছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
পুলিশের দুর্বলতায় ক্রমে বাড়ছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড

বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে দেশে ক্রমে বাড়ছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেও এর রাশ টানা যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতির নেপথ্যে ইন্ধন জোগাচ্ছে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের দোসররা।

সূত্র বলছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীতে কর্মরতদের বেশির ভাগই আওয়ামী শাসনামলে নিয়োগপ্রাপ্ত। ছাত্র-জনতার জুলাই অভ্যুত্থানে দেশে পটপরিবর্তন হলেও তারা ঘাপটি মেরে থেকে নেপথ্যে ইন্ধন জোগাচ্ছে কিভাবে সরকারকে বেকায়দায় ফেলা যায়। সম্প্রতি দেশে অপরাধপ্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় এ বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। 

তবে আশার কথা হলো, পুলিশে সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকার যে ‘পুলিশ সংস্কার কমিশন’ গঠন করেছে এরই মধ্যে তারা প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। কমিশনের প্রস্তাব কার্যকর হলে পুলিশ বাহিনী অনেকটাই সংশোধন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। 

গত বছর ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে কর্তৃত্ববাদী স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটে। ঐতিহাসিক এ গণঅভ্যুত্থানের পর অত্যন্ত ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করে। এরপর সাত মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো থিতু হয়নি চলমান অস্থিরতা।

এ অস্থিতিশীলতার নেপথ্যে আওয়ামী দোসর হিসেবে চিহ্নিত কর্মকর্তাদের ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিদেশে পালিয়ে যাওয়া পতিত সরকারের সাবেক কর্মকর্তারাও নানাভাবে উসকানি দিয়ে যাচ্ছেন, যা কার্যকর করার চেষ্টা করছে দেশে অবস্থানরত দোসররা।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. উমর ফারুক বলেন, ‘অধিকাংশ পুলিশ যেহেতু ওই সরকরের সময় নিয়োগ পেয়েছে, ফলে অধিকাংশ পুলিশ দমন-পীড়নে সক্রিয় ছিল। ফলে তারা পারস্পরিক এবং নিজের ওপর নিজেদের আত্মবিশ্বাস নিয়ে সন্দেহ, হামলা, মামলা, বদলি এবং ওএসডির মতো আতঙ্কে আছে। তারা নিজেরা নিজেদের নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে। এই শঙ্কা নিয়ে তো একটি বাহিনী চলতে পারে না। তাই পুলিশে সংস্কার করে পরিস্থিতির উত্তরণ করা উচিত বলে মনে করি। এখানে যার যতটুকু অপরাধ, তাকে চিহ্নিত করে সেভাবে শাস্তির আওতায় আনা উচিত এবং নিরপরাধীকে সামনে কাজের সুযোগ করে দেওয়া উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সক্ষমতা নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না পুলিশ বাহিনী। এর অন্যতম কারণ আত্মমনোবল ও বিশ্বাস দুর্বল হয়ে পড়া। অনেক পুলিশ সদস্য মনে করছেন, যদি তাঁরা উৎসাহী হয়ে কাজ করেন, তাহলে পূর্ববর্তী সময়ে যাঁরা কাজ করেছেন তাঁদের মতো অবস্থা হবে। এই আত্মনিয়ন্ত্রণের জায়গা থেকে তাঁরা সঠিক দায়িত্ব পালনে দূরে সরে রয়েছেন বলে মনে করি। তাঁরা এই মুহূতে কোনো ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেন না। ফলে তাঁরা সক্রিয়ভাবে কোনো ভূমিকা পালন করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন না।’

এক প্রশ্নের জবাবে ড. উমর বলেন, ‘বিগত সরকারের মতাদর্শী কিংবা রাজনৈতিকভাবে যেসব পুলিশ সদস্যকে ব্যবহার করা হয়েছে, তাঁরা আসলে মানসিকভাবে এখন খুবই বিধ্বস্ত আছেন। এখনো পর্যন্ত তাঁদের শাস্তি  কিংবা আইনের আওতায় আনা হয়নি। কিন্তু তাঁরা নিজেরা এখন শঙ্কা ও উদ্বিগ্নতা নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এ ধরনের উদ্বিগ্ন এবং শঙ্কা নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করা কঠিন। একই সঙ্গে তারা নার্ভাস অবস্থায় আছেন, যেকোনো সময় তাঁদের ওপর যেকোনো ধরনের আইনগত বিষয় চলে আসতে পারে।’

পতিত আওয়ামী সরকারের আমলে রাজনৈতিভাবে ব্যবহৃত হওয়া ও জুলাই আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলনে বলপ্রয়োগকারী অন্তত চারজন কর্মকর্তার (বর্তমানে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ও চট্টগ্রাম রেঞ্জে কর্মরত) সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা কোনো রকমে সময় পার করছেন। নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত তাঁরা কার্যকরভাবে ভূমিকা রাখতে পারছেন না। কারণ এখন তাঁরা কাজ করতে গিয়ে কোনো কারণে আলোচনায় এলে আগের সময়ের চিত্র (আওয়ামী আমলের অতি উৎসাহী হয়ে দমন-পীড়ন) ওঠে আসবে। তাই তারা কোনো রকমে সময় পার করছেন।

গত বছরের জুলাই মাসে শুরু হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন শেষ পর্যন্ত সরকার পতনের এক দফা দাবিতে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে রূপ নেয়। যার পরিণতি হিসেবে ৫ আগস্ট ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এই আন্দোলনে সহস্রাধিক ছাত্র-জনতা প্রাণ হারান। অভ্যুত্থানে পুলিশ বাহিনীর নেতিবাচক ভূমিকা ছিল। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের কারণে প্রাণ হারিয়েছে অসংখ্য মানুষ। যে কারণে সরকারের প্রতি জনগণের ক্ষোভ ও অনাস্থা চরম আকার ধারণ করে।

অন্যদিকে গণ-অভ্যুত্থানে সরকার পতন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে অনেক পুলিশ সদস্যও প্রাণ হারান। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুলিশের মনোবল সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। আগস্টে সরকার পতনের পর পুলিশ বাহিনীর পক্ষে দেওয়া ১১ দফা দাবিতেও এ বিষয়টি উঠে আসে। এ অবস্থায় পুলিশে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গত বছর ৩ অক্টোবর সাবেক সচিব সফর রাজ হোসেনের নেতৃত্বে ‘পুলিশ সংস্কার কমিশন’ গঠিত হয়। এরই মধ্যে এ কমিশনের প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে। অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, আটক, গ্রেপ্তার, তল্লাশি, জিজ্ঞাসাবাদ, মানবাধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ করেছে কমিশন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের সাবেক উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা বলেন, বিরোধী মত দমনের মতো আচরণ পুলিশের ক্ষেত্রে নতুন কিছু নয়। বহু বছর ধরেই বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীকে জনগণের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়; বরং রাজনৈতিক নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এ অবস্থার অবসান ঘটা প্রয়োজন ছিল। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সেই সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। কমিশনের প্রস্তাবনা কার্যকর হলে পুলিশ বাহিনী অনেকটাই সংশোধন হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি সংকট একই সঙ্গে কোনো না কোনো সুযোগের জন্ম দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠন বর্তমান সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক পদক্ষেপ। তবে এখানেই থামলে চলবে না। দীর্ঘস্থায়ী, রূপান্তরমূলক পরিবর্তনের জন্য সামনে আরো পথ পাড়ি দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে পুলিশিংয়ে এমন পরিবর্তন ত্বরান্বিত করতে হবে, যাতে বাহিনীর সংস্কৃতি, আচরণ, কাঠামো এবং আইনেও বদল আসে। পুলিশ বাহিনীর বর্তমান অবস্থা আর চলতে পারে না।

এদিকে পতিত সরকারের দোসররা নেপথ্যে ইন্ধন জুগিয়ে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রাখলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অনেকে জীবনবাজি রেখে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দিন-রাত সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে তাঁদের। সাধারণ দাবিদাওয়ার নামে রাজপথ উত্তপ্ত করা সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক বিক্ষোভ হটিয়ে দিয়েছেন তাঁরা।

জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা ওই চক্রটি দেশকে অস্থিতিশীল করে ব্যর্থ করতে চায়। অতি সম্প্রতি ওই চক্রের সঙ্গে ষড়যন্ত্রমূলক এক ভার্চুয়াল কনফারেন্সে অংশ নিয়েছেন পুলিশ বাহিনীর ইতিহাসে দুর্নীতির নজির গড়া সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ। সেখানে তিনি পুলিশ ও প্রশাসনের ৯০ শতাংশই আওয়ামী লীগের সমর্থক এবং তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে বলে বক্তব্য দেন। তাঁর মতো অন্য সাবেকরাও জোরেশোরে সরকারবিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পতিত আওয়ামী সরকারের অনুগত অনেক কর্মকর্তা ৫ আগস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের ‘বঞ্চিত’ বলে জাহির করারও চেষ্টা করেন। জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল পুলিশ। এসব গুলির ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সহস্রাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কয়েক হাজার। আন্দোলনে গুলি চালিয়ে লাশ ফেলার মাস্টারমাইন্ড হিসেবে কাজ করেছেন শতাধিক পুলিশ সদস্য। একটি সংস্থার প্রতিবেদনেও এসব তথ্য উঠে এসেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সর্বোচ্চ সুবিধাভোগী শীর্ষপর্যায়ের অনেক কর্মকর্তা এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। তাঁরা সাময়িক সময়ের জন্য মুখোশ বদলে অন্তর্বর্তী সরকারের আস্থাভাজন হওয়ার ভান ধরেছেন। বাস্তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জায়গা ও পদ বদলের পর ফের পুরনো রূপেই ফিরছেন তাঁরা। মাঠপর্যায়ে সক্রিয় না হলেও সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে ভেতরে ভেতরে গুটিবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন। সংস্থাটির প্রতিবেদনে এসব তথ্যও উঠে এসেছে।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো পুলিশ কর্মকর্তাদের মতো একইভাবে র‌্যাবের কিছু কর্মকর্তাও নেপথ্যে বসে কলকাঠি নাড়ছেন। শুধু তা-ই নয়, ঘুষ-দুর্নীতিতে নিমজ্জিত কর্মকর্তাদেরও সরানো হয়নি। দুর্নীতির টাকায় সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলা এসব কর্মকর্তার কোনো পিছুটানও নেই। ফলে তাঁরা ইচ্ছামতো নিজেদের ফায়দা হাসিলের চেষ্টা  করে যাচ্ছেন।

সৌজন্যে- কালের কণ্ঠ।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ
 

এই বিভাগের আরও খবর
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
রাখাইনে আরও বাস্তুচ্যুতি বন্ধে মানবিক চ্যানেল স্থাপনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
রাখাইনে আরও বাস্তুচ্যুতি বন্ধে মানবিক চ্যানেল স্থাপনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
খেলাফত আন্দোলনের আমিরে শরীয়ত আতাউল্লাহ হাফেজ্জী আর নেই
খেলাফত আন্দোলনের আমিরে শরীয়ত আতাউল্লাহ হাফেজ্জী আর নেই
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
সর্বশেষ খবর
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৪৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

২ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা