শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:০১, সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৫

হরিলুটে ১৪২৩ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
হরিলুটে ১৪২৩ কোটি টাকা

ক্ষমতা হারানো আওয়ামী সরকারের এমপিদের ‘স্বার্থ দেখার’ থোক বরাদ্দের প্রকল্প নিয়ে এখনো হরিলুট চলছে। এমপিরা নেই; কিন্তু থেমে নেই লুটপাট। প্রকল্পের বরাদ্দের টাকা নয়ছয় করে কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে ঠিকাদাররা তুলে নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তথ্য-উপাত্ত বলছে, আগের সময়ের এমপিদের নামের টাকা এখন রীতিমতো মিলেমিশে অপচয়ে শামিল হয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সব মিলিয়ে দুটি প্রকল্পের আওতায় চলতি অর্থবছরের বরাদ্দের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা এখন এভাবেই খরচ হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের মোট বরাদ্দের ৭২ শতাংশ এরই মধ্যে তুলে নেওয়া হয়েছে। বাকি টাকাও ছাড় করার আবদার আসছে। দুটি প্রকল্পের মোট বরাদ্ধ সাত হাজার ৬০৯ কোটি টাকা। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার চকপাড়া মাদরাসাসংলগ্ন নতুন জামে মসজিদ নির্মাণে সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ৩৮ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও কয়েকটি খুঁটি বসিয়েই ৩০ লাখ টাকা উঠিয়ে নিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে যে পরিমাণ কাজ করা হয়েছে, তার আর্থিক মূল্য ৫-১০ লাখ টাকার বেশি হবে না বলে দাবি করছেন মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক।

অন্যদিকে কাজের ঠিকাদার বাদশা বলছেন, ‘শুধু মসজিদের গ্রেডবিম ও এর ওপর কলাম পর্যন্ত করে দেওয়ার কথা ছিল। ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিল পাওয়া গেছে। বাকি বিল পেতে ডিসি অফিসে এখনো যোগাযোগ চলছে।’

‘রাতের ভোটের’ এমপিদের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বিশেষ সুবিধা দেয় হাসিনা সরকার। এমপিদের নামে নেওয়া দুই প্রকল্প থেকে প্রত্যেক এমপির এলাকায় উন্নয়নের নামে ২৬ কোটি টাকা করে দেওয়া হয়। জুলাই আন্দোলনে হাসিনা সরকারের পতনের পর অধিকাংশ এমপিই পলাতক, কিছু জেলে। অথচ সেই এমপি প্রকল্প থেকে দ্রুত বরাদ্দের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা তুলে নেওয়ার তোড়জোড় চলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাসিনা সরকারের পতনের পর এই প্রকল্পই সবার আগে বন্ধ হওয়া উচিত ছিল।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এমপিদের জন্য নেওয়া ‘গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন (তৃতীয় পর্যায়) ও সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২’ এই দুই প্রকল্পে চলতি অর্থবছরে ৮৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। সংশোধিত এডিপিতে দুই প্রকল্পে ৫৪৮ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়িয়ে এক হাজার ৪২৩ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে। এদিকে চলতি অর্থবছরের বরাদ্দের ৭২ শতাংশ টাকাই ছয় মাসে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং বাকি টাকাও দ্রুত ছাড়ের আবদার করা হয়েছে। এদিকে টাকা ছাড়ে পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সম্মতির পর কার্যক্রম বিভাগের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও গ্রামীণ প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. নেয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, এই প্রকল্পগুলোর লক্ষ্য জনসাধারণের তহবিলের অপচয়, যা বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। আন্দোলনের পর সরকার পালিয়ে গেছে এবং সংসদ সদস্যরাও এখন পলাতক। এই প্রেক্ষাপটে এই সংসদ সদস্যদের জন্য শুরু করা রাজনৈতিক প্রকল্পগুলো চলতে দেওয়া যাবে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলজিইডির এক কর্মকর্তা বলেন, এমপি প্রকল্পের ক্ষেত্রে দেখা যায় বরাদ্দের সর্বোচ্চ ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ টাকার কাজ হয়। ঠিকাদার এমপির কাছের লোক হওয়ায় বাকি টাকা এমপি ও ঠিকাদার ভাগ করে খান। এখন এমপিরা নেই, তাহলে সেই টাকা কার পকেটে যাচ্ছে সেটাই দেখার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘এমপি প্রকল্প’ হিসেবে পরিচিত দুটি প্রকল্পের অধীনে স্থানীয় এমপিরা তাঁদের পছন্দের ভিত্তিতে বিভিন্ন কাজ নির্ধারণ করে থাকেন, যেগুলোর উন্নয়নের কাজ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। তবে একক কর্তৃত্ব থাকায় এই দুই প্রকল্পের আওতায় এমপিরা নিজেদের বাড়ির রাস্তা ও অন্যান্য অবকাঠামো প্রাধান্য দিয়ে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনায় স্কিম নির্ধারণ করে থাকেন। আবার ছোট বরাদ্দের কাজে ওপেন টেন্ডারের সুযোগ না থাকায় এসব কাজও পেয়ে থাকেন এমপিদের কাছের লোকজন। খবরদারির কোনো কর্তৃপক্ষ না থাকায় এসব ঠিকাদার ঠিকমতো কাজ না করেই টাকা উঠিয়ে নিয়ে যান, যার আর্থিক সুবিধা পেয়ে আসছেন এমপিরাও।

এই বিতর্কিত প্রকল্পে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) প্রায় এক হাজার ৪২৩ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ, যা বছরের শুরুতে ছিল ৮৭৫ কোটি টাকা। এ হিসাবে বিতর্কিত প্রকল্পটিতে মূল বরাদ্দের তুলনায় প্রায় ৫৪৮ কোটি টাকা বা ৬২.৬৩ শতাংশ বাড়তি বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সবার আগে যে প্রকল্পগুলো বন্ধ করা উচিত ছিল, তার মধ্যে এই দুটি বিতর্কিত এমপি প্রজেক্ট অন্যতম। তা ছাড়া হাসিনা সরকারের সংসদ ভেঙে দেওয়ার পর বিনা ভোটের এমপিদের প্রায় সবাই হয় পলাতক, নয়তো জেলখানায় রয়েছেন। এ অবস্থায় এমপি প্রজেক্টের টাকা কোথায় যাচ্ছে, এ বিষয়েও প্রশ্ন অনেকের।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, এ ধরনের প্রকল্পগুলো পূর্ববর্তী সরকারের এমপিদের ব্যক্তিগত লাভ, জনগণের তহবিল অপচয় এবং তাদের সহযোগীদের সমৃদ্ধ করা ছাড়া আর কোনো উদ্দেশ্য সাধন করে না। এই দুটি প্রকল্প অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানান তারা।

সূত্র মতে, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় ২০২২ সালের জুন মাসে এক হাজার ৮২ কোটি টাকা ব্যয় ধরে সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২ অনুমোদন দেওয়া হয়। আগামী বছরের জুনের মধ্যে মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান ও শ্মশানের মতো সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রকল্পের মেয়াদে সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকার প্রতিটি সংসদীয় আসনের এমপির জন্য প্রায় তিন কোটি ৫৭ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের আওতায় মোট ১৭ হাজার ৩২১টি অবকাঠামো উন্নয়নের কথা ছিল, যার প্রতিটির জন্য গড়ে পাঁচ লাখ ৮০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ রাখা হয়।

অন্যদিকে ২০২০ সালে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্প অনুমোদন পায়, যার আনুমানিক ব্যয় ছয় হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা। এই প্রকল্পে ছয় হাজার ৩২১ কোটি টাকা গ্রামীণ রাস্তা, সেতু ও কালভার্ট মেরামত এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়। সিটি করপোরেশনের বাইরের ২৮০টি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্যদের (এমপি) তাঁদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার জন্য চার বছরে গড়ে ২২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছিলেন।

মূলত জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৪ সালের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও, প্রকল্পের সময়সীমা এখন জুন ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, যার সংশোধিত মোট ব্যয় ছয় হাজার ৫২৭ কোটি টাকা, যা মূল বরাদ্দের চেয়ে দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি। এর আগে, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর, প্রতিটি এমপি তাঁদের নির্বাচনী এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছিলেন। প্রকল্পটির আওতায় ২০১০ সালের মার্চ থেকে ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত চার হাজার ৯৯২ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়।

বিএনপিসহ তৎকালীন প্রধান বিরোধী দলের বর্জনের মধ্যেও ‘রাতের ভোট’ হিসেবে পরিচিত ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর ২০১৫ সালে অনুমোদিত ছয় হাজার ৭৬ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্প থেকে সংসদ সদস্যরা তাঁদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার জন্য অতিরিক্ত ২০ কোটি টাকা পেয়েছিলেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তথ্য থেকে জানা যায়, গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত এলজিইডি ৪৯২ কোটি টাকা ব্যয় করেছে, যা অর্থবছরের জন্য মোট বরাদ্দের প্রায় ৭২ শতাংশ। এ সময়ে ৩৩৮ কোটি টাকা ব্যয়ের অর্ধ-বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এর পরিমাণ প্রায় ৪৬ শতাংশ বেশি।

স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্প্রতি পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও গ্রামীণ প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং প্রগ্রামিং বিভাগে দুটি চিঠি পাঠিয়েছে, যাতে অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে সম্পূর্ণ বরাদ্দ ছাড় করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইভাবে স্থানীয় সরকার বিভাগ সংশোধিত এডিপির অধীনে মোট এক হাজার ২০৩ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে আরেকটি চিঠি পাঠিয়েছে, যা মূল বরাদ্দের চেয়ে ৭৮.২২ শতাংশ বেশি।

অন্যদিকে সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে ছয় মাসে ১৩২ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে, যা ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ৬৬ শতাংশ। সংশোধিত এডিপিতে এই প্রকল্পের জন্য ২২০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে, যা মূল বরাদ্দের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সাল থেকে সংসদ সদস্যদের সুবিধার্থে পরিকল্পিত প্রকল্পগুলো অনুমোদন করে জনসাধারণের তহবিলের অপব্যবহার করে আসছে। এসব প্রকল্পে ন্যায্যতার অভাব দেখা যায়। কারণ এগুলো মূলত সড়ক উন্নয়নে সংসদ সদস্যদের স্বার্থ রক্ষা করে অথবা দুর্নীতির মাধ্যমে তাদের সহযোগীদের লাভবান হতে দেয়, যার ফলে জনসাধারণের খুব কম বা কোনো লাভ হয়।’

গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের প্রকল্পগু পরিচালক মোহাম্মদ রুহুল আমিন খান বলেন, ‘পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো চিঠিটি সরকারের বর্তমান মেয়াদে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রজেক্ট স্টিয়ারিং কমিটির (পিএসসি) সভার ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের আওতায় প্রায় চার হাজার ৫০০টি স্কিমের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরো ছয় হাজার ৮০০টির কাজ চলমান রয়েছে। চলমান স্কিমগুলোর কাজ শেষ করতে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হবে বলেও তিনি মনে করেন।

সৌজন্যে- কালের কণ্ঠ।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ
 

এই বিভাগের আরও খবর
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
রাখাইনে আরও বাস্তুচ্যুতি বন্ধে মানবিক চ্যানেল স্থাপনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
রাখাইনে আরও বাস্তুচ্যুতি বন্ধে মানবিক চ্যানেল স্থাপনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
সর্বশেষ খবর
গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা