রংপুর বিভাগের দুই জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। সন্ধ্যা থেকে ভোর- কুয়াশায় ঢেকে থাকে প্রকৃতি। হিমেল হাওয়ায় হাড়কাঁপানো শীতে কাবু জনজীবন। ভোগান্তি বেড়েছে শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষের। বিশেষ করে তিস্তার চরাঞ্চলের মানুষ রয়েছেন শীতকষ্টে। জ্বর, সর্দি, কাশিসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। শৈত্যপ্রবাহ আরও কয়েকটি জেলায় ছড়িয়ে পড়ার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল ৬টায় রংপুর বিভাগের দিনাজপুরে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি, ঠাকুরগাঁওয়ে ১০ দশমিক ১ ডিগ্রি, রংপুরে ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি, নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১১ ডিগ্রি, ডিমলায় ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি, লালমনিরহাটে ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি ও গাইবান্ধায় ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান জানান, আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। রাতের তাপমাত্রা দুই-এক ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পাবে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।