শিরোনাম
প্রকাশ: ০৩:০১, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫

তাবলিগ জামাত ও বিশ্ব ইজতেমা

মুফতি রফিকুল ইসলাম আল মাদানি
অনলাইন ভার্সন
তাবলিগ জামাত ও বিশ্ব ইজতেমা

প্রত্যেক নবীর সর্বপ্রথম দায়িত্ব হচ্ছে তাবলিগ ও দাওয়াত। খোদা প্রদত্ত সত্য বিধান পৌঁছে দেওয়া তাঁর প্রধান কাজ। মহান প্রভু আল্লাহতায়ালা তাঁর কাছে যে মহান দায়িত্ব অর্পণ করেছেন তা জাতির কাছে প্রচার করা, এর প্রতি তাদের আহ্বান করা নবীদের অন্যতম কর্তব্য। বিদায় হজের ঐতিহাসিক ভাষণে মহানবী (সা.) তাঁর লক্ষাধিক সাহাবাকে সম্বোধন করে তিনবার জিজ্ঞাসা করেন, ‘ওহে! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি?’ প্রত্যেকবারই তারা উত্তর দিলেন ‘হ্যাঁ! অবশ্যই।’ (সহিহ বুখারি, হা. ৬৭৮৫)

আল্লাহর পক্ষ থেকে নবীগণের প্রতি প্রদত্ত বিধান পৌঁছে দেওয়া ও মানব জাতির কাছে তা প্রচার-প্রসার করাই তাবলিগ। তাবলিগ শব্দটি আরবি। আরবি ভাষায় তাবলিগ শব্দের সমার্থবোধক আরও শব্দাবলি আছে। কোরআনুল কারিমে এমন কয়েকটি শব্দ উল্লেখ হয়েছে। তার মধ্যে ‘ইনজার’ (সতর্ক করা) ‘দাওয়াত’ (আহ্বান করা) এবং ‘তাজকির’ (স্মরণ করিয়ে দেওয়া বা উপদেশ করা)। উল্লিখিত যাবতীয় শব্দের মাধ্যমে বিশ্বনবী মুহাম্মদ (সা.)-কে কোরআনে কারিমে আল্লাহ প্রদত্ত ধর্ম মানব জাতির কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। রসুলুল্লাহ (সা.)-এর আনীত ধর্ম বিশ্বজনীন ও সর্বজনীন। এই ধর্মে জাত, গোষ্ঠী ও বর্ণের কোনো ভেদাভেদ নেই। নেই ভৌগোলিক কোনো সীমারেখা। তাই বিশ্বনবীর (সা.) দাওয়াতি কার্যক্রম এবং তাবলিগের পরিমণ্ডল ছিল বিশ্বব্যাপী। আর তিনি ছিলেন গোটা জাহানের জন্য রহমত ও বিশ্বনবী। মহান প্রভু পর্যায়ক্রমে তাঁকে বিশ্বব্যাপী তাবলিগের নির্দেশনা প্রদান করেন। সর্বপ্রথম আপনজনদের এই পথে আহ্বান করার নির্দেশ করে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আর আপনি নিকটতম পরিবার পরিজনদের সতর্ক করুন।’ (সুরা শুয়ারা- ২১৪)

অতঃপর মক্কা শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকাজুড়ে দাওয়াতি কার্যক্রম বিস্তৃত করার নির্দেশ করা হয়। আল্লাহতায়ালা ঘোষণা করেন, ‘এমনিভাবে আপনার কাছে কোরআন অবতীর্ণ করেছি আরবি ভাষায়, যাতে আপনি মক্কা ও তার আশপাশের লোকদের সতর্ক করেন।’ (সুরা আশ শুরা-৭)

এক পর্যায়ে মহান আল্লাহতায়ালা এই ধর্মের প্রচার-প্রসার সমগ্র মানব জাতি পর্যন্ত বিস্তৃত করার ঘোষণা করেন, ‘আমি আপনাকে সমগ্র মানব জাতির প্রতি সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।’ (সুরা সাবা-২৮)

তাবলিগ জামাতের অন্যতম একটি কর্মসূচি হলো, ইজতেমা। ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দে মাওলানা ইলিয়াস (রহ.) ভারতের উত্তরপ্রদেশে এক বিশেষ পদ্ধতিতে দাওয়াতি কার্যক্রম ও ইসলামের প্রচার-প্রসার প্রবর্তন করেন। মুসলিম উম্মাহর মধ্যে এ পদ্ধতি ব্যাপক সাড়া জাগায়। সর্বস্তরে তা সমাদৃত হয়। পর্যায়ক্রমে এ পদ্ধতিতে ইসলামের প্রচার-প্রসার ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে। বিশ্ববাসীর কাছে এই মিশন ‘তাবলিগ জামাত’ নামে পরিচিতি লাভ করে। এ মোবারক জামাত প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় প্রখ্যাত গবেষক সায়্যিদ আবুল হাসান আলী নদভী (রহ.) লিখেন, যেখানে মসজিদ দেখা যেত না, তাবলিগ জামাতের মেহেনতের ফলে সেখানে মসজিদ তৈরি হয়, মুসল্লির আগমন ঘটে। মাদরাসা প্রতিষ্ঠা হতে থাকে। অমুসলিম ইসলাম গ্রহণ করতে থাকে। সমাজের চিহ্নিত অপরাধীরা খোদাভীরু হতে থাকে। এই জামাত পুরো বিশ্বে এমন এক বিপ্লব প্রতিষ্ঠা করে, যার উদাহরণ ইসলামের স্বর্ণযুগের পর আর খুঁজে পাওয়া যায় না। তাবলিগ জামাতের বিভিন্ন দাওয়াতি কার্যক্রমের বিশেষ একটি কর্মসূচি হলো, ইজতেমা। এর উদ্দেশ্য হলো, বেশি পরিমাণে লোক একত্র করে তাদের তাবলিগের কাজে উদ্বুদ্ধ করা এবং বেশি বেশি জামাত তাবলিগের কাজের জন্য প্রস্তুত করা। শুধু বয়ান শোনানো তাদের মূল উদ্দেশ্য নয়। কেননা বয়ানের মাধ্যমে ধর্মীয় কাজের বাস্তব প্রশিক্ষণ হয় না। বরং এর জন্য সময় দেওয়ার প্রয়োজন। আর এই সময় লাগানোর জন্য মানুষকে প্রস্তুত করার উন্মুক্ত সুযোগ হলো ইজতেমা। ইজতেমা শুধু বাংলাদেশেই হয় না। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময়ে ইজতেমা হয়ে থাকে। কোথায়ও পুরো দেশ নিয়ে হয়, কোথায়ও কয়েকটি দেশ মিলে হয়। কখনো একটা দেশের প্রদেশ বা অঞ্চলেরও ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশেও বিভিন্ন জেলায় ইজতেমা হয়ে থাকে। ১৯৫০-এর দশকে বাংলাদেশে তাবলিগ জামাতের কাজ শুরু হয়। ১৯৪৬ সাল থেকে কাকরাইল মসজিদ-কেন্দ্রিক তা চলতে থাকে। তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশের তাবলিগ জামাতের আমির ছিলেন মাওলানা আবদুল আজীজ (রহ.)। ওই বছর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে তাবলিগ জামাতের বার্ষিক ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। দুই বছর পর ১৯৪৮ সালে চট্টগ্রামে তৎকালীন হাজিক্যাম্পে দ্বিতীয়বারের মতো ইজতেমার আয়োজন করা হয়। তার ১০ বছর পর ১৯৫৮ সালে সিদ্ধিরগঞ্জে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৬৬ সালে বাংলাদেশে এবং বিশ্বে বিভিন্ন দেশের তাবলিগ সাথিদের সমন্বয়ে টঙ্গীর ১৬০ একর জায়গায় বিশাল মাঠে এই ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। যা পুরো বিশ্বব্যাপী বিশ্ব ইজতেমা নামে পরিচিতি লাভ করে। বর্তমানে এ ইজতেমায় বিশ্বের শতাধিক দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ গ্রহণ করে থাকেন।

লেখক : গবেষক, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা

বিডি প্রতিদিন/এমআই
 

এই বিভাগের আরও খবর
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার কিছু বিধান
চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার কিছু বিধান
ইবাদতের আবহে মুমিনের ঈদ উদযাপন
ইবাদতের আবহে মুমিনের ঈদ উদযাপন
সর্বশেষ খবর
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা