টাইমের সাম্প্রতিক সংখ্যা গত কয়েক মাসে দ্বিতীয়বারের মতো মাস্ককে প্রচ্ছদে এনেছে। গত নভেম্বরে ‘সিটিজেন মাস্ক’ শিরোনামে প্রকাশিত সংখ্যায় তাকে ‘রাজনৈতিক রাজা’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল। যেখানে বলা হয়, তিনি মার্কিন নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। নতুন প্রচ্ছদটি ইঙ্গিত করছে, ট্রাম্পের পরিবর্তে মাস্কই প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী, যা ট্রাম্পের জন্য অপমানজনক হতে পারে। টাইম ম্যাগাজিনের সর্বশেষ প্রচ্ছদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে বিশেষ ক্ষমতা পাওয়া ইলন মাস্ককে দেখা গেছে। লাল রঙে আচ্ছাদিত প্রচ্ছদে দেখা যাচ্ছে, ইলন মাস্ক হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে প্রেসিডেন্টের রেজল্যুট ডেস্কের পেছনে বসে আছেন, হাতে কফির পেয়ালা। ছবিটি ট্রাম্পকে চটানোর কৌশল হতে পারে বলে উল্লেখ করেছে সিএনএন।
টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে সাংবাদিক সাইমন শুস্টার এবং ব্রায়ান বেনেট লিখেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন মাস্কের নেতৃত্বাধীন ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি’কে (ডিওজিই) সরকারি কর্মচারীদের ব্যাপক ছাঁটাইয়ের ক্ষমতা দিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক কিছু আইনি পদক্ষেপের কারণে তার কার্যক্রম কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘এখন পর্যন্ত মাস্ককে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ছাড়া আর কারও কাছে দায়বদ্ধ বলে মনে হচ্ছে না, যিনি তার প্রচারণা দাতাকে সরকারকে তার এজেন্ডার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য ব্যাপক ম্যান্ডেট দিয়েছিলেন।
মাস্কের অফিস ডিওজিই টাইম ম্যাগাজিনের সব প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গেছে বলেও জানিয়েছে টাইম ম্যাগাজিন।