শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৪ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ১৭:২৬, মঙ্গলবার, ০৪ মার্চ, ২০২৫

সাক্ষাৎকার : পূবালী ব্যাংক এমডি

ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফেরাতে খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র প্রকাশ হওয়া উচিত

প্রিন্ট ভার্সন

বেসরকারি খাত থেকে জাতীয়করণ।  পরবর্তীতে আবারও বেসরকারি খাতের মালিকানায় ফিরে নতুন যাত্রা শুরু করে পূবালী ব্যাংক। সমস্যায় পড়া ব্যাংক থেকে উঠে এসে এখন এটি আধুনিক ও শক্তিশালী একটি ব্যাংক। মুনাফা ও কর্মী সুবিধায় এখন দেশের শীর্ষ ব্যাংক। পূবালী ব্যাংকের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ এবং ব্যাংক খাতের সার্বিক বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে কথা বলেছেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন - শাহেদ আলী ইরশাদ

 

পূবালী ব্যাংকবাংলাদেশ প্রতিদিন : ঋণ শ্রেণিকরণে আন্তর্জাতিক মানের নীতিমালা চালু হচ্ছে মার্চে, বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?

মোহাম্মদ আলী : ঋণ শ্রেণিকরণব্যবস্থা একটি ব্যাংকের স্বচ্ছতা, স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতার অন্যতম মানদণ্ড। যখন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো আমাদের ব্যাংক পরিদর্শন করে, তখন তাদের প্রথম প্রশ্ন থাকে-মূলধন পর্যাপ্ততা কতটুকু, খেলাপি ঋণের হার কেমন, মন্দ সম্পদের পরিমাণ কত- প্রভৃতি। ঋণখেলাপির বিষয়টি মূলধন পর্যাপ্ততার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত- ঋণ শ্রেণিকরণে আন্তর্জাতিক মানের নীতিমালা চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক যে উদ্যোগ নিয়েছে তা যথাযথ ও সময়োপযোগী।

আমার মতে, খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র প্রকাশ হওয়া উচিত। জনগণ ও গ্রাহকদের জানা দরকার কোন ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ কত, যাতে তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত হলে শুধু আমানতকারীরাই নন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও আমাদের ব্যাংকিং খাতের ওপর আস্থা রাখতে পারবেন। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর ওপর স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা আরও সুসংহত হবে।

যেহেতু বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করছে, এটি ব্যাংকগুলোর জন্য দরকষাকষিতে সুবিধাজনক হতে পারে। আমানতকারীদের জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তারা যদি কোনো ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে অবগত না থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে। যদি তারা জানেন কোন ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেশি, তাহলে সহজেই বুঝতে পারবেন কোথায় আমানত রাখা নিরাপদ। ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে স্বচ্ছ তথ্য থাকলে ভবিষ্যতে আমানতকারীরা ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে রক্ষা পাবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ উদ্যোগ আমাদের ব্যাংকিং খাতকে আরও মজবুত ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করতে সহায়ক হবে।

 

বাংলাদেশ প্রতিদিন : দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ প্রায় সাড়ে ৩ লাখ কোটি টাকা, সেখানে পূবালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৩ শতাংশের কম রেখেছেন কীভাবে?

মোহাম্মদ আলী : এটি সম্ভব হয়েছে সুশাসন, কঠোর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং স্বাধীন ঋণ মূল্যায়ন ব্যবস্থার ফলে। আমাদের পরিচালনা পর্ষদ সব সময় সুশাসনকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন আর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষও উদ্যোগ নিয়েছেন তা বাস্তবায়নের। ফলে আমাদের কর্মকর্তারা যার যার দায়িত্ব স্বাধীনভাবে পালন করতে পারেন, যা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।

আমাদের ঋণ অনুমোদন প্রক্রিয়াটি সুপরিকল্পিত ও বহুমাত্রিক। বড় ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রেও মূল প্রস্তাব অবশ্যই শাখা থেকে আসতে হবে। শাখা পর্যায়ে স্বাধীন মূল্যায়নের পর আঞ্চলিক কার্যালয় এবং ঋণ বিভাগ সেটি পুনর্মূল্যায়ন করে, এরপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়। এভাবে প্রতিটি স্তরে যথাযথ যাচাইবাছাই নিশ্চিত করা হয়। ফলে কোনো রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী গোষ্ঠী বা ব্রিফকেস কোম্পানির অনৈতিক ঋণ গ্রহণের সুযোগ থাকে না। এমনকি যারা ঋণের জন্য সরাসরি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চান তাদের জানিয়ে দেওয়া হয় যে, আবেদন শাখার মাধ্যমেই করতে হবে।

বর্তমানে দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে, পত্রিকায় দেখা যাচ্ছে এটি ৫ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতেও আমাদের খেলাপি ঋণের হার ২.৬৭ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায়ও কম। এটি প্রমাণ করে যে, সঠিক তদারকি, সুশাসন এবং স্বাধীনভাবে কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

 

বাংলাদেশ প্রতিদিন : পূবালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ উঠেছে, প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে কিছু বলবেন?

মোহাম্মদ আলী : আমাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলক এবং বাস্তবতার সঙ্গে কোনো মিল নেই। পূবালী ব্যাংক বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও এএএ রেটিংপ্রাপ্ত একটি ব্যাংক, যা স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে। অথচ অস্তিত্বহীন এক ব্যক্তির মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দায়ের করে এবং সেটি গণমাধ্যমে প্রচার করে আমাদের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

আমরা যদি কোনো আমানতকারীকে উচ্চ সুদহার দিই, তবে উপকারভোগী হবেন আমানতকারী, যদিও এতে ব্যাংকের খরচ বেড়ে যায়। আবার ঋণের সুদহার কমালে গ্রাহক সুবিধা পান, কিন্তু ব্যাংকের আয় হ্রাস পায়। এসব সিদ্ধান্ত আমাদের ট্রেজারি বিভাগ সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করে। আমাদের আমদানি ব্যয় ছিল ২৯ হাজার কোটি টাকা, আর রপ্তানি আয় ছিল ১৮ হাজার কোটি টাকা। এর ফলে বাকি ১১-১২ হাজার কোটি টাকা রেমিট্যান্স থেকে আনতে হয়েছে, যাতে প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য আমদানির জন্য এলসি খোলা সম্ভব হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ডলারের অতিরিক্ত দর আত্মসাৎ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমদানির সময় ডলারের বাজার দর অস্থিতিশীল থাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতির স্বার্থেই ছিল। অতিরিক্ত ব্যয় এক জিনিস, আর আত্মসাৎ আরেক জিনিস। পূবালী ব্যাংক কখনোই কোনো অনিয়মে লিপ্ত হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকও আমাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বা শাস্তিমূলক চিঠি দেয়নি। এই ভিত্তিহীন অভিযোগ আমাদের স্বাভাবিকভাবেই আহত করেছে। যে কোনো ব্যক্তি অভিযোগ দায়ের করতে পারেন, কিন্তু অভিযোগ বিষয়ে তার স্বার্থসংশ্লিষ্টতা ও সত্যতা, সামাজিক ও বাণিজ্যিক প্রভাব প্রভৃতি গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পূর্বে বিবেচনা করা হয়নি, যা দায়িত্বশীলতার অভাব প্রকাশ করে। এমন উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার শুধু আমাদের ব্যাংকের ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ন করে না বরং দেশের আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতার জন্যও হুমকি সৃষ্টি করে।

 

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ঋণ শ্রেণিকরণের আন্তর্জাতিক নিয়মে ব্যাংক খাতের কী কী লাভ হবে?

মোহাম্মদ আলী : প্রকৃত চিত্র প্রকাশ হওয়ায় ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা আসবে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো জানতে পারবে কোন ব্যাংকের প্রকৃত অবস্থা কেমন। এতে ঋণ আদায়ের উদ্যোগ জোরদার হবে, অর্থঋণ আদালতে কার্যক্রম বেগবান হবে এবং খেলাপিদের জবাবদিহির আওতায় আনা সম্ভব হবে। এ ছাড়াও আন্তর্জাতিক মানের নিয়ম অনুসরণের ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে, যা বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধিতে কার্যকর প্রভাব ফেলবে।

 

বাংলাদেশ প্রতিদিন : মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার বৃদ্ধি কতটা কার্যকর হয়েছে?

মোহাম্মদ আলী : মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার বৃদ্ধি একটি কার্যকর কৌশল, কারণ এটি বাজারে মুদ্রা সরবরাহ কমায় এবং বিনিয়োগের গতি কিছুটা ধীর করে। ফলে পণ্যের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য আসে। আমরা ইতোমধ্যে দেখছি, কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমতে শুরু করেছে। তবে আমদানির খরচ বেড়ে যাওয়ায় কিছু পণ্যের ওপর এখনো চাপ রয়েছে। নীতি সুদহার বৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখছে। সুদহার বাড়ানোর ফলে আমানতকারীরা ব্যাংকে টাকা জমা রাখছেন, ফলে বাজারে অর্থের সরবরাহ কমেছে। তবে শুধু নীতি সুদহার বৃদ্ধিই যথেষ্ট নয়, অন্যান্য অর্থনৈতিক নীতিগুলোরও কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে রাজস্ব আয় বাড়ানো, কালো টাকার প্রবাহ কমানো এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ স্থিতিশীল রাখাও জরুরি। নীতি সুদহার বৃদ্ধির পাশাপাশি অন্যান্য নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করলে অর্থনীতিতে আরও স্থিতিশীলতা আসবে।

 

বাংলাদেশ প্রতিদিন : রমজানের পণ্য আমদানিতে পূবালী ব্যাংকের ভূমিকা কেমন?

মোহাম্মদ আলী : আমরা রমজানের আগে বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যাপকভাবে ঋণপত্র (এলসি) খুলেছি। এ বছর জানুয়ারি মাসে পূবালী ব্যাংকের আমদানির প্রবৃদ্ধি প্রায় ৬০% হয়েছে। আমরা তেল, চিনি এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির বড় অংশীদার। সরবরাহ ব্যবস্থা যাতে ব্যাহত না হয়, সেজন্য আমরা রপ্তানিকারকদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি। ফলে রমজানে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করছি।

 

বাংলাদেশ প্রতিদিন : পূবালী ব্যাংক নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

মোহাম্মদ আলী : এখন প্রযুক্তির যুগ-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (অও) ও ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের যুগ। আমাদের লক্ষ্য হলো পূবালী ব্যাংককে সম্পূর্ণ ডিজিটাল করা। আমরা ইতোমধ্যে চঁনধষর চর নামে ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ চালু করেছি, যা করপোরেট এবং এসএমই গ্রাহকদের সেবা দেবে। আমাদের পরিকল্পনা হলো - গ্রাহক যেন তার ব্যাংকিং কার্যক্রম মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নির্বিঘ্নে পরিচালনা করতে পারেন। ঋণ, এলসি, রিটেইল ব্যাংকিং- সবকিছুই যেন অনলাইনে করা যায়। প্রয়োজনে গ্রাহক শুধু কল সেন্টারে কল করেই সেবা নিতে পারবেন। আমরা আশা করছি, ২০২৬ সালের মধ্যে পূবালী ব্যাংককে সম্পূর্ণরূপে ডিজিটাল ব্যাংকে রূপান্তর করতে পারব। আমাদের এ রূপান্তর ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং সেবা আরও সহজ করে তুলবে।

এই বিভাগের আরও খবর
রেমিট্যান্স ও রপ্তানি প্রণোদনার তৃতীয় কিস্তি ছাড়
রেমিট্যান্স ও রপ্তানি প্রণোদনার তৃতীয় কিস্তি ছাড়
ভেজাল মানহীন পণ্যে বাজার সয়লাব
ভেজাল মানহীন পণ্যে বাজার সয়লাব
ব্যবসায় ঝুঁকি রাজনৈতিক সামাজিক অস্থিরতায়
ব্যবসায় ঝুঁকি রাজনৈতিক সামাজিক অস্থিরতায়
ব্যাংকের সংকট মোকাবিলায় দেবে তহবিল সহায়তা
ব্যাংকের সংকট মোকাবিলায় দেবে তহবিল সহায়তা
কার্ডে লেনদেন বেড়েছে ১৬৬ শতাংশ
কার্ডে লেনদেন বেড়েছে ১৬৬ শতাংশ
ওজিএস বাংলাদেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ
ওজিএস বাংলাদেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ
সংকটে সিরাজগঞ্জের তাঁতশিল্প
সংকটে সিরাজগঞ্জের তাঁতশিল্প
দেওভোগে পোশাকের পাইকারি বাজার জমজমাট
দেওভোগে পোশাকের পাইকারি বাজার জমজমাট
তৈরি পোশাকের মূল্য সংযোজন কমেছে
তৈরি পোশাকের মূল্য সংযোজন কমেছে
৫০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানির প্রতিশ্রুতি
৫০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানির প্রতিশ্রুতি
কুমিল্লার কচুর লতি যাচ্ছে ২৫ দেশে
কুমিল্লার কচুর লতি যাচ্ছে ২৫ দেশে
ব্যবসা সম্প্রসারণের গতি কমেছে ফেব্রুয়ারিতে
ব্যবসা সম্প্রসারণের গতি কমেছে ফেব্রুয়ারিতে
সর্বশেষ খবর
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৫২ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

২ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা