নতুনধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. সাদী-উজ-জামান বলেন, স্বপ্নের পদ্মা সেতু সংলগ্ন ৩০০ ফিট ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গেই গড়ে উঠছে, আবাসন প্রকল্প ‘নতুনধরা’-নতুন প্রজন্মের নতুন পৃথিবী। ঢাকার ব্যবসায়িক প্রাণকেন্দ্র মতিঝিল থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার দূরে পরিবেশবান্ধব এই আবাসন প্রকল্প। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, প্রকল্পের সঙ্গে ৪টি সরকারি সড়কের সরাসরি সংযোগ রয়েছে। প্রফেশনাল রিয়েল এস্টেট ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের ফাউন্ডার ড. মো. সাদী-উজ-জামান যিনি দেশের প্রথম ‘প্রফেশনাল ডক্টরাল সার্টিফিকেট ইন রিয়েল এস্টেট ম্যানেজমেন্ট’ অর্জন করেন, তাঁর সুদক্ষ তত্ত্বাবধানে গড়ে উঠছে শতভাগ পরিবেশবান্ধব সুপরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প ‘নতুনধরা’।
তিনি বলেন, মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান ও শ্রীনগর উপজেলার মোট তিনটি ইউনিয়নজুড়ে বিস্তৃত এই আবাসন প্রকল্প। পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক অবস্থানগত ছাড়পত্রপ্রাপ্ত, অতি মূল্যবান ইআইএ (এনভায়রনমেন্টাল ইম্পেক্ট এসেসমেন্ট) অনুমোদনপ্রাপ্ত ও পরিবেশের চূড়ান্ত অনুমোদন পরিবেশগত ছাড়পত্রপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান নতুনধরা এসেটস লিমিটেড স্বচ্ছতার সঙ্গে আস্থা ফেরাতে আপোসহীন। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ছাড়পত্র/অনুমোদন পেয়েছে নতুনধরা এসেটস লিমিটেড।
রিয়েল এস্টেট আইন ২০০৪ অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের দায়মুক্তি সনদ প্রাপ্তি ‘নতুনধরা’ আবাসন প্রকল্পের শতভাগ স্বচ্ছতারই স্বীকৃতি। সাদী-উজ-জামান বলেন, নতুনধরা ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কৃতজ্ঞতাপত্রপ্রাপ্ত ও সংশ্লিষ্ট দুই উপজেলা প্রশাসনের সম্মাননা ও শুভেচ্ছা স্মারকপ্রাপ্ত কোম্পানি। জেলা ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়াল অনুযায়ী জমি ক্রয় এবং মিউটেশন করার অনুমোদনপ্রাপ্ত ট্রেডমার্ককৃত প্রতিষ্ঠান নতুনধরা।
তিনি আরও বলেন, ‘নতুনধরা এসেটস লিমিটেড’ জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের রেজিস্টার্ড ও আইএসও ৯০০১:২০১৫ সার্টিফাইড।নতুনধরা গ্রুপের এমডি বলেন, নতুনধরায় রয়েছে পাঁচ ও তিন কাঠার প্লট। এ প্রকল্পের প্রতিটি প্লটই ‘প্রিমিয়াম প্লট’। ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ল্যান্ড ডেভেলপারসের কো-চেয়ারম্যান ড. মো. সাদী-উজ-জামানের উদ্ভাবিত ও নামকরণকৃত বহুল সুবিধা সংবলিত এই প্রিমিয়াম প্লটে থাকছে তিন দিকে খোলা জায়গা। দুটি প্রিমিয়াম প্লটের মালিকানায় গ্রাহকরা চারদিক খোলা পাবে ও চারটি প্লটের মালিকানায় সর্বমোট পাঁচ দিক খোলা পাবে। তিনি বলেন, নতুনধরা ইতিমধ্যে আনুমানিক ৫০০ (পাঁচশত) প্লট রেডি করার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে যা প্রায় শেষের পথে। নতুনধরা আবাসন খাতে গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্লটের বিপরীতে মাত্র শতকরা ৮০ ভাগ টাকা পরিশোধের মাধ্যমে গ্রাহকদের প্লট রেজিস্ট্রি দিচ্ছে ও অবশিষ্ট ২০ ভাগ টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করার সুযোগ দিচ্ছে।
নতুনধরা আবাসন প্রকল্পে মসজিদ, গোল্ডেন গার্ডেন, ওপেন থিয়েটার, লেক, খেলার মাঠ, বার্ডস পার্কসহ আরও অনেক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা। প্রকল্প এলাকায় বর্তমানে গোল্ডেন গার্ডেন, কিডস জোন ও শিশুপার্ক সম্পূর্ণরূপে দৃশ্যমান। ড. মো. সাদী-উজ-জামান বিশ্বাস করেন পরিবেশবান্ধব ও সুপরিকল্পিত আবাসন প্রকল্পে সর্বপ্রথম প্রয়োজন সঠিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ। তাই নতুনধরা আবাসন প্রকল্পে পুরোপুরি প্লট হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরুর আগেই পাঁচ তারকামানের ‘নতুনধরা এক্সপ্রেস লাউঞ্জ অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারের’ (নেলসিসি) নির্মাণ কাজ শুরু করেছে।