শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩৯, শুক্রবার, ০৭ মার্চ, ২০২৫

সাক্ষাৎকার

তরুণদের মূল্যায়ন করতে না পারলে ব্যর্থ হব

সামান্তা শারমিন
কাজী সোহাগ
প্রিন্ট ভার্সন
তরুণদের মূল্যায়ন করতে না পারলে ব্যর্থ হব

নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন। জন্মস্থান ঢাকা। পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের চারুকলার ভাস্কর্য বিভাগে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। দেশের সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ৩৬ জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে আপনারা এগোচ্ছেন। এই পথ চলা এখন পর্যন্ত কেমন মনে হচ্ছে?

সামান্তা শারমিন : জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে ব্যাপক মানুষের অংশগ্রহণ বিপুল আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। আমাদের এই জনগোষ্ঠীর নানা প্রান্তে বঞ্চিত অনেক মানুষ আছেন। বাংলাদেশের মানুষের একটা লাইফ লং স্ট্রাগল আছে। ৫৩ বছর ধরে তাদের রাষ্ট্র গঠনের স্ট্রাগলটা করতে হচ্ছে। নানা বাধার মুখে তাদের এই অর্জনগুলো পিছিয়ে যাচ্ছে। সংগ্রামের মধ্য অর্জিত যে অর্জন সেটাও পাওয়া যায় না কখনো কখনো। উদাহরণ হিসেবে ৯০ সালকে দেখতে পারি। স্ট্রাগলের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছিল গণতান্ত্রিক একটি রূপরেখো। সেটা সফল হয়নি। ২৪-এ এসে ৫৩ বছরের জঞ্জাল, তার বিপক্ষে মানুষের দাঁড়ানো, এর মানে হচ্ছে এই জঞ্জালকে সরিয়ে নতুন একটি ব্যবস্থা কায়েম করতে হবে। এটা একটা বিশাল প্রত্যাশার চাপ। সেই সঙ্গে এটা একটা কর্মযজ্ঞের চাপও বটে। প্রথমে আমরা নাগরিক কমিটি করেছিলাম। পরে মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী নাগরিক পার্টি করতে হয়েছে। দুই ক্ষেত্রেই কিন্তু চাপটা আছে। এখন যে রাজনৈতিক কাঠামো আছে সেটাকে বলা হয় একদলকেন্দ্রিক। কিন্তু মোটা দাগে সেটা এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক। আবার এক দলমুখী। এই কাঠামোটা পুরোপুরি জনবিরোধী। জনগণের পক্ষ থেকে এ নিয়ে আমাদের ওপর চাপ রয়েছে। এই কাঠামো আমূল পরিবর্তন করতে হবে। ৩৬ জুলাই আন্দোলনে যাঁরা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের একটা দায় আমাদের ওপর রয়েছে। সেই দায়টাও বোধ করি। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা স্থায়ীভাবে কী পরিবর্তন করতে পারলাম, এ ধরনের বোধের মধ্য দিয়ে আপাতত যাচ্ছি।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : একটি নতুন স্বপ্নের রাজনৈতিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন। দায়িত্বটা কেমন বলে মনে করছেন?

সামান্তা শারমিন : অনেক ধরনের জুলুমের মধ্য দিয়ে আমরা এসেছি। আমাদের অনেকেরই দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াই আছে। আমাদের অতীত দেখলে দেখা যাবে পুরোটাই ছিল অ্যান্টি ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে লড়াই করে উঠে আসা। প্রথমত এটাকে একটা পরিক্রমা হিসেবে দেখছি। দায়িত্ব হিসেবে দেখছি। স্বাভাবিকভাইে একটা পদের সঙ্গে জড়িত কিছু দায়িত্ব থাকে। রাষ্ট্রের দায়িত্বকে এখানে ক্ষমতা হিসেবে দেখা হয়। এই যে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি এটাকে পরিবর্তনের চেষ্টায় আছি। রাষ্ট্রের যে ক্ষমতা সেটাকে দায়িত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছি। আমাদের যে পদবি আছে সেটাকেও ক্ষমতা হিসেবে না দেখে দায়িত্ব হিসেবে দেখতে চাচ্ছি।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : এ ধরনের দায়িত্বশীল পদধারীদের প্রতি ভিন্ন ভিন্ন পথ ও মতের মানুষদের তীক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ থাকে আপনি সেগুলো কীভাবে সামাল দেবেন?

সামান্তা শারমিন : বাংলাদেশে যত ধরনের পথ ও মত আছে সেগুলোকে ধারণ করাটা কঠিন। আমাদের দেশে কোনো রাজনৈতিক দল এটা ধারণ করতে পারেনি। নাগরিক মর্যাদার কথা বলেছি। যদিও নাগরিক কথাটি শুনলে মনে হয়, একজন নাগরিকের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু নাগরিক একটা আইডিয়া বা স্টেট। রাষ্ট্র যদি ফাংশনারি না হয় নাগরিক মর্যাদা এখানে কখনোই প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। আদায় করা যাবে না। সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সবকিছুর ঊর্ধ্বে কোনো কিছুকে স্থান দেওয়া। এবারের আন্দোলনে সেটা করতে পেরেছি। বাংলাদেশকে আমরা বারবার বলছি এটা একটা আধুনিক রাষ্ট্র। কিন্তু এটা কোনোভাবেই রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠেছে কি না? এই জায়গাটা যদি আমরা ফোকাস করি তাহলে দেখব আমাদের যে নাগরিক মর্যাদা সেটা নেই এবং কখনো হওয়ারও ছিল না। বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কোনো ধরনের পদক্ষেপ, গ্রহণযোগ্য কোনো কর্মসূচি, পরামর্শ কোনো দলই ওই অর্থে নেয়নি। বাংলাদেশ এত স্ট্রাগলিং একটা দেশ, বিশেষ করে সাউথ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ হিসেবে দেখতে হবে। কিন্তু পুরো বিশ্বে আমাদের দেশের তেমন কোনো গুরুত্ব নেই। রাজনৈতিকভাবে ও জিও-পলিটিক্যালির কোনো গুরুত্ব নেই। পুরো রাষ্ট্রকাঠামো পরিবর্তন করতে হলে ঐক্য খুবই জরুরি। আমার জায়গা থেকে এটা অবশ্যই গুরুদায়িত্ব বলে মনে করি। বিদ্যমান যত মতাদর্শ আছে তাদের প্রতি সহনশীল না হলে এক টেবিলে বসতে পারব না। এ ক্ষেত্রে যেসব ফ্যাসিস্ট এলিমেন্ট আছে সেসব দূরে ঠেলে দিয়ে একত্র করার যে উপাদান আছে, সেগুলোকে নিয়ে কাজ করতে হবে।

আরেকটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন এ দেশের মানুষ সহ্য করবে না

অবৈধ তিনটা নির্বাচনের ট্রমা এখনো কাটেনি

আমরা গণপরিষদ নির্বাচনের কথা বলছি

বাংলাদেশ প্রতিদিন : নতুন দল মানেই চ্যালেঞ্জ। আপনাদেরও সে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। কিন্তু আপনাদের চ্যালেঞ্জের মধ্যে তরুণ সমাজের আস্থার বিষয়টাও যুক্ত। সেটাকে কীভাবে জয় করতে চান?

সামান্তা শারমিন : তরুণদের আস্থার বিষয়টা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের বড় বড় পরিবর্তনের জন্য আকাঙ্ক্ষার যে লড়াই সেখানে এগিয়ে এসেছেন তরুণরা। অবশ্যই রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী বড় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। কিন্তু সবচেয়ে বেশি এগিয়ে এসেছে তরুণ অংশ, শিক্ষার্থীদের অংশ। কারণ মাঠের লড়াই তো তাদেরই করতে হয়। মাঠের লড়াই যখন শেষ হয়ে যায় পরিবর্তনের সময়টা আসে তখন কারা ক্রীড়নক হিসেবে এগিয়ে যায়? বারবার দেখি যারা একটু বর্ষীয়ান, অনেক দিন ধরে রাজনীতি করছেন তাঁরা এগিয়ে যান। কিন্তু অনেক দিন ধরে রাজনীতি করা- এটা তো কোনো মানদণ্ড হতে পারে না। অভিজ্ঞতার জায়গার কথা যদি বলি, ১৫ বছরে নানান ধরনের অভিজ্ঞতার মানুষকে দেখেছি নানান ধরনের তৎপরতার সঙ্গে জড়িত হতে। কিন্তু মোটা দাগে দেখিনি তারা বাংলাদেশের মানুষকে নাড়া দিতে পেরেছেন। যেভাবে তরুণরা নাড়া দিতে পারলেন। আবু সাঈদ, তাঁর বয়স ছিল ২৬ বছর। তাঁর বুকের রক্তই শেষ পর্যন্ত একটি পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখার জায়গা তৈরি করেছে। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর সবাই ছিলাম বিমর্ষ। কীভাবে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ এই জগদ্দল পাথর দূর করা সম্ভব- এ নিয়ে আমরা নিজেরাও হতাশাগ্রস্ত ছিলাম কিছু মাত্রায়। কিন্তু এটাকে আবার চাঙা করলেন, মানুষের মনে আশার সঞ্চার করলেন, সম্ভাবনাটা দেখালেন ছাত্র-তরুণরা। জনতার যে তরুণ অংশ তারাই করল। হয়তো তাদের অভিজ্ঞতা কম থাকতে পারে, বোঝাপাড়ায় হয়তো অনেক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের চেয়ে পিছিয়ে থাকবে কিন্তু তাদের যে কর্মতৎপরতা এবং উদ্দেশ্য সফল করার যে মাত্রা সেটাকে যদি অস্বীকার করতে থাকি তাহলে আবারও তরুণদের সঙ্গে সেই প্রতারণাটা করা হবে। এজন্য অভ্যুত্থানের পর থেকে তরুণ সমাজকে টার্গেট করে এসেছি। তাদের একনলেজ করে এসেছি শুধু এই অভ্যুত্থানের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে নয়। বাংলাদেশের যে চালিকাশক্তি সেটাকে যদি দেখি বাংলাদেশে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ তরুণ। এই তরুণ জনগোষ্ঠীর বেশির ভাগ অংশ প্রবাসে আছে। তাদের রেমিট্যান্স দিয়ে দেশের বড় চাহিদা পূরণ হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও কিন্তু বাইরে পড়তে গিয়ে কষ্ট করছে। বাংলাদেশে অনেক ফ্রিল্যান্সার আছেন। তাঁদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তাঁরা বাংলাদেশকে বিশ্বের সঙ্গে কানেক্ট করছেন। তাঁদের কেউ রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করতে পারেনি। তাঁরা যে আছেন, তাঁরা যে বড় সংখ্যক, রাজনৈতিকভাবে তাঁরা যে ভয়েস, সেটা একনলেজ করা হয়নি। পড়ন্ত প্রায় দুর্বল প্রকৃতির এই রাষ্ট্রকাঠামোর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছেন। এই অদম্য স্পিরিট শুধু জুলাই অভ্যুত্থান না তার আগেও দেখা গেছে। বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা তাদের মূল্যায়নের কোনো সুযোগ নেয়নি। এই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমাদের সেই সুযোগটা এসেছে। তাদের নিয়ে পরিকল্পনা করা, তাদের রাজনৈতিক দিশা দেখানো, তারা যেন রাজনীতিতে আসে, তাদের মতামতগুলো যেন আমরা পাই সেটা নিশ্চিত করা আমাদের টপ মোস্ট প্রায়োরিটি। দলগত হিসেবে তাদের গুরুত্ব আমাদের কাছে আরও বেশি। তরুণদের যদি মূল্যায়ন করতে না পারি তাহলে আমরা ব্যর্থ হব।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আপনারা ব্যর্থ হলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে বলে মনে করেন?

সামান্তা শারমিন : এবারের অভ্যুত্থান যদি সফল না হয়, রাষ্ট্রকাঠামো যদি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন না হয় তাহলে হয়তো এই তরুণরা আরও একবার হতাশ হবেন। এটা আমাদের জন্যও বড় হতাশার জায়গা হবে। ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে বাংলাদেশ এ ধরনের হতাশায় নিমজ্জিত হয়েছে। আবার উঠেও দাঁড়িয়েছে। আমরা যদি ব্যর্থ হই তাহলে পরবর্তী জেনারেশনের ওপর দায়িত্বটা পড়বে সফল হওয়ার।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : স্বাধীনতার পর গতানুগতিক রাজনীতির একই ধারা চলে আসছে। সেই জায়গা থেকে আপনারা নতুনত্ব কি আনার পরিকল্পনা করেছেন?

সামান্তা শারমিন : সার্ভিস পলিটিক্স এবং রাইটবেইজ পলিটিক্স, এই জায়গাগুলো ফোকাস করছি। এখানে নানান মতাদর্শভিত্তিক দল আছে। ইতিহাস দিয়ে বা ইতিহাসের কোন পয়েন্ট নিয়ে রাজনীতি করার দল আছে। কিন্তু আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলে- বাংলাদেশকে একত্র করা। মতাদর্শ যা-ই হোক দেশটাকে যদি ঠিকমতো রাখতে না পারি তাহলে হ্যাম্পারড হব। এটা হলো বেসিক জায়গা। আমরা যদি আমাদের দায়িত্ব পালন করতে পারি তাহলে বাংলাদেশের একটা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পাব। তৃণমূল থেকে নেতা হওয়ার প্রসেসটা যেন থাকে সেই ব্যবস্থা করতে চায়। তারা যেন দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন, সেই স্বপ্নটা অন্তত দেখতে পারেন, সেটায় গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আপনারা নতুন। কিন্তু রাজনীতির মাঠে পুরোনো দলগুলোর শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। তাদের সঙ্গে আপনাদের রাজনৈতিক পালসের সমন্বয় বা প্রতিযোগিতা কীভাবে এগোতে পারে বলে মনে করেন?

সামান্তা শারমিন : পুরোনো দলগুলোর রাজনৈতিক সেটআপ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। এর মাধ্যমে তারা নির্বাচনি মাঠে ক্রীড়নক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। নতুন দল হিসেবে চায় এখানে বহুদলীয় গণতন্ত্র থাকুক। তাহলে পার্লামেন্টে একছত্র আধিপত্য থাকবে না। দলগুলোর ভিতরে দক্ষতার বিষয়টি গুরুত্ব পায় না। রাজনৈতিক বিষয়টি গুরুত্ব পায়। এই জায়গাগুলোতে পরিবর্তনের কথা বলছি। এই কথার প্রতিফলন সংসদে গিয়েও পড়বে যদি মানুষ আমাদের নির্বাচনে বিশ্বাস করে দেখে। পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর বিদ্যমান অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে। এটা পরিবর্তন করে তারা মানুষের কাতারে আসুক।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সামনে জাতীয় নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্র্ণ বিষয় রয়েছে। কিন্তু সেই হিসেবে আপনাদের দলীয় অবস্থান একেবারেই অপরিপক্ব। নির্বাচনের ওই চ্যালেঞ্জ কীভাবে মোকাবিলা করবেন?

সামান্তা শারমিন : আমাদের অপরিপক্বতা কিছু আছে। কারণ আমাদের দলের বয়স এক সপ্তাহের মতো হয়েছে। প্রান্তিক এলাকায় আমাদের দলটাকে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করতে হবে। এই কাজের প্রতি বেশি মনোযোগী হব। বাংলাদেশের মানুষের কাছে যে অপশন এসেছে বা সম্ভাবনা এসেছে সেটা যেন সবার কাছে পৌঁছায়। আমরা গণপরিষদ নির্বাচনের কথা বলছি। সংবিধান পরিবর্তন করা প্রয়োজন সেটা আমাদের সবাইকে একনলেজ করতে হবে। যারা এটা করছেন না, তারা অভ্যুত্থানকে একরকম অস্বীকার করছেন বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়। যদি এবার গণপরিষদ নির্বাচন না হয় তাহলে আমরা এসে সেটা করব। আমাদের চেষ্টা থাকবে এবার থেকেই। যে লক্ষণীয় পরিবর্তনগুলো আনা দরকার সেটা এবারের নির্বাচন থেকেই হবে। কারণ বাংলাদেশের মানুষ তিনটা অবৈধ নির্বাচন দেখেছে। সেই ট্রমা এখনো যায়নি। আরেকটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন এ দেশের মানুষ সহ্য করতে পারবে না। সামনের যে নির্বাচন হবে সেটা অ্যাবসুলেট ফেয়ার হবে সেটা বারবার বলছি। সামনের নির্বাচনের মধ্য দিয়েই আমাদের রাজনীতির সংস্কৃতি নতুন ধারায় এগোবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ক্ষমতাসীন অন্তর্বর্তী সরকারের সাত মাসকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

সামান্তা শারমিন : এই সরকারের প্রতি আশা-আকাঙ্ক্ষার পারদ আরও অনেক ওপরে ছিল। একটা ম্যান্ডেট তারা পেয়েছে যে সরকার হিসেবে আছে। আমরা যা যা আশা করেছিলাম তা ওই মাত্রায় পাইনি। এখনো নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের কথা বলতে হচ্ছে। সংস্কার কার্যক্রমের জন্য বিপ্লবী স্পিরিটটা চেয়েছিলাম।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বৈষম্যহীন দেশ গড়ার ক্ষেত্রে পার্টি পলিটিক্স কতটা ইতিবাচক বা নেতিবাচক হতে পারে?

সামান্তা শারমিন : পার্টি পলিটিক্সটা আমাদের দেশে ভোটকেন্দ্রিক। একবিংশ শতাব্দীতে এসে ভোট কখনো গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে পারবে না। ভোটের রাজনীতির জায়গাটা আমরা পরিবর্তন করতে চাচ্ছি। কাজ করার আরও অনেক জায়গা রয়েছে। সিভিল সোসাইটিকেও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করতে হবে। কোন পার্টি ক্ষমতায় গেল এটা তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হবে না। সমালোচনা করবেন চাঁছাছোলা।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে কোন স্থানে দেখতে চান?

সামান্তা শারমিন : দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই আমরা ঢাকাকে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক হাব হিসেবে দেখতে চাই। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ পুরো বিশ্বে একটা ভোটিং পাওয়ার হিসেবে থাকবে।

এই বিভাগের আরও খবর
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
সর্বশেষ খবর
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

এই মাত্র | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

১ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ
ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান
পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার
নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৭
যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৭

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাওরে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার
হাওরে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

২৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা