শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৬ মার্চ, ২০২৫

কর্মকর্তাদের বিক্ষোভ উত্তাল বিএসইসি

♦ চেয়ারম্যানের পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবি ♦ সেনা পাহারায় অফিস ত্যাগ চেয়ারম্যান কমিশনারদের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
কর্মকর্তাদের বিক্ষোভ উত্তাল বিএসইসি

শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের পদত্যাগ দাবিতে তাঁদের অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করেছেন। বিএসইসির এক নির্বাহী পরিচালককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রতিবাদে এ বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। গতকাল আগারগাঁওয়ে বিএসইসি কার্যালয়ে বেলা ১১টায় এ বিক্ষোভ শুরু হয়। দুপুরের পর সেনাবাহিনী গিয়ে চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের বাইরে নিয়ে আসেন। কর্মকর্তারা দাবি করেন, চেয়ারম্যান পদত্যাগ না করলে আজ থেকে কর্মবিরতি পালন করবেন তাঁরা। জানা গেছে, বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর আদেশ জারির পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিএসইসি চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের ফ্লোর (পঞ্চম তলা) ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিএসইসি ভবনের সামনে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। এক পর্যায়ে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় বিএসইসি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। বিএসইসি চেয়ারম্যান কার্যালয় ছাড়ার আগে বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তারা ভবনের কিছু জায়গায় ভাঙচুর চালান। এ সময় তাঁদের ওপর লাঠিচার্জের অভিযোগ করেন কর্মকর্তারা। এ ঘটনার পর কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বক্তব্য দেন। এ সময় তাঁরা বিএসইসি চেয়ারম্যান পদত্যাগ না করলে কর্মবিরতি পালন করার ঘোষণা দেন। আজ থেকে বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করবেন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কমিশন ভবনে অনানুষ্ঠানিক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন বিএসইসি অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুর রহমান। এ সময় বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম, মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মাহবুবুর রহমান বলেন, বর্তমান কমিশন নিয়ে বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। এর অন্যতম কারণ কমিশনারদের খারাপ আচরণ, বিভিন্ন কোম্পানির তদন্তের আলোকে কর্মকর্তাদের ধারাবাহিক শোকজ করা এবং নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর আদেশ জারি করা। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বিএসইসির চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানাই। তবে তাঁরা এ দাবি মেনে নেননি। বরং সেনাবাহিনীকে ভুল তথ্য দিয়ে ডেকে এনে তাঁরা আমাদের কর্মকর্তাদের ওপর লাঠিচার্জ করিয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে আমরা বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সঙ্গে কাজ করতে পারছি না। তাই আমরা চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের পদত্যাগ দাবি করছি। বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবির মধ্যে নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানের বাধ্যতামূলক অবসরের অবৈধ আদেশ প্রত্যাহার করতে হবে। বিতর্কিত তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শোকজ বন্ধ করতে হবে এবং পূর্বে প্রদত্ত শোকজসমূহ প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে হবে। ১২৭ জনের নিয়োগের ব্যাপারে কমিশন কর্তৃক বিজ্ঞ আইনজীবী নিয়োগ এবং তিন দিনের মধ্যে আপিল করে কমিশনের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে। কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অশোভন, অপেশাদারমূলক দুর্ব্যবহার বন্ধ করতে হবে এবং ক্ষমা চাইতে হবে। চেয়ারম্যানকে এখনই পদত্যাগ করতে হবে।

উচ্ছৃঙ্খল কর্মকর্তারা বিএসইসিতে অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য দায়ী : বিএসইসি চেয়ারম্যান : বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বলেন, বিগত দিনের পুঁজিবাজারের বিভিন্ন অনিয়ম অনুসন্ধানে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ১২টি লিস্টেড কোম্পানির বিভিন্ন অনিয়ম তদন্ত করে সাতটি তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে। এর মধ্যে পুঁজিবাজারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং বিএসইসির কিছু কর্মকর্তার জড়িত থাকার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর সাইফুর রহমানকে গত ৪ মার্চ অবসরে পাঠানো হয়। এই ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে কিছু উচ্ছৃঙ্খল কর্মকর্তা বিএসইসির চেয়ারম্যান এবং কমিশনারদের কমিশনের বোর্ড রুমের চলমান সভায় জোরপূর্বক ঢুকে অবরুদ্ধ করে। তারা কমিশনের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেয়, সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে দেয় এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে অরাজক, ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। অকথ্য ভাষা ব্যবহার করে ও পেশিশক্তি প্রদর্শন করে। একই সঙ্গে তারা সদ্য যোগ দেওয়া চেয়ারম্যানের পিএস যিনি সরকারের সিনিয়র সহকারী সচিব তাকে লাঞ্ছিত করে। বর্তমান কমিশন পুঁজিবাজারের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় বিএসইসির কিছু উচ্ছৃঙ্খল কর্মকর্তা ও কর্মচারী এ অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি করেছে বলে প্রতীয়মান হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
সর্বশেষ খবর
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

১ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ
ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান
পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার
নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৭
যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৭

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাওরে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার
হাওরে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

২৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা