শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০২:০৭, শনিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

সাক্ষাৎকার

হাসিনার আমলে নিজেদের নাগরিক মনে হতো না

হাবিব-উন-নবী খান সোহেল
শফিউল আলম দোলন
প্রিন্ট ভার্সন
হাসিনার আমলে নিজেদের নাগরিক মনে হতো না

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল বলেছেন, সরকারের কয়েকজনের নামে অ্যালার্মিং কিছু অভিযোগ কানে আসছে। এগুলো কতটুকু সত্য আমি জানি না। অভিযোগগুলো অত্যন্ত অ্যালার্মিং। তবে ড. ইউনূস সাহেবের ওপর আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস আছে। তিনি বলেন, হাসিনার আমলে নিজেদের দেশের নাগরিক মনে হতো না। দেশের সমসাময়িক রাজনীতি ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বর্তমানে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক অবস্থা কেমন দেখছেন?

হাবিব-উন-নবী খান সোহেল : বিগত ১৫-১৬ বছর দেশে কোনো রাজনীতিই ছিল না। রাজনীতির নামে বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের ওপর যে দমননীতি, অত্যাচার-নির্যাতন হয়েছে তা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন। কোনো মিটিং-মিছিল করা যেত না। পুলিশ দিয়ে শাঁসানো হতো। ব্যবসা-বাণিজ্য টাকা-পয়সা সবকিছু কেড়ে নিয়েছে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা। অনেকে এলাকায় সবকিছু হারিয়ে ঢাকায় এসে রিকশা বা সিএনজি চালিয়ে জীবন চালিয়েছে। আমার নিজের বিরুদ্ধে ৪৫১টি মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দেওয়া হয়েছে। তবে এখন আর আগের মতো আতঙ্কটা নেই। আমরা নিজেদের বাসাবাড়িতে থাকতে পারছি। মানুষের মনে এখন স্বস্তি ফিরে এসেছে। এক সময় নিজেদের বাংলাদেশের নাগরিক মনে হতো না। সেই তুলনায় রাজনৈতিকভাবে বর্তমানে মানুষ আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন। স্বস্তিতে আছেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : দেশের অর্থনীতি কেমন চলছে?

হাবিব-উন-নবী খান সোহেল : ব্যাংকগুলোকে একেবারে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। আওয়ামী লীগের লোকেরা নিজের মনে করে ব্যাংকগুলো খালি করে সব টাকা নিয়ে গেছে। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে বর্তমানে প্রফেসর ইউনূস সাহেব টেনে তোলার চেষ্টা করছেন। তবে অরাজনৈতিক সরকারের পক্ষে খুব বড় ধরনের কোনো চেঞ্জ আনাটা অত্যন্ত কঠিন। রাজনৈতিক সরকারের পক্ষে যেটা সম্ভব। তবে তারা খুব বেশিদূর যে এগিয়েছেন- সেটি বলব না। তবে কিছুটা আগানোর চেষ্টা করছেন। আশা করছি, বাংলাদেশের অর্থনীতি আবারও আগের মতোই দাঁড়াবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বিগত পাঁচ মাসে অন্তর্বর্তী সরকারের পারফরমেন্সটা কেমন। সামনে তাদের কী করা উচিত?

হাবিব-উন-নবী খান সোহেল : অন্তর্বর্তী সরকার মোটামুটি ভালো করার চেষ্টা করছেন। হাসিনা সরকারের আমলে যেভাবে ঢালাও লুটপাট হতো- সেভাবে তো হচ্ছে না। তাদের চেষ্টা হয়তো চলছে। কিন্তু সক্ষমতারও একটা ব্যাপার আছে। একটি দেশের অগ্রগতির জন্য দেশের সমগ্র জনগণকেও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হয়। এ কাজটি তো অরাজনৈতিক সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। সেজন্য অবশ্যই রাজনৈতিক সরকার দরকার। কিন্তু সরকারের ভিতরে সিনিয়র পারসন নন, এমন কয়েকজনের নামে অ্যালার্মিং কিছু অভিযোগ কানে আসছে। অভিযোগগুলো অত্যন্ত অ্যালার্মিং।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে নাগাদ হতে পারে? নির্বাচনের কোনো টাইমফ্রেম আছে কি না?

হাবিব-উন নবী খান সোহেল : অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ন্যূনতম সংস্কার করে যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় নির্বাচন দিয়ে বাকি সংস্কারগুলো নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। কিছু সংস্কার আছে যেগুলো অরাজনৈতিক সরকার সহজেই করে ফেলতে পারে। সেগুলো তারা করুক। তাদের দ্বারা বড় সংস্কার করাটা খুবই কঠিন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আপনাদের দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলাগুলোর অবস্থা কী?

হাবিব-উন-নবী খান সোহেল : সরকারের সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা হচ্ছে। আমরা এসব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য লিস্ট দিয়েছি। আইনগত প্রক্রিয়াও আমরা যথাযথভাবে ফলো করে যাচ্ছি। আশা করছি, এই সরকার দ্রুত এসব মিথ্যা ও রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করে নেবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কবে নাগাদ দেশে ফিরবেন?

হাবিব-উন-নবী খান সোহেল : এটা একেবারেই তাঁর নিজস্ব সিদ্ধান্তের ব্যাপার। তিনি যখন চাইবেন তখনই দেশে ফিরতে পারবেন। তাঁর বিরুদ্ধে হাসিনা সরকারের দায়ের করা মামলগুলো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এগুলো শেষ হওয়ার পরই তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের মতে, আগামী দিনের নির্বাচন ও রাজনীতি দুটোই বিএনপির জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ। আপনি কী মনে করেন?

হাবিব-উন-নবী খান সোহেল : আমাদের জন্য তো নির্বাচনে জয়লাভের জন্য শর্টকাট কোনো রাস্তা নেই। আমাদের তো কেউই ক্ষমতা দিয়ে দেয় না। আবার চুরি করে ভোট করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই আমাদের একমাত্র রাস্তা হলো জনগণ। এজন্য ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমাদেরকে বারবার জনগণের কাছে যেতে বলছেন। জনগণকে সঙ্গে রাখতে বলছেন। এটা অত্যন্ত কঠিন কাজ।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী?

হাবিব-উন-নবী খান সোহেল : জামায়াত তাদের মতো রাজনীতি করে। যা পিপল-এর সঙ্গে যায় না। তাদের ভোটার এবং কর্মীর সংখ্যাও অনেকটা নির্দিষ্ট। তারা ন্যাচারেলি কর্মী বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে, সমাজে প্রভাব দেখিয়ে সমর্থন নেওয়ার জন্য চেষ্টা করছে। তবে এ দেশের জনগণ ধর্মভীরু ঠিক আছে- কিন্তু ধর্মান্ধ নয়। তারা কখনো কোনো ধর্মান্ধগোষ্ঠীর কাছে তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেননি।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা উচিত কি না?

হাবিব-উন-নবী খান সোহেল : গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হোক এটা বিএনপির কাম্য নয়। কিন্তু যারা সুনির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত তাদেরকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগে বিচারের মুখোমুখি করাটাই সমীচীন। আওয়ামী লীগের টপ টু বটম সবাই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত এবং অপরাধী। বিচারের আগে তাদের ইলেকশনে অংশ গ্রহণের সুযোগ দিলে ইলেকশনটাই নষ্ট হয়ে যাবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্রনেতাদের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের কথা শোনা যাচ্ছে। কীভাবে দেখেন?

হাবিব-উন-নবী খান সোহেল : নতুন রাজনৈতিক দল গঠনকে আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে কেউ যদি রাজনৈতিক দল গঠন করতে চায়- কিংস পার্টির মতো পার্টি করতে চায় তাহলে এদেশের জনগণ সেটি কখনোই মেনে নেবে না। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় দল গঠন করলে, আর সে দল নির্বাচনে অংশ নিলে- তখন শেখ হাসিনা আর এরশাদের আমলের নির্বাচনের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকবে না। তখন সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করার দাবি উঠছে। আপনি কী মনে করেন?

হাবিব-উন-নবী খান সোহেল : শেখ হাসিনা দেশে কিংবা বিদেশে যেখানেই থাকুন না কেন- তার বিচার কার্যক্রম চলতেই থাকবে। এখন কথা হচ্ছে, বাংলাদেশের মানুষের প্রতি তিনি যে জঘন্য আচরণ করেছেন- খুন, গুম, গণহত্যা চালিয়ে গেছেন এর বিচার হতে হবে। শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে আনতে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো উচিত।

বাংলাদেশ প্রতিদিনকে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

হাবিব-উন-নবী খান সোহেল : আপনাকেও ধন্যবাদ।

এই বিভাগের আরও খবর
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
সর্বশেষ খবর
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

১ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ
ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান
পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার
নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৭
যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৭

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাওরে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার
হাওরে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

২৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা