শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ মার্চ, ২০২৫

চিরতরে হারিয়েছে যেসব ছবি

আলাউদ্দীন মাজিদ
প্রিন্ট ভার্সন
চিরতরে হারিয়েছে যেসব ছবি

নির্মাতা এবং এফডিসির অসচেতনতার অভাবে বহু কালজয়ী ছবি চিরতরে হারিয়ে গেছে। যার অস্তিত্ব আর নেই। এসব ছবি আর কখনই দেখা যাবে না। এমন ছবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে ষাটের দশকের আকাশ আর মাটি, রাজা এলো শহরে, মহিউদ্দীনের মাটির পাহাড় এহতেশাম পরিচালিত চান্দা এবং চাঁদনী, রাজধানীর বুকে, এস এম শফীর দ্য রেইন, দিলীপ বিশ্বাসের অংশীদার, নায়করাজ রাজ্জাকের অনন্ত প্রেম, ইবনে মিজানের জিঘাংসা আমজাদ হোসেনের কসাই প্রভৃতি।

এফডিসির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এফডিসিতে আসলে কোনো ছবি জমা রাখার বিধান নেই। ছবি সংরক্ষণ করা হবে ফিল্ম আর্কাইভে।  কিছু নির্মাতা এফডিসিতে ছবির নেগেটিভ আর পজেটিভ ফেলে চলে যান। বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও ছবিগুলো তাঁরা নিয়ে যান না। ফিল্ম আর্কাইভেও জমা দেন না। বিধান রয়েছে ছবি নির্মাণের পর এর একটি কপি আর্কাইভে সংরক্ষণের জন্য জমা দিতে হবে। অনেকেই তা না মানায় ছবিগুলো চিরতরে হারিয়ে যায়। একটি ছবি যে তাপমাত্রায় বা যে পরিবেশে সংরক্ষণ করতে হয় এফডিসিতে সেই ব্যবস্থা নেই। ফলে বেশ কিছুদিন এখানে রাখার পর তা নষ্ট হয়ে গেলে তা ফেলে দিতে হয়। এভাবে এ পর্যন্ত এফডিসিতে প্রায় ৩-৪ হাজার ছবি নষ্ট হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এহতেশাম পরিচালিত চাঁদনী ছবির প্রযোজক ছিলেন বেক্সিমকোর একজন  পরিচালক। তাঁর অজান্তা কথাচিত্র ছবিটি আর্কাইভে জমা দেয়নি। নায়করাজ রাজ্জাক তাঁর নির্মিত ছবিগুলো শেখ ফরিদ নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেওয়ায় রাজ্জাকের রাজলক্ষী প্রোডাকশনের কোনো ছবির ৩৫ মিমি রিল আর্কাইভে জমা পড়েনি। শাবানার এস এস প্রোডাকশনের কোনো ছবিও জমা পড়েনি আর্কাইভে। সাইফুল আজম কাশেমও তাঁর মেট্রো ফিল্মসের সোহাগ, বৌরানী, ঘর সংসারসহ কোনো ছবি জমা দেননি। ইলিয়াস কাঞ্চন প্রযোজিত কোনো ছবি নেই আর্কাইভে। নায়ক আলমগীর জমা দেননি তাঁর বৌমা, মায়ের দোয়াসহ নিজের নির্মিত কোনো ছবি। আনন্দমেলা সিনেমা লিমিটেড জমা দেয়নি কেয়ামত থেকে কেয়ামত, স্বজন, আমার ঘর আমার বেহেশত, অগ্নিসাক্ষীর মতো জনপ্রিয় ছবিগুলো। মুস্তাফিজের কালজয়ী ছবি তালাশ-এরও কোনো প্রিন্ট নেই আর্কাইভে। এস এম শফী তাঁর বিখ্যাত দ্য রেইন ছবিটি বিক্রি করে দিয়েছিলেন পাঁচবিবি সিনেমা হলের মালিক ইদরিসের কাছে। তিনি ছবিটি আর্কাইভে জমা দেননি। এফডিসিতে এর একটি নেগেটিভ থাকলেও সংরক্ষণের অভাবে তা একসময় নষ্ট হয়ে যায়। আমজাদ হোসেনের কসাই ছবির একটি প্রিন্ট এফডিসিতে থাকলেও পরে তা আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। দিলীপ বিশ্বাসের গীতি চিত্রকথার অপেক্ষা আর গাজী মাজহারুল আনোয়ারের সন্ধি ছাড়া তাঁদের আর কোনো ছবি নেই আর্কাইভে। জেড এ ফিল্মস, পারভেজ ফিল্মস, ছায়াবাণী, নারায়ণ ঘোষ মিতার রূপবাণী, জসীমের জেম্বস প্রোডাকশনেরও কোনো ছবি নেই ফিল্ম আর্কাইভে।

গুলিস্তান বিল্ডিংয়ে একসময় বেশির ভাগ ছবি প্রযোজনা সংস্থার অফিস ছিল। নব্বইয়ের দশকে সেখানে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে অসংখ্য কালজয়ী ছবি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অথচ ফিল্ম আর্কাইভে জমা থাকলে এভাবে ধ্বংস হয়ে যেত না ছবিগুলো।

চলচ্চিত্র সম্পদ রক্ষায় ১৯৭৮ সালে ফিল্ম আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ছবি নির্মাণের পর নির্মাতার দায়িত্ব হচ্ছে ছবির একটি কপি আর্কাইভে জমা দেওয়া। যাতে ছবিটি সংরক্ষিত থাকে। কিন্তু অনেক নির্মাতাই বিনা কারণে এ নিয়ম মানেন না। ফলে হারিয়ে গেছে এবং যাচ্ছে অনেক ছবি। এ কথা ফিল্ম আর্কাইভ কর্তৃপক্ষের। অনেক নির্মাতার মধ্যে আর্কাইভে ছবি জমা দেওয়ার উদাসীনতা দেখা দিলে এবং এতে প্রচুর ছবি হারিয়ে যাওয়ায় এ ক্ষেত্রে আইন করতে সরকার বাধ্য হয়। ২০০৫ সালের কপিরাইট অ্যাক্টে বলা আছে, ছবি নির্মাণের পর সংরক্ষণের জন্য অবশ্যই সেই ছবির একটি কপি নির্মাতাকে ফিল্ম আর্কাইভে জমা দিতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট নির্মাতার দুই বছরের জেল এবং একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাক অর্থদণ্ড করা হবে। ফিল্ম সেন্সর বোর্ডকে বলা হয়েছে, ছবি সেন্সরের পর নির্মাতাকে আর্কাইভে ছবির কপি জমা দেওয়ার জন্য বলা হবে এবং ওই নির্মাতা আগে কোনো ছবি নির্মাণ করে থাকলে তা আর্কাইভে জমা দেওয়া হয়েছে মর্মে কাগজপত্র দেখাতে হবে। আর্কাইভ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হচ্ছে ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের শৈথিল্যের কারণে নির্মাতারা আর্কাইভে ছবি জমা দেন না। ফিল্ম আর্কাইভ সূত্রে জানা গেছে, কিছু নির্মাতা তাদের ছবি জমা দেন না তাঁদের কাছে একাধিকবার চিঠি দিয়ে ও সরাসরি লোক পাঠিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায় না। ২০০৫ সালের আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নিতে যারা এ পর্যন্ত ছবি জমা দেননি তাঁদের তালিকা করা হচ্ছে। এসব নির্মাতার কাছে শিগগিরই চিঠি পাঠানো হবে। অন্যদিকে সেন্সর বোর্ডকেও এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এদিকে ২০১৩ সালে ডিজিটাল ফরম্যাটে ছবি নির্মাণ শুরু হলে আর্কাইভে ছবি জমা না দেওয়ার প্রবণতা আরও বেড়েছে। চলচ্চিত্র প্রযোজকরা বলেন, আর্কাইভ যে ফরম্যাটে ছবি জমা দিতে বলে তা নিরাপদ নয়। এ পদ্ধতিতে ছবি জমা দিলে তা কপি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে জাজের ছবি আর্কাইভে জমা দেওয়া হতো না।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা
উতলা রাশমিকা
উতলা রাশমিকা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
আমার দেশ, মাটি, চারপাশের জীবন অভিনয় এটাই আমি
আমার দেশ, মাটি, চারপাশের জীবন অভিনয় এটাই আমি
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
দামি কাপড়ের প্রতি আগ্রহ নেই রুনা লায়লার
দামি কাপড়ের প্রতি আগ্রহ নেই রুনা লায়লার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সোনাক্ষী জাহিরের ঈদ
সোনাক্ষী জাহিরের ঈদ
শাহরুখের ঈদ বার্তা
শাহরুখের ঈদ বার্তা
সিকান্দারে ম্লান সালমান
সিকান্দারে ম্লান সালমান
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
ফারিয়ার ভয়
ফারিয়ার ভয়
সর্বশেষ খবর
খেলাফত আন্দোলনের আমিরে শরীয়ত আতাউল্লাহ হাফেজ্জী আর নেই
খেলাফত আন্দোলনের আমিরে শরীয়ত আতাউল্লাহ হাফেজ্জী আর নেই

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস: যা মনে রাখা জরুরি
সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস: যা মনে রাখা জরুরি

৩১ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

আইপিএল: দুই হাতে বোলিং করে ইতিহাস গড়লেন কামিন্দু
আইপিএল: দুই হাতে বোলিং করে ইতিহাস গড়লেন কামিন্দু

৩৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউনকে অপসারণ করলো আদালত
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউনকে অপসারণ করলো আদালত

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় হাতবোমা-ইয়াবাসহ ৫ সন্ত্রাসী আটক
ভোলায় হাতবোমা-ইয়াবাসহ ৫ সন্ত্রাসী আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে কৃষকের হাত কেটে নিল সন্ত্রাসীরা
মাদারীপুরে কৃষকের হাত কেটে নিল সন্ত্রাসীরা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চুরিতে বাধা দেওয়ায় তরমুজ চাষিকে পিটিয়ে হত্যা
চুরিতে বাধা দেওয়ায় তরমুজ চাষিকে পিটিয়ে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিজার পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব?
সিজার পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব?

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

স্ক্রিনশট আসল নাকি নকল, বোঝার উপায় কী?
স্ক্রিনশট আসল নাকি নকল, বোঝার উপায় কী?

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মাদারীপুরে আগুনে পুড়লো ১৯ দোকান
মাদারীপুরে আগুনে পুড়লো ১৯ দোকান

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’
‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীতে অটোরিকশার ধাক্কায় নারীর মৃত্যু
রাজধানীতে অটোরিকশার ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ১৫
গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নগরকান্দায় ফসলি জমিতে পড়েছিল তরুণের মরদেহ
নগরকান্দায় ফসলি জমিতে পড়েছিল তরুণের মরদেহ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সবার কল্যাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
সবার কল্যাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সার্ভার জটিলতা, কমলাপুরে কয়েকটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়
সার্ভার জটিলতা, কমলাপুরে কয়েকটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হায়দরাবাদকে হারিয়ে যা বললেন রাহানে
হায়দরাবাদকে হারিয়ে যা বললেন রাহানে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির
গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

২২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড
এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের
তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক-আঘাতে ধরাশায়ী এশিয়ার শেয়ারবাজার
ট্রাম্পের শুল্ক-আঘাতে ধরাশায়ী এশিয়ার শেয়ারবাজার

২৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা