শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৪ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:০৬, মঙ্গলবার, ০৪ মার্চ, ২০২৫

জাতীয় নির্বাচন কেন সবার আগে দরকার

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
জাতীয় নির্বাচন কেন সবার আগে দরকার

আগামী নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে একধরনের মতবিরোধ এবং মতভিন্নতা ক্রমশ প্রকাশ্য হচ্ছে। কোন নির্বাচন আগে হবে- এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে মতপার্থক্য লক্ষ করা যাচ্ছে। বিএনপিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ন্যূনতম সংস্কার শেষে সবার আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি করেছে। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ চলতি মাসের মধ্যে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছেন। সেটা না হলে রাজনৈতিক দলগুলো এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি সতর্ক করেন। অন্যদিকে জামায়াতসহ কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের দাবি করেছে। তারা নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা যাচাই করার জন্য এই প্রস্তাব দিয়েছে বলে দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন। অন্যদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র কায়েমের ঘোষণা দিয়েছে। দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন সংবিধান সংস্কারে সবার আগে গণপরিষদ নির্বাচন দাবি করেছেন। আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রদত্ত বক্তৃতায় তিনি এই দাবি করেন। নির্বাচন নিয়ে এই নানামুখী অবস্থান রাজনীতিতে নতুন সংকট সৃষ্টি করছে। এর ফলে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে যে ঐক্যবদ্ধ শক্তি লড়াই করেছিল তাদের মধ্যে বিভক্তি এবং ফাটল আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের উত্তরণ এক নতুন সংকটে উপনীত হয়েছে।

বিএনপি স্পষ্টভাবে বলেছে, তারা প্রথমে জাতীয় নির্বাচন চায় এবং আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন হবে বলে তারা প্রত্যাশা করে। সম্প্রতি দীর্ঘ সাত বছর পর বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই বর্ধিত সভায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুজনই সংযুক্ত হন। তাঁরা দুজনই যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য আহ্বান জানান। এই বর্ধিত সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চিন্তা থেকে সরে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সবার আগে যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি করেছেন। এটা স্পষ্ট যে বিএনপির মতামতের বাইরে গিয়ে যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আয়োজন করা হয়, তাহলে সেটি রাজনীতিতে একটি উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে। বিএনপি শক্তিশালী একটি রাজনৈতিক দল, দলটির জনপ্রিয়তাও প্রশ্নাতীত। এই সংকটকালে তাদের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়াটা দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে না।

অন্যদিকে জামায়াতসহ বেশ কিছু রাজনৈতিক দল সবার আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি করেছে। রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের প্রথম বৈঠকে তারা এরকম দাবি করে। তবে নির্বাচন বিতর্ক তীব্র হয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশের মাধ্যমে। জাতীয় নাগরিক পার্টি দ্বিতীয় রিপাবলিকের দাবি করেছে। অবশ্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গত দুই মাস থেকেই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র প্রদানের দাবি জানিয়ে আসছে। এই দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তারা সমাবেশের ডাক দেয়। পরে সরকারের আশ্বাসে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র দেওয়া হয়নি। এখন তাদের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ পাওয়া ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র পক্ষ থেকে তারা দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রের দাবি উত্থাপন করেছে। বর্তমান সংবিধান বাতিল করে প্রথমে একটি গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি করেছে এসসিপি।। তাদের এই দাবি রাজনৈতিক অঙ্গনে ধূম্রজাল সৃষ্টি করেছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে এ ধরনের মতপার্থক্য ও বিতর্ক অনভিপ্রেত নয়। বরং এ ধরনের মতপার্থক্যই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। ভিন্ন ভিন্ন মত থাকবে, বিভিন্ন মতের পক্ষে নানা রকম যুক্তি থাকবে। এর মধ্যে যে যুক্তিটি গ্রহণযোগ্য হবে, দেশের জন্য মঙ্গল হবে সেই যুক্তিতে সবাই একমত হয়ে কাজ করবে, এটাই গণতন্ত্রের শক্তি এবং গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।

এখন আমরা দেখতে পারি যে সবার আগে যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয় তাহলে বাংলাদেশে যে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা তার লাভ হবে, না ক্ষতি হবে? আমরা যদি একটু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখব যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সবার আগে হলে কতগুলো বড় ধরনের বিপদ আমাদের সামনে আসতে পারে।

সবার আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সবচেয়ে যে বিপদের আশঙ্কা রয়েছে, তা হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটবে। এমনিতেই স্বৈরাচারের পতনের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নয়। দেশে খুন, রাহাজানি, ছিনতাই, হত্যা, ধর্ষণ প্রতিনিয়ত ঘটছে। এরকম একটি বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আমরা যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আগে করি তাহলে পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলে ইউনিয়ন থেকে শুরু করে জেলা পর্যন্ত সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে পেশিশক্তির দাপট। বাংলাদেশের অতীত ইতিহাস বলে এ দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সব সময় সহিংসতায় ভরপুর হয়। এ নির্বাচনে প্রচুর প্রাণহানি ঘটে। এই ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখন পর্যন্ত কার্যকর এবং সক্রিয় নয়, সেখানে প্রথমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সারা দেশে একটি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। ফলে জাতীয় নির্বাচন ব্যাহত হতে পারে। এমনকি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতন্ত্রের পথযাত্রাও হোঁচট খেতে পারে। দ্বিতীয়ত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বাইরে প্রচুর একক প্রার্থীর স্বতন্ত্রভাবে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়। এই নির্বাচন যতটুকু না দলীয় তার চেয়ে বেশি হলো স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রিয়তা যাচাই। এই নির্বাচন সারা দেশে নিয়ন্ত্রণহীন অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারে।

দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল। কাজেই প্রথমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের দোসররা, যারা এখনো ঘাপটি মেরে আছে বিভিন্ন স্থানে, তারা সুযোগ গ্রহণ করবে। এই সুযোগ নিয়ে তারা সারা দেশে আবার নতুন করে সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পাবে। এর ফলে তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া দ্রুত হবে বলে অনেকে মনে করেন। যেহেতু এখন পর্যন্ত স্বৈরাচারের সব শিকড় সরকার উৎপাটন করতে পারেনি, বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে তো নয়, কাজেই এই নির্বাচন হলে পতিত স্বৈরাচার আবার পুনর্বাসিত হবে। স্থানীয় পর্যায়ে তাদের শক্ত ভিত তৈরি হবে।

তৃতীয়ত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে হলে জুলাই বিপ্লবে যে ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক শক্তি, সেই ঐক্যে ফাটল ধরবে। বিভক্তি এবং হানাহানি হবে। রাজনীতিতে আবার সেই পেশিশক্তির অনুপ্রবেশ ঘটবে এবং একে অন্যকে নিঃশেষ করে দেওয়ার প্রবণতা মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার জন্য একটি কথা সবাইকে মনে রাখা দরকার তা হলো কোনো অবস্থাতেই জুলাই বিপ্লবের আন্দোলনকারী শক্তিতে ঐক্যে ফাটল ধরানো যাবে না। এ কথাটি প্রত্যেকেই বলছেন। বিশেষ করে বিএনপি, জামায়াত এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি প্রত্যেকেই একই আকাক্সক্ষা ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু যে মুহূর্তে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সে মুহূর্তে এই ঐক্যে ফাটল ধরবেই। একে অন্যের সঙ্গে হানাহানি এবং কাদাছোড়াছুড়িতে লিপ্ত হবেই। এই সহিংসতা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে। এর ফলে তৃতীয় শক্তির হস্তক্ষেপের সুযোগ পাবে।

চতুর্থত আমাদের একটি নতুন নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে। এই নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত পরীক্ষিত নয়। এখন পর্যন্ত মাঠ প্রশাসন পুরোপুরি সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি। প্রশাসনে শুদ্ধি অভিযান সম্পন্ন হয়নি। এরকম পরিস্থিতিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মতো একটা ব্যাপক আয়োজন যদি অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশন প্রথম ধাক্কাতেই এক ব্যর্থতার দায়িত্ব ঘাড়ে নেবে। এর ফলে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং কর্মক্ষমতা প্রশ্নের মুখে পড়বে। এ রকম পরিস্থিতি কাম্য নয়। কারণ নির্বাচন কমিশন যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সক্ষমতার পরিচয় না দেয়, তাহলে পরবর্তী নির্বাচনে তাদের নিরপেক্ষতা এবং দক্ষতা, যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। এটি বাংলাদেশের মূল নির্বাচন অর্থাৎ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পথকে বাধাগ্রস্ত করবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলে যে হানাহানি, কাদাছোড়াছুড়ি, অবৈধ অস্ত্রের প্রয়োগ এবং অন্যান্য বিশৃঙ্খল ঘটনা ঘটবে, সেখান থেকে দেশকে একটি স্বল্পতম সময়ের মধ্যে স্বস্তির পথে নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা অসম্ভব এবং অবাস্তব ব্যাপার।

অনেকেই মনে করেন যে সবার আগে স্থানীয় সরকার হওয়া উচিত নির্বাচন কমিশনের একটি ‘টেস্ট কেস’ হিসেবে। কিন্তু মনে রাখতে হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনেক বেশি আক্রমণাত্মক, সহিংস এবং এই নির্বাচন সবচেয়ে দক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনেও সহিংসতাপূর্ণ হতে বাধ্য। তা ছাড়া কেউ কেউ যুক্তি দেখাচ্ছেন যে জনপ্রতিনিধি ছাড়া স্থানীয় সরকারগুলো অচল হয়ে যাচ্ছে। এ কথা সত্য যে সর্বত্র জনপ্রতিনিধি দরকার কিন্তু সবার আগে জনপ্রতিনিধি দরকার হলো রাষ্ট্র পরিচালনায়। জনগণ প্রজাতন্ত্রের মালিক। আর সে কারণেই  জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের রাষ্ট্রক্ষমতায় বসিয়েই কেবল একটি গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার গন্তব্যে পৌঁছা সম্ভব। অন্য কোনোভাবে নয়।

এবার আমরা একটু খতিয়ে দেখতে চাই সবার আগে গণপরিষদ নির্বাচন এবং দ্বিতীয় রিপাবলিকের সম্ভাব্যতা। আমাদের মনে রাখতে হবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সরকার কোনো বিপ্লবী সরকার নয়। সংবিধানের আলোকে এবং সর্বোচ্চ আদালতের মতামত ও সম্মতির ভিত্তিতে গত বছরের ৮ আগস্ট এ সরকার গঠিত হয়। বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্য উপদেষ্টাদের শপথ পাঠ করান। কাজেই বর্তমান সংবিধানের আওতায় গঠিত এই সরকারের আর বিপ্লবী সরকারে রূপান্তরের কোনো সুযোগ নেই। তাই এখন দ্বিতীয় রিপাবলিক কায়েম করাও সম্ভব না। বর্তমান সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করাও সম্ভব না। তাহলে এ সরকার অথর্ব হয়ে যাবে। পতিত স্বৈরাচার জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে নিজেদের বৈধতা দাবি করার সুযোগ পাবে। তীব্র সাংবিধানিক সংকটের মুখে পড়বে দেশ। ৩১ ডিসেম্বর এ কারণেই জুলাই বিপ্লবের ঘোষণা থেকেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে পিছিয়ে আসতে হয়েছে। এ কারণেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি নিয়েও তারা এগোতে পারেনি। সংবিধান সংশোধনের বা পরিবর্তনের একমাত্র জায়গা হলো জাতীয় সংসদ। জুলাই বিপ্লবের সাংবিধানিক স্বীকৃতির জন্য প্রয়োজন সবার আগে জাতীয় নির্বাচন।

৫ আগস্টের পর যদি সংবিধান না মেনে একটি বিপ্লবী সরকার গঠিত হতো, যদি বর্তমান সংবিধান না মেনে জনগণের শক্তিতে দেশ পরিচালিত হতো সে ক্ষেত্রে হয়তো দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র এবং নতুন সংবিধানের দাবি প্রাসঙ্গিক হতো। কিন্তু সেই সময় পেরিয়ে গেছে। এখন যা কিছু করার তা সংবিধান মেনেই করতে হবে। সংবিধানের আওতায় করতে হবে। এ জন্য জাতীয় নির্বাচন করতে হবে সবার আগে। সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য চাই জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ। কাজেই আমি মনে করি সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো একত্রে বসে কোন নির্বাচন আগে হবে এবং কেন আগে হওয়া দরকার- এই নিয়ে মুক্ত আলোচনা করবে, উন্মুক্ত বিতর্ক করবে এবং একটি যুক্তিনির্ভর সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। কারণ আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা ভালো নয়। আর সবাইকে মনে রাখতে হবে বাংলাদেশ সবার আগে।

 

লেখক :  নাট্যকার ও কলাম লেখক

ইমেইল: [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা