শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

গোলাপি বাস, সবুজ সিএনজি ও নীল জ্যাকেট প্রসঙ্গ

মেজর নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ (অব.) পিএইচডি
প্রিন্ট ভার্সন
গোলাপি বাস, সবুজ সিএনজি ও নীল জ্যাকেট প্রসঙ্গ

বিগত দিনগুলোতে সংবাদপত্রের শিরোনাম আর টেলিভিশন ও মোবাইল ফোনে পাওয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পর্দা রঙিন করে তুলেছিল গোলাপি বাস, সবুজ সিএনজি ও নীল রঙের ফায়ার প্রুফ জ্যাকেট পরা এক পুলিশ সদস্যের ভিডিও চিত্র। বাংলাদেশের উন্নতি বা প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে এগিয়ে চলার ঠিক বিপরীত ও মলিন চিত্র দেখা যায়, রাজধানীর পরিবহন ক্ষেত্রে। সম্ভবত ঢাকাই বিশ্বের বুকে একটি বিরল রাজধানী, যেখানে ট্রাফিক সিগন্যালবাতির বদলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশের লাঠি বা হাতের ইশারায় রাস্তায় গাড়ির বহর থামে বা চলে। আর ২০-৩০ বছর পুরোনো যাত্রীবাহী বাস কিংবা আরও পুরোনো আমলের ইট, বালু ও ময়লা পরিবহনের ট্রাকসমৃদ্ধ একমাত্র রাজধানীও সম্ভবত ঢাকা। উঠে যাওয়া রং, ক্ষতিগ্রস্ত গোলাপি বাস, সবুজ সিএনজি ও নীল জ্যাকেট প্রসঙ্গদরজাজানালা, লাইট এবং ভিতরে নোংরা ও ঘন করে বসানো আসন জাতি হিসেবে আমাদের দৈন্যের বহিঃপ্রকাশ। বিশ্বের বড় অর্থনীতির দেশ হওয়ার স্বপ্ন কিংবা উন্নত বিশ্বের কাতারে যোগদানের হাতছানিকে অলীক স্বপ্ন প্রমাণ করে আমাদের এক একটি রংচটা বাস।

ঢাকায় ঠিক কয়টি রুটে কতসংখ্যক বাস কী নামে চলে আর এসব বাসের মালিকানা কার নামে- এমন তথ্য খুঁজে পাওয়া কঠিন। আরও কঠিন এই বাস যাঁরা চালান, তাঁদের লাইসেন্স আছে কি না, কিংবা বাসগুলোর ফিটনেস ও রোড ট্যাক্স দেওয়া আছে কি না, এ-সংক্রান্ত তথ্য উদ্ধার করা। একই রুটে কোনো কোনো বাস কোনো ডিপো বা টার্মিনালের তোয়াক্কা না করে মাঝপথ থেকে চলাচল শুরু করে। বাসের গায়ে কোনো কোম্পানির নাম লেখা থাকা বা না থাকার মধ্যেও কোনো পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায় না। কারণ বাসগুলো একটি রিকশা বা সিএনজির মতো দৈনিক জমার ভিত্তিতে চলে। ফলে বাসমালিকের নির্দিষ্ট জমার টাকা সংগ্রহ ও নিজেদের আয়-উপার্জনের জন্য বাসচালক ও তাঁদের সহকারীরা ইচ্ছেমতো রাজধানীতে বাস চালান। কোনো সময় না মানা, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, বাস বাঁকা করে মাঝ রাস্তা ব্লক করে একই কোম্পানির বা একই রুটের অন্যান্য বাসকে সামনে গিয়ে কোনো যাত্রী উঠতে বাধা দেওয়া রাজধানীর নিত্যদিনের চিত্র। এতে তীব্র যানজট, কর্মঘণ্টা নষ্ট, শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাঘাত, ব্যবসায়িক ক্ষয়ক্ষতি, অযথা জ্বালানি ব্যয়, এমনকি পারিবারিক ও সামাজিক ভুলবোঝাবুঝির মতো নানাবিধ সমস্যায় নাকাল রাজধানীর সাধারণ মানুষ। যানজটে আটকা পড়া অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন শুনেও রাস্তায় বাঁকা করে রাখা বাসগুলো নড়ে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যু কিংবা সন্তান প্রসবের ঘটনাও ঘটে যানজটে আটকা পড়া অ্যাম্বুলেন্সের ভিতর। এমন ঘটনায় মনে হয় ঢাকা মানুষ নয়, রোবটের রাজধানী, যাদের চিন্তাচেতনা, আবেগ-অনুভূতি সবই যেন যান্ত্রিক।

ঢাকাবাসীর কাছে আশীর্বাদ হয়ে এসেছিলেন মেয়র আনিসুল হক। নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে তিনি পরিবহন জগতের মাফিয়াদের মুখোমুখি হন। অবৈধ ট্রাকস্ট্যান্ড ও ফুটপাতের অবৈধ দখল থেকে রাজধানীবাসীকে মুক্তি দিতে অনেকটাই সফল হয়েছিলেন। তবে তাঁর অনুপস্থিতিতে আবারও অবৈধ দখল কায়েম হয় এই রাজধানীতে, কিন্তু কোনো প্রতিকার করার সাহস কেউ দেখায়নি। দুর্নীতিই এই সাহস হারানোর নেপথ্যের কারণ বলে অনেকের ধারণা।

মেয়র আনিসুল হক যুক্ত হয়েছিলেন, ‘ঢাকা ট্রান্সপোর্ট কর্ডিনেশন অথরিটি’ (ডিটিসিএ) নামক একটি সরকার গঠিত কমিটির সঙ্গে। তাঁর নেতৃত্বে এই কমিটি নির্দিষ্ট কিছু রুটে একই কোম্পানির অধীনে বাসগুলোকে পরিচালনার পথে অনেক দূর এগিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে করা মালিক ও শ্রমিকদের ওয়াদা ঠিক থাকলে বাসগুলো সময় ধরে ডিপো থেকে ছেড়ে যেত, যাত্রীরা নির্দিষ্ট স্থানে টিকিট কেটে লাইন ধরে বাসে ওঠানামা করতেন এবং টিকিট বিক্রির সব টাকা কোম্পানির ফান্ডে জমা হয়ে মালিক, চালক ও সহকারীদের অ্যাকাউন্টে চলে যেত। কোম্পানির মাধ্যমে গাড়িগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার এবং সব ধরনের যান্ত্রিক পরিদর্শন শেষে লাইসেন্সধারী প্রকৃত চালকদের দিয়ে চালানোর কথা ছিল। এতে বাসগুলোকে আর যাত্রী ধরার অসুস্থ প্রতিযোগিতায় নামতে হতো না। ফলে শৃঙ্খলা ফিরে আসত রাজধানীর পরিবহনজগতে। রুটভিত্তিক এমন বাস চলাচল বিশ্বের বহু দেশের পরিবহনব্যবস্থায় একটি সফল উদাহরণ। ডিপিসিএর সদস্যরা বহু দেশের উদাহরণ প্রত্যক্ষ ও পর্যালোচনা করে চার বছর সময় নিয়ে রুটভিত্তিক বাস চলাচলই ঢাকার পরিবহন ক্ষেত্রে মোক্ষম সমাধান বলে মত দেন। বহু সভা ও সেমিনারে এ নিয়ে মোটামুটি সবাই একমত হন। কিন্তু মেয়র আনিসের অকালমৃত্যুর পর মুখথুবড়ে পড়ে নির্দিষ্ট কোম্পানির অধীনে রুটভিত্তিক বাস চলার যাবতীয় উদ্যোগ।

কারণ অনুসন্ধানে দেখা যায়, দুর্নীতিই রুটভিত্তিক এই বাস চলাচল ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা। নিজ নামে বা আত্মীয়ের নামে থাকা এবং ঢাকায় চলাচলকারী বাসমালিকদের একটা বড় অংশ বিভিন্ন সরকারি বাহিনী ও সংস্থার সদস্য। তাঁরা কীভাবে বাস কিনলেন বা বাস কেনার মতো টাকা তিনি বা তাঁর নিকটাত্মীয় কীভাবে পেলেন, এমন প্রশ্নের উত্তর নেই। আয়কর সনদ নেই বাসমালিকদের আরেক অংশের, যা রুটভিত্তিতে চলা বাসের জন্য অপরিহার্য। আয়কর নথিতে উল্লেখ করার মতো আয়ের উৎস নেই অনেক বাসমালিকের। তাই মুখে যা-ই বলুক, বাস্তবে তারা রুটভিত্তিক বাস চলাচলের বিপক্ষে। তদুপরি যোগ হয়েছিল পরিবহনজগতের তথাকথিত মালিক ও শ্রমিকসংগঠনের নেতারূপী রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ এবং প্রশাসনের কিছু বিপথগামী কর্মকর্তা-কর্মচারীর নির্বিচারে চাঁদা আদায়ের মতো এক অভিশাপ।

আবার পুরোনো বাসের মালিকরা ভালো করেই জানেন, রুটভিত্তিক বাস চলাচল শুরু হলে তাঁদের ফিটনেস ও যথাযথ ডকুমেন্টবিহীন প্রায় অচল বাস কোনো কোম্পানি গ্রহণ করবে না। ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন কোনো চালক রুটভিত্তিক কোম্পানির বাস চালানোর সুযোগ পাবেন না। সুতরাং তাঁরাও এই ব্যবস্থা চান না। এমন প্রতিকূলতার মাঝেও একধরনের চাপে পড়েই সব পক্ষ মিলে সিদ্ধান্ত নেয়, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখের মধ্যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রুটভিত্তিক বাসসেবা চালু হবে এবং মে মাসের মধ্যে অতি পুরোনো বাস ঢাকা থেকে সরিয়ে ফেলা হবে। এরই মধ্যে দেশের ক্ষমতার পট পরিবর্তন হলো। অন্তর্র্বর্তী সরকারকে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করাল প্যাডেলচালিত রিকশাশ্রমিক, ব্যাটারিচালিত অটোমালিক ও শ্রমিক এবং সিএনজিচালিত রিকশাচালকরা। এঁদের পরিচয় খুঁজতে গেলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ঘুরেফিরে তাঁরা একই মানুষ, যাঁরা বিগত সরকারের সুবিধাভোগী ও দুর্নীতির অর্থে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের মালিক হয়েছেন এবং চাঁদা আদায়ের মধ্য দিয়ে নিজেদের ভাগ্য গড়েছেন।

এরই মাঝে হঠাৎ ঢাকায় একটি রুটে গোলাপি রঙের বাস রুটভিত্তিক কোম্পানির আদলে দ্রুতগতিতে রাস্তায় নামানো হলো। পরে জানা গেল, অতি পুরোনো ও প্রায় অচল বাসের মালিকরা এই উদ্যোগের মূল হোতা, যাঁরা সরকারের গঠিত ডিটিসিএর ব্যবস্থাপনায় রুটভিত্তিক বাস চলাচলের সঙ্গে সংযুক্ত হতে আগ্রহী নন। উল্লেখ্য একই রুটে রুটভিত্তিক বাস এবং যত্রতত্র থামা অন্য কোম্পানির বাস পাশাপাশি চালিয়ে অতীতে প্রতিটি পাইলট প্রজেক্ট বা পরীক্ষামূলক চলাচল ব্যর্থ হয়েছে। অথচ সেই একই আদলে গোলাপি বাস নামানো হলো বিশেষ বিশেষ রুটে, যেখানে অন্যান্য বাস সেই আগের পদ্ধতিতেই চলছে। ফলে গোলাপি বাসগুলোও ঘুরেফিরে আগের মতোই রাস্তাঘাটে যাত্রী ওঠানামা করানো ও তাদের কাছ থেকে টিকিটের টাকা সংগ্রহ অব্যাহত রাখল। রুটভিত্তিক বাস চলাচল কোনো বাস্তব সমাধান নয়- এমনটা প্রমাণ করাই যেন তাদের লক্ষ্য।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি বিভিন্ন গোলাপি বাস ও বাস কাউন্টার পরিদর্শন শেষে দাবি করেছে, বাইরের ‘লিপস্টিক’ অর্থাৎ গোলাপি রং ছাড়া আর কিছুই বদলায়নি এসব বাসে। আগের মতোই ভাঙাচোরা, নোংরা ও ঘন করে অবৈধভাবে বসানো সিট, বাসের সামনে ও পেছনে ইন্ডিকেটর লাইট, পার্কিং লাইট, ব্রেক লাইট, আয়না প্রভৃতির অভাব আর লাইসেন্সবিহীন চালক দেখা গেছে এসব বাসে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে রুটভিত্তিক বাস চলাচলের উদ্যোগ বন্ধ করতে এমন গোলাপি স্ট্রেস বলে ধারণা করছেন সচেতন মহল।

রাজধানীকে বাঁচাতে পরিবহন সেক্টরের উন্নতির কোনো বিকল্প নেই। অথচ যত্রতত্র আগুন লাগানোর মতো দাবিদাওয়া আদায়ের নামে সমস্যা তৈরি করে সরকারকে যেন অগ্নিনির্বাপণে ব্যস্ত রেখেছে আগে সুবিধাভোগী ও চক্রান্তকারীরা যৌথ কাজ করছে- এর মতো যৌথ ট্রান্সপোর্ট ফোর্স তৈরি করে পরিবহন সমস্যা থেকে উত্তরণ এখন সময়ের দাবি।

২০১৮ সালে ঢাকায় চলাচলকারী সিএনজি মিটারে না চললে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান করা হয়। ২০২৫ সালে এসে ঠিক এই সময়ে একই বিধান প্রজ্ঞাপন আকারে কেন বের করা হলো- তার উত্তর মেলেনি। অথচ মিলেছে আরেক দফা ভোগান্তি। সিএনজি শ্রমিক ও মালিকরা এ নিয়ে রাজধানীর রাস্তা অবরোধ করে দিলে অচল হয়ে পড়ে ঢাকা। সিএনজি গ্যাসের দাম বেড়েছে, জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। অথচ বহু আগে নির্ধারণ করা কিলোমিটার প্রতি বিল বাড়েনি বা যাত্রী ভাড়া সমন্বয় করা হয়নি। এমতাবস্থায় মিটারে না চললে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার প্রজ্ঞাপন জারি হলে হিতে বিপরীত হবে কিংবা এ নিয়ে বাদানুবাদ, বিতর্ক, এমনকি প্রতিবাদও অবধারিত ছিল। তবে এমনটা অনুমান করার ক্ষমতা এক শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর হয় লোপ পেয়েছিল, অথবা তারা ইচ্ছা করেই সরকারকে বিপাকে ফেলতে এবং জনজীবনে অস্বস্তি তৈরি করতে এমন পরিস্থিতির দিকে সব পক্ষকে ঠেলে দিয়েছিল, যা কখনো কারও কাম্য ছিল না। তাদের জারি করা প্রজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে সরকারের বিরুদ্ধে সিএনজিমালিক ও চালকদের একধরনের ক্যু আকারে অবরোধ হলো এবং প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার তথা ক্যু সফল হলো। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই বিগত আমলের সরকার সমর্থকরা এমনটা করেছেন কি না, তা তদন্তের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

গোলাপি বাস ও সবুজ রঙের সিএনজি নিয়ে এমন হতাশার মাঝেও আশার আলো জ্বেলেছেন নীল রঙের ফায়ার টু জ্যাকেট পরা এক পুলিশ সদস্য। সচিবালয়ের সামনে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে এই পুলিশ সদস্য তাঁর হাতে থাকা শক্ত লাঠি দিয়ে বারবার রাস্তায় ও রাস্তার পাশে থাকা বিদ্যুতের খুঁটিতে আঘাত করে শব্দ করে ও ভয় দেখান। একই সময়ে ফায়ার প্রুফ নীল জ্যাকেট পরা অন্য পুলিশ সদস্যরাও বাঁশিতে তীব্র আওয়াজ তুলে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে এবং আন্দোলনকারীদের গায়ে আঘাত না করেই তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেন। এমন উদাহরণ জনগণকে আশার আলো দেখায়।

গোলাপি নিয়ে ভাঁওতাবাজি আর সবুজ নিয়ে ষড়যন্ত্রের সাগরে সাগরের নীল জলরাশিতে ধুয়েমুছে যাক আর নীল আকাশে উঠুক শান্তির সাদা পতাকা- এটাই প্রত্যাশা।

♦ লেখক : গবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট 

Email: [email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

২ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ
ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা