শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আইয়ুব খানের মোনায়েম ও কাউয়া কাহিনি

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
আইয়ুব খানের মোনায়েম ও কাউয়া কাহিনি

আমার মতো সত্তরের ওপর যাঁদের বয়স, মোনায়েম খানের নামটি তাঁদের মনে থাকার কথা। ষাটের দশকে তিনি ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের ডাকসাইটে গভর্নর। আইয়ুব খানের একান্ত বশংবদ অনুচর। কথায় কথায় বলতেন ‘আমার প্রেসিডেন্ট’। আইয়ুব খান দিনকে রাত বললে মোনায়েম খানও নাকি রাত ভাবা শুরু করতেন। এমনই মোসাহেব ছিলেন তিনি, নিজ দল মুসলিম লীগের অনেক নেতাও ছিলেন তাঁর ওপর বিরক্ত।

পাকিস্তানের সামরিক শাসনামলে স্বঘোষিত ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের এই বশংবদ অনুচর সম্পর্কে অনেক চুটকি প্রচলিত ছিল। বিশেষত আইয়ুবের স্বৈরাচারী শাসনের প্রতিবাদ করতে গিয়ে যেসব বাঙালি বন্দি ছিলেন, তাঁরা জেলখানায় বসে মোনায়েমের মোসাহেবি নিয়ে খোশগল্পে সময় কাটাতেন। এ প্রসঙ্গে মনে পড়ছে, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম প্রধান আসামি লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছ থেকে শোনা চুটকি। চুটকিটি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর নিয়োগসংক্রান্ত। সেই কিশোর বয়সে শোনা গল্পটি হুবহু মনে আছে কি না, জানি না। তবে ভাষার রদবদল হলেও তার মূলটি ছিল এরকম।

মশরেকি পাকিস্তানের গভর্নর নিয়োগের জন্য জেনারেল আইয়ুব খান ইন্টারভিউ নিচ্ছেন। ইন্টারভিউ দিতে এসেছেন চট্টগ্রামের ডাকসাইটে মুসলিম লীগ নেতা ফজলুল কাদের চৌধুরী, খুলনার খান এ সবুর খান এবং ময়মনসিংহের বটতলার উকিল মোনায়েম খান। প্রথমেই ইন্টারভিউর জন্য ডাকা হলো খান এ সবুর খানকে। আইয়ুব শরাবের পেয়ালা মুখ থেকে নামিয়ে নেশা ঢুলু ঢুলু চোখে বললেন, ‘সবুর তুম পারনে সাকে গা?’ খান এ সবুর খান বাহাদুরের মতো বলে উঠলেন, ‘হুজুর জরুর পারে গা! হ্যাম খুলনাকো জ্যায়সে মডার্ন সিটি বানাইয়া ওই সে মশরেকি পাকিস্তান কো মডার্ন বানায় গা।’ আইয়ুব সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলেন, ‘নেহি তোম সাকে গা নেহি।’ গেটআউট বলে তাঁকে চলে যেতে বললেন। খান এ সবুর হতাশ হয়ে ঢুলতে ঢুলতে বের হলেন ইন্টারভিউ রুম থেকে। এবার ডাকা হলো ফজলুল কাদের চৌধুরীকে। হামবড়া হিসেবে তাঁর ‘দুর্নাম’ ছিল। বলা হতো চট্টগ্রামের বাঘ নামে পরিচিত এ নেতাটি প্রেসিডেন্টকেও খুব একটা তোয়াক্কা করতেন না। আইয়ুবের সন্দেহ ছিল ফজলুল কাদের চৌধুরী হয়তো নিজেকে প্রেসিডেন্টের চেয়েও বড় মনে করেন।

যা হোক ফজলুল কাদের চৌধুরী সামনে আসতেই শরাবে চুর  আইয়ুব তাঁকেও একই প্রশ্ন করলেন। বললেন, ‘ফ.কা.চৌ. তুম পারনে সাকে গা?’ কোনো রকম দ্বিধা না করে ফজলুল কাদের চৌধুরী জবাব দেন, ‘সদর সাব আপ কিয়া বোলতা হ্যায়। হাম আপসে জ্যায়দা সাকেঙ্গে।’ অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট তুমি বলছো কী, আমি তোমার চেয়েও ভালো পারব। আইয়ুব খান ফজলুল কাদের চৌধুরীর এই হামবড়া মনোভাবকে ‘অযোগ্যতা’ বলেই ভাবলেন। বললেন, ‘নেহি তোম সাকেঙ্গে নেহি, হট যাও’ বলে তাঁকেও যেতে বললেন। ইশারা দিলেন এবার মোনায়েম খানকে ডাকতে। চাপরাশি মোনায়েম খানের নাম হাঁকতেই করজোড় করে তিনি প্রবেশ করলেন ইন্টারভিউ কক্ষে। সুবোধ বালকের মতো দৃষ্টি অবনত করে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলেন প্রভুর সামনে। খান এ সবুর খান ও ফজলুল কাদের চৌধুরীর ইন্টারভিউ নিতে গিয়ে ইতোমধ্যে স্বঘোষিত ফিল্ড মার্শাল বেশ কিছুটা বোর ফিল করছেন। তিনি ধমকের সুরে বললেন, ‘মোনায়েম তুম পারনে সাকে গা?’ প্রভুর দিকে মুখ না তুলেই তিনি জবাব দিলেন, ‘সদরজি, আপ কা কিয়া মালুম।’ আইয়ুব ধমক দিয়ে বলে উঠলেন, ‘তোম সাকেঙ্গে নেহি।’ মোনায়েম জবাব দিলেন, ‘আপ ঠিক বোলা, হাম সাকেঙ্গে নেহি।’

আইয়ুব এবার বললেন, ‘আপসে ইয়ে কাম হোনা ভি সাকতা।’ সঙ্গে সঙ্গে মোনায়েমের জবাব, ‘জি হুজুর হোনা ভি সাকতা।’ আইয়ুব তাঁর এই হ্যাঁ-হুজুর মনোভাবে এতটাই খুশি হলেন যে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর নিয়োগ করলেন। প্রভুর প্রতি মোনায়েমের আনুগত্য নিয়ে সে সময় অনেক চুটকি প্রচলিত ছিল। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আরেক অভিযুক্ত সুবেদার আবদুর রাজ্জাকের কাছে শোনা। প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান এসেছেন মশরেকি মলুক সফরে। তেজগাঁও বিমানবন্দরে ভোর থেকেই উপস্থিত গভর্নর মোনায়েম খান। প্রেসিডেন্টের বিমান ল্যান্ড করল বেলা ১১টা নাগাদ। বিমান থেকে নেমেই আইয়ুব খান কোলাকুলি করলেন মোনায়েম খানের সঙ্গে। কোলাকুলির সময় তাঁর মনে হলো, গভর্নরের বুকটা অমন শক্ত লাগছে কেন? সন্দেহ নিরসনে তিনি সামরিক সচিবকে বললেন, গভর্নরের দেহ তল্লাশি করতে। যেমন কথা তেমন কাজ। মোনায়েম খানের দেহ তল্লাশি করতেই বুকের মধ্যে পাওয়া গেল ‘ফ্রেন্ডস নট মাস্টার্স’-এর একটি কপি। আইয়ুব খানের লেখা যে বইটি তাঁর চামচাদের কাছে ছিল পবিত্র গ্রন্থের মতো।

মোনায়েম খান চামচাগিরির জন্য ছিলেন সমালোচিত। আইয়ুব খানকে তুষ্ট করতে তিনি আপন জাতির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে কসুর করেননি। মোনায়েম এতটাই খয়ের খাঁ ছিলেন যে, খোদ মুসলিম লীগেও তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছিল। বিশেষত ফজলুল কাদের চৌধুরী, খান এ সবুর খান, কাজী কাদের প্রমুখ ব্যক্তি ছিলেন মোনায়েমের ঘোর বিরোধী। ষাটের দশকে মোনায়েম খান মোসাহেব বুদ্ধিজীবীদের দিয়ে রবীন্দ্রবিরোধী মাতম তোলেন। বেতারে রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন তিনি। তাঁর এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শিল্পী-সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীরা প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন। এ সময়ে মোনায়েম খান নাকি তাঁর চামচা এক বুদ্ধিজীবীকে তাগিদ দেন রবীন্দ্রসংগীত রচনার জন্য।

বেতার-টেলিভিশনে রবীন্দ্রসংগীত বন্ধের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ঢাকা প্রেস ক্লাব বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করে। সে সময় প্রেস ক্লাবে পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাংবাদিক-বুদ্ধিজীবীদের কিশোর বয়সেএক প্রতিবাদ সভা হয়। এই প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ আল্লামা আবুল হাশিম। সভাপতির ভাষণে আবুল হাশিম একটি মজার কাহিনি বলেন। গভর্নর মোনায়েম খান এবং পাকিস্তানের তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী খাজা শাহাবুদ্দিনকে বিদ্রুপ করাই ছিল ওই কাহিনির উদ্দেশ্য। কাহিনিটি হলো, ‘কলকাতার নিউ থিয়েটার্সে শাহাজান নাটকে আলমগীরের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন প্রখ্যাত নট শিশির ভাদুড়ি। মঞ্চে গিয়ে তিনি বলতেন, ‘মুরাদ- আমার সামনে থেকে দূর হয়ে যাও? তোমার মুখে সুরার গন্ধ।’ দৃশ্য শেষে শিশির ভাদুড়ি গ্রিন রুমে এসে হুকুম দিতেন, ‘বেয়ারা শারাব লও। আসলে এরা সবাই আলমগীররূপী শিশির ভাদুড়ি।’

প্রেসিডেন্ট আইয়ুব ও তাঁর ঠুঁটো জগন্নাথ গভর্নর মোনায়েমের আমলে বাক্স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কণ্ঠ রোধ করা হয়। যে কারণে সাংবাদিকরা আইয়ুব-মোনায়েমের বিরুদ্ধে চুটকি রচনা করে মনের ক্ষোভ মেটানোর চেষ্টা করতেন। স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সাংবাদিকরা অনেক ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকাও পালন করেন। সাংবাদিকদের সরকারবিরোধী আন্দোলনে একবার প্রেস ক্লাব থেকে মিছিল বের করা হলে তাতে নেতৃত্ব দেন অধুনালুপ্ত ‘আজাদ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক অশীতিপর বৃদ্ধ মওলানা আকরম খাঁ। তাঁর পক্ষে হেঁটে চলা সম্ভব ছিল না বলে তিনি মিছিলের অগ্রভাবে রিকশায় বসে নেতৃত্ব দেন।

কথায় বলে যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা। মোনায়েম খান মোসাহেবির জন্য অনেকের কাছে এতটাই অপ্রিয় ছিলেন যে তাঁর সাধারণ জ্ঞান ও বোধশক্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হতো। গভর্নর গেছেন তাঁর নিজ জেলা ময়মনসিংহ সফরে। জেলা প্রশাসকের বাসভবনে দাওয়াত ছিল ‘ছোট লাট’-এর। লাঞ্চ খেতে খেতে হঠাৎ তাঁর দৃষ্টি গেল দেয়ালের দিকে। সেখানে টাঙানো ছিল স্যার জন স্টুয়ার্ট মিলের ছবি। মোনায়েম ডিসিকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হেই ছবিটা কার?’ ডিসি জবাব দিলেন, ‘স্যার জন স্টুয়ার্ট মিলের।’ গভর্নর বুঝতে না পেরে আবারও বললেন, ‘কী কইল্যা কার ছবি?’ ডিসি এবার সংক্ষিপ্তভাবে জবাব দিলেন, ‘স্যার ওটা মিল-এর ছবি।’ মোনায়েম ব্যঙ্গস্বরে পাশে বসা তাঁর সামরিক সচিবকে বললেন, ‘দেখছ মিয়া আমি বলছি হেই মানুষটা কেডা আর কয় কিনা মিলের ছবি।’

মোনায়েম খানের আমলে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় চলেছে রবীন্দ্রবিরোধী প্রচারণা। একজন সাংবাদিক ওই সময় গেলেন জ্ঞানতাপস ভাষাবিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র কাছে। উদ্দেশ্য বাংলা ভাষার এই দিকপালের কাছ থেকে রবীন্দ্রবিরোধী সার্টিফিকেট আদায় করা। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সাংবাদিকদের আবদারের কথা শুনলেন। কোনো কথা না বলেই তিনি তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া সেদিনের বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছিলেন। ঘটনাক্রমে সেদিন প্রতিটি দৈনিকে ছাপা হয়েছিল বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় বিজয়ী সে বছরের শ্রেষ্ঠ সুন্দরীর ছবি।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ উপস্থিত সাংবাদিকদের বললেন, ‘বাছারা এটা কি বিশ্বসুন্দরীর ছবি?’ সবাই জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ।’ তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘এই সুন্দরী মেয়েটির দেহে নাক ছোঁয়ালে এমন কোনো জায়গা কি পাওয়া যাবে, যেখানে দুর্গন্ধ মিলবে।’ সাংবাদিকরা সোৎসাহে জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ।’ ড. শহীদুল্লাহ্ এবার বললেন, ‘তা বাছারা এই বিশ্বসুন্দরীর বিশ্বজনীন সৌন্দর্য উপভোগ না দুর্গন্ধযুক্ত জায়গায় নাক ছোঁয়াচ্ছ কেন?’

পাদটীকা : ‘কাউয়া’ শব্দটি বাংলা ভাষার একটি আঞ্চলিক শব্দ। উইকিপিডিয়া অনুসারে শব্দটিকে রাজনৈতিক গালি হিসেবে ধরা হয়। আওয়ামী লীগের গুণধর সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন সিলেটের এক জনসভায়। দলে অনুপ্রবেশকারী ধুরন্ধরদের তিনি অভিহিত করেন কাউয়া নামে। সাধারণ মানুষ লুফে নেয় কাউয়া শব্দটি এবং বুমেরাং হয়ে তা ব্যবহৃত হয় ওবায়দুল কাদেরের ওপরেই। ‘কাউয়া কাদের’ হিসেবেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন রাজনৈতিক অঙ্গনে। সামাজিক প্রচারমাধ্যমের কল্যাণে কাউয়া শব্দটি ওবায়দুল কাদেরের ট্রেডমার্কে পরিণত হয়। 

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মতো একজন সজ্জন ব্যক্তিকে সরিয়ে ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগ কাউন্সিলে বেছে নেওয়া হয় ওবায়দুল কাদেরকে। ২০১৯ সালে তাঁর রক্তনালিতে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে। আড়াই মাস চিকিৎসার পর দেশে ফিরে এলেও বলনে-কথনে ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয় ওবায়দুল কাদেরের মধ্যে। কিন্তু নেত্রীর প্রিয়ভাজন হওয়ায় তাঁকে শুধু আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকই নয় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর মতো লোভনীয় পদেও বহাল রাখা হয় অজ্ঞাত কারণে। বলা হয় নেত্রীকে তোষণ ও চামচাগিরির দিক থেকে ওবায়দুল কাদের ছিলেন মোনায়েমের চেয়েও এগিয়ে।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৩৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

২ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সর্বাধিক পঠিত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা