শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৫৫, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

কৃতজ্ঞতার রকমসকম

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
কৃতজ্ঞতার রকমসকম

নিষ্কলুষ চরিত্রের মানুষ নামে যাঁরা দুনিয়ায় পরিচিতি অর্জন করেন তাঁদের মুগ্ধকর কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে। এর মধ্যে তিনটি বৈশিষ্ট্য : ভুল স্বীকার করা, অন্যায় করেছেন বুঝলে মাফ চাওয়া আর উপকার পেয়েছেন যাঁর কাছ থেকে, তাঁকে কৃতজ্ঞতা জানানো। দাম্ভিকরা ভুল স্বীকার করেন না। চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেও না। তাঁরা কেউ কেউ ধরেই নেন যে ভুল করার জন্য আল্লাহর দুনিয়ায় তাঁরা পয়দা হননি। আবার কিছু কিছু মানুষ পাওয়া যায়, যাঁরা অন্যায় কী- অন্যায় কারে কয়, তা বোঝেনই না। ভয়ের ব্যাপার ঘটান এঁরা। কখন? যখন শতজনের জন্য ক্ষতিকর কাজ করেও ভাবেন ‘অন্যায়টা আবার করলাম কোথায়!’

রাজধানীর মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় ১৯৮২ সালে যে পত্রিকায় কাজ করতাম, সেখানে আমার সহকর্মী শাহনূর খান। কবি মানুষ। পদবিতে শিফট-ইনচার্জ। সরলতার সুগন্ধ তাঁর আচরণে। এটা আমরা যাঁরা তাঁর সমবয়সি তাঁরা অনুভব করি। তাগড়া নওজোয়ানরা ওসব অনুভূতির ধারেকাছে নেই। তাঁদের অভিযোগ, শিফট-ইনচার্জ শাহনূর তাঁদের দিয়ে বিস্তর নিউজ আইটেম বানান, যেগুলো বানাতে বানাতে তাঁরা কাহিল হয়ে যান।

এক দুপুরে এই নওজোয়ানরা- এঁরা পদবিতে সাব এডিটর; আমাকে ঘেরাও করেন, তবে কোনো স্লোগান দেন না। না দিলেও তাঁরা যা যা বলেন তার অনুবাদ স্লোগানের ভাষার ‘মোদের দাবি মোদের দাবি/মানতে হবে মানতে হবে’র মতোই। দাবি হচ্ছে- শাহনূর ভাইয়ের শিফট থেকে আমাদের প্রত্যাহার করা হোক। সমস্যার গভীরে গিয়ে জানতে পাই, গত রাতে ক্ষুব্ধ সাব এডিটরদের দিয়ে ৬৫টি আইটেম বানানো হয়েছে কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে মাত্র ১৭টি। প্রতিরাতেই প্রায় এরকমই করা হয় মানে ৪৫-৫০ আইটেম, গতরাতে ওটা ‘সহ্যসীমার বাইরে’ হয়ে গেছে। প্রতিকার না পেলে ভুক্তভোগীরা কর্মবিরতি পালনের হুমকি দেন। ঘোষণা করেছেন, কলম বন্ধ করা হবে আজ সন্ধ্যায় এবং গিট্টু না খোলা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। পরিস্থিতি তপ্ত। বার্তা সম্পাদক মীর নূরুল ইসলাম আমায় বলেন, ‘প্লিজ কিছু একটা করো।’

সংলাপশাহনূরের সঙ্গে সংলাপে বসলাম। বেহুদা এত এত নিউজ আইটেম রোজ রাতে কেন করান? জবাবে তিনি বলেন, ‘তাহলে কয়টা আইটেম করাব!’ বলি, বেছে বেছে ইম্পর্টেন্ট নিউজগুলো করালেই তো পারেন। শাহনূর ডানে-বাঁয়ে সতর্ক দৃষ্টিপাত করে দেখেন, অফিস সহায়ক গিয়াস উদ্দিন অদূরে দাঁড়িয়ে কান পেতে সংলাপ শুনছে। ওকে ধমক মেরে তিনি বলেন, ‘তোর এখানে কাম কী? যা ভাগ্।’

গিয়াস ভাগে। তবে নিঃশব্দে হাসতে হাসতেই। শাহনূর স্যারের সেবায় থাকা তার কাজ। স্যার তো সপ্তাহের ছ’দিনই তার হাতে নানারকম কাম করাচ্ছেন। আজ ঝামেলায় পড়ে তাঁর মেজাজ খিচড়ে যাওয়ায় বলছেন, তোর এখানে কাম কী। উপরিতলার স্যারেরা ঝামেলায় পড়লে মজাদার কত কথাই না বলেন! এই যে তাঁদের বলা, এটাও এক নেয়ামত। মানে মাগনায় হাস্যকর জিনিস পাওয়া আর কী। এখন কোনো আলাপ করলে তা অফিস সহায়কদের কেউ শোনার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই, এরকম নিশ্চিত হয়ে শাহনূর খান বলেন, টু টেল ইউ ফ্রাংকলি, যত নিউজ আইটেম করাই আমার কাছে তার সবই ইম্পর্টেন্ট মনে হয়। ইম্পর্টেন্ট মনে করা অন্যায়?

‘মানুষকে অনর্থক খাটানো কোন ধরনের ন্যায়?’ মনে মনে বলেছি। আর মুখে বললাম, গরিষ্ঠের অভিমত বলে একটা ব্যাপার আছে। যারা নিউজ আইটেম তৈরি করেন তাদের সবাই মনে করেন আপনি যা করাচ্ছেন তা অন্যায়। শাহনূর বলেন, ‘ওয়েল! আই য়্যাম ইয়েলডিং টু দ্য উইল অব দ্য মেজরিটি। নিজেকে প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। শিফট অন্য কেউ চালাবেন। ব্যবস্থা নিন প্লিজ!’

ফলদায়ক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে নওজোয়ান সাব এডিটররা বার্তা সম্পাদকের কামরায় ঢুকলে তিনি বলেন, ‘ভুল জায়গায় কৃতজ্ঞতা নয়। কৃতজ্ঞতা তো তাকেই জানানো উচিত, যে সংখ্যাগরিষ্ঠের ইচ্ছাকে মূল্য দিয়েছে। সম্মান করেছে।’

বার্তা কক্ষে সাব এডিটরদের হালকা উল্লাসধ্বনি যখন চলছিল, সে সময় আমার টেবিলে এলেন শাহনূর খান। বললেন, ‘কৃতজ্ঞতা জানাতে এলাম। যাদের ওপর মাতব্বরি চালাই- তারা ভিতরে ভিতরে আমার ওপর খুবই রেগে আছে, আপনি না জানালে তা টেরই পেতাম না। ভালো কথা। আমার জায়গায় নতুন শিফট-ইনচার্জ হচ্ছেন কে?’

‘তাঁর নাম শাহনূর খান।’ জানাই আমি, ‘বার্তা সম্পাদক পদ্ধতিগত পরিবর্তন এনেছেন। সব আইটেম তিনি যাচাইবাছাই করে ২০টি আইটেম চূড়ান্ত করবেন। সাব এডিটরদের দিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেগুলোর পরিমার্জন করিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব শিফট ইনচার্জের। ইতোমধ্যে সাব এডিটররা আমাদের কাছে এসে পড়লেন। করমর্দন আর কোলাকুলির পর্ব সাঙ্গ হলে শাহনূর বলেন, ‘পুরোপুরি যে আমায় বর্জন করলে না, সেজন্য তোমাদের কৃতজ্ঞতা জানাই।’ সাব এডিটররা বলেন, ‘আমরাও কৃতজ্ঞ। এত কিছুর পরও আপনি আমাদের ছেড়ে যাননি। আপনি শতায়ু হোন।

২. দোয়া কবুল হয়নি। শাহনূরের জীবনটা দীর্ঘ হতে দেয়নি তাঁর হৃদযন্ত্র। পঞ্চাশের আগেই যন্ত্রটি থেমে গিয়েছিল। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে করা মানহানি মামলায় হাজিরা দেওয়ার জন্য শাহনূর খান যশোর যান। রাতভর বাসযাত্রা করে ভোরবেলায় পৌঁছেন। কোর্টে পৌঁছানোর আগেই হার্ট অ্যাটাক। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ১০ ঘণ্টার মধ্যে শেষ নিঃশ্বাস ছাড়েন তিনি।

শাহনূরের সঙ্গে আমার আনন্দের ঘটনা অনেক। একটি তো আমার অক্ষয় স্মৃতির অংশ। সুপণ্ডিত-সুলেখক সৈয়দ মুজতবা আলী ১৯৭২ সালে পাকাপাকি ঢাকায় চলে আসেন। তাঁর মুখোমুখি হওয়ার প্রবল আগ্রহ আমার। এক সকালে সুযোগটা করে দেন শাহনূরই। সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁকে সম্বোধন করতেন ‘শাহীনূর’। আমরা জানি, ‘পৃথিবীর ১৭টি ভাষায় পারঙ্গম তিনি। জানতাম না যে বিভিন্ন জেলার ভাষাও মুজতবা আলীর কণ্ঠস্থ। আমার বাড়ি কোন জেলায় জানতে পারার পরই তিনি বলেন, ‘তুঁই আলু-ফটলের ব্যবসা কইত্তে ফাইত্তা, চাইল ডাইল ঘি ত্যালের দোকান দিলেও অনেক মুনাফা কইরতা। হেগিন না করি, জার্নালিজমে হাঁদাইলা কার বুদ্ধিতে? এই প্যাশা তো রিস্কি প্যাশা।’

মুজতবা আলীর মতে, আলু-পটোলের ব্যবসা করতে পারতাম, চাল-ডাল-ঘি-তেলের দোকান দিলেও মুনাফা হতো আমার। তাঁর জিজ্ঞাসা : সেসব না করে আমি কার বুদ্ধিতে সাংবাদিকতায় ঢুকলাম। এ পেশা তো ঝুঁকিময় পেশা।

মুগ্ধ বিস্ময়ে আমি আমার প্রিয় লেখকের দিকে তাকিয়ে রই। শাহনূর বলেন, ‘আপনি বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতেন। ‘বিশ্বভারতীতে শান্তিনিকেতনে পড়িয়েছেন, সেই আপনি কোন দুঃখে ঢাকায় বাস করতে এলেন।’

‘ঢাকা এখন স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের রাজধানী’ বলেন সৈয়দ মুজতবা আলী, ‘একটু বোঝার চেষ্টা করো শাহীনূর। নতুন রাজধানীতে নানা নমুনার মালামাল আর মানুষের প্রয়োজন। অতি উচ্চস্তরের মহামূর্খেরও অভাব চলছিল। আমি সেই অভাব পূরণ করতে এলাম।’ নিজেকে নিয়ে নিজে এরকম রসিকতা করতে তখন পর্যন্ত আমি আর কাউকে দেখিনি। পরে আরেকজনকে পাই- বিখ্যাত সাংবাদিক জহুর হোসেন চৌধুরী। তাঁর বিষয়ে আরেক দিন লেখা যাবে।

সেই সকালে ধানমন্ডিতে মুজতবা আলীর বাড়িতে আরও তিন ব্যক্তির উপস্থিতি ছিল। এঁদের একজনকে মুজতবা আলী বলেন, ‘তোতা মিয়া বলো তো দেখি! মাত্র সাড়ে ১৪ মাসে তুমি যে লাখপতি হয়ে গেলে এজন্য তুমি কার কাছে কৃতজ্ঞ?’

সাফারি স্যুট পরা তোতা মিয়া বলেন, ‘মামুজান বরকত চেয়ারম্যান  আর জেনারেল ইয়াহিয়া খান, এই দুজনের মধ্যে কারে যে কৃতজ্ঞতা জানাই ভেবে পাচ্ছি না স্যার।’

জানা যায়, বিপদে পড়ে পাকিস্তানি মিলিটারির ভয়ে মামা বরকত হোসেনের বাড়িতে সপরিবারে আশ্রয় নেন তোতা। দিন সাতেকের মধ্যেই বহিষ্কৃত হন তাঁরা। মধ্য এপ্রিলে হাতে জীবন আর দেড় শ টাকা নিয়ে তোতা উঠলেন চট্টগ্রাম শহরে। জরুরি ভিত্তিতে রাস্তা মেরামতের ঠিকাদারি করে অবিশ্বাস্য গতিতে ধন অর্জন করলেন। এজন্য তাঁর মনে হয়, মামা তাঁকে দূর দূর করে উপকারই করেছেন। আবার মনে হয়, মূল উপকারটা ইয়াহিয়া খানই করেছেন। জেনারেল যদি নিরস্ত্র বাঙালির ওপর হত্যায় পটু মিলিটারি লেলিয়ে না দিতেন, তাহলে মামাবাড়ি যাওয়ার দরকারই হতো না।

৩. পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার মুসলিম লীগের ক্ষয় শুরু ১৯৫৪ সালে পূর্ববঙ্গীয় আইনসভা নির্বাচনের পর। ওই নির্র্বাচনে বিরোধীদলীয় জোট যুক্তফ্রন্টের হাতে শোচনীয় পরাজয় ঘটে মুসলিম লীগের। ১৯৮২ সালে দেখা যায় দলটি চার ভাগ হয়ে গেছে। এক ভাগের নেতা আশরাফ উদ্দিন ছিলেন বনেদি ব্যবসায়ী। দলের ছোটখাটো কোনো অনুষ্ঠান হলেও পত্রিকায় তাঁর ভাষায় ‘খোলতাই’ কাভারেজ আশা করতেন এবং হতাশ হতেন। তখন বলতেন, কী আর করি ভাইসাব! সবই কপালের লিখন।

তেজগাঁও শিল্প এলাকায় একদা যে পত্রিকা অফিসে কাজ করতাম, আশরাফ উদ্দিন মাঝেমধ্যে সেখানে আসতেন। কিছুক্ষণ গল্প করে সবাইকে কাবাব-পরোটা খাইয়ে চলে যেতেন। সহকর্মী আকবর হোসেন একদিন বলেন, ‘অনেকেই আজকাল বলে বাঙালি জাতির উচিত মুসলিম লীগকে কৃতজ্ঞতা জানানো। তারা পাকিস্তান না গড়লে বাংলাদেশ সৃষ্টির সুযোগই আসত না। আপনি এই যুক্তি মানেন?’

‘ফালতু যুক্তি কেন মানব? আমারে কি কুত্তায় কামড়ায়?’ বলেন আশরাফ, ‘ফালতু কথারে গুরুত্ব দিলে তো মুসলিম লীগকে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবে শুঁটকির কাছে।’ কোথায় মুসলিম লীগ আর কোথায় শুঁটকি! গোলমেলে লাগছিল। আশরাফ উদ্দিনের ব্যাখ্যায় ধোঁয়াশা কেটে গেল।

মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর দাদা ছিলেন হিন্দু, নাম পুঞ্জালাল ঠাক্কার। বাড়ি গুজরাটের কাথিওয়াড় জেলার পানেলিগাঁও গ্রামে। শহরে তিনি শুঁটকি মাছের ব্যবসা করতেন। পুঞ্জালালের গোত্র লোহানা। এই গোত্র মনে করে- মাছ-মাংস খাওয়া বা বেচাকেনা করা ধর্মবিরোধী কাজ। তাই তারা পুঞ্জালালকে ‘ধর্মচ্যুত’ ঘোষণা করে। অগত্যা ব্যবসা বন্ধ করে তিনি গ্রামে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। গ্রামবাসী তাঁকে গ্রামে ঢুকতে দিল না। রাগে-দুঃখে পুঞ্জালাল মুসলমান হয়ে গেলেন। পুঞ্জালালের ছিল তিন ছেলে। এঁদের মধ্যে জিন্নাহভাই করাচি গিয়ে চামড়া ব্যবসায় নেমে উন্নতি করেন। কয়েক বছর পর ১৮৭৬ সালে তাঁর স্ত্রী মিঠাবাঈ ছেলে সন্তান জন্ম দিলেন। নবজাতকের নাম রাখা হয় মোহাম্মদ আলী জিন্নাহভাই।

লেখক : সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২ মিনিট আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা