প্লাস্টিক-দূষণের ভয়াবহতায় ধ্বংস হচ্ছে কৃষিজমি, বন্ধ হচ্ছে নদীনালার স্বাভাবিক প্রবাহ। খাদ্যচক্রে মিশছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, যা নানা রোগের জন্ম দিচ্ছে। জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের পদ্মা-মেঘনা-যমুনা নদী দিয়ে দিনে ৭৩ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য সাগরে মিশছে। এর আগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের গবেষণায় প্রতি কেজি লবণে প্রায় তিন হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু উপদেষ্টা পলিথিন শপিং ব্যাগের বিরুদ্ধে রীতিমতো যুদ্ধ ঘোষণা করে অভিযান শুরু করেন। নভেম্বরে এক আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলনে তিনি পলিথিন বর্জনের আহ্বান জানিয়ে যে তথ্য তুলে ধরেন, তা ভয়াবহ। পলিথিনের কারণে বুড়িগঙ্গা নদীর সংস্কার করা যাচ্ছে না। নদীর নিচে তিন-চার আস্তর পলিথিন জমা হওয়ায় ড্রেজিং করা যাচ্ছে না। ২৩ বছর আগে আইন করে পলিথিন শপিং ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার ফের নিষিদ্ধ করলেও থামানো যাচ্ছে না এর আগ্রাসন। উৎপাদন, বিপণন ও মজুতের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রণালয় ঘটা করে যে অভিযান শুরু করে, তাতেও ব্যবহার বন্ধ দূরের কথা, বিন্দুমাত্র কমেনি। এখনো কাঁচাবাজার, মাছবাজার, মাংস বা মুদি দোকানে পণ্য দেওয়া হচ্ছে পলিব্যাগেই। নিষিদ্ধ এ বস্তুর পাইকারি দোকান এবং কারখানাগুলোও চলছে যথারীতি। কয়েক স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী টিমের ওপর হামলা পর্যন্ত হয়েছে। আইনশৃৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনেই জব্দ করা পলিথিন ছিনিয়ে নিয়েছেন কারখানার মালিক-শ্রমিকরা। দুর্বৃত্তদের এমন দুঃসাহস অকল্পনীয় হলেও, দুর্ভাগ্যজনক বাস্তবতা এটা। কোনো অনুরোধ, হুঁশিয়ারি এবং অভিযানে বন্ধ হচ্ছে না পলিব্যাগ ব্যবহার। এ জন্য কঠোরতর প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রয়োজন। সমস্যার গোড়া উপড়ে ফেলতে উৎপাদনযন্ত্র জব্দ ও ধ্বংস করা উচিত। পাশাপাশি সরবরাহ ও বিপণনচক্র ভেঙে দিতে হবে। ক্রেতা-বিক্রেতা-ব্যবহারকারী সবাইকে শাস্তির আওতায় এনে উপযুক্ত দণ্ডের বিধান বাস্তবায়ন করতে হবে। পরিবেশ রক্ষার মাধ্যমে নিজেদের সুরক্ষায় পলিথিন বর্জন যে কত জরুরি, তা জনসাধারণকেই উপলব্ধি করতে হবে। এ ছাড়া এর সর্বনাশা আগ্রাসন থেকে মুক্তি নেই।
শিরোনাম
- দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
- যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
- ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
- বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
- প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
- দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
- দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
- মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
- প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
- প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
- ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ
- তুচ্ছ ঘটনায় বন্ধুকে ছুরিকাঘাত
- গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
- অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
- ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের ভিড়ে খাগড়াছড়ির হোটেল-মোটেলগুলোতে রুম সংকট
- রাখাইনে আরও বাস্তুচ্যুতি বন্ধে মানবিক চ্যানেল স্থাপনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
- সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস: যা মনে রাখা জরুরি
- ভোলায় হাতবোমা-ইয়াবাসহ ৫ সন্ত্রাসী আটক