শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

মব কর্তৃত্ব : গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অবক্ষয়

সাঈদ খান
প্রিন্ট ভার্সন
মব কর্তৃত্ব : গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অবক্ষয়

মব-কর্তৃত্ব গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি- আইন, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের ওপর আঘাত হানে, যা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অবক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও জনমতের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার পরিবর্তে, মব-কর্তৃত্ব অস্থিরতা ও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। ফ্যাসিজম ঘরবাড়ি বা দালানে নয়, সিস্টেমে অবস্থান করে। স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদকে আরেক স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিবাদী কায়দায় মোকাবিলা কাম্য নয়। এ ধরনের ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক পন্থায় লড়াই করতে হয়। এজন্য প্রয়োজন অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র ও সংস্কৃতির, যা রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতিটি স্তরে নির্মাণ করতে হবে।

মব (mob) শব্দটি লাতিন mobile vulgus থেকে এসেছে, যার মানে ‘চলন্ত জনতা’ বা ‘উত্তেজিত জনগণ’। ১৭ শতকের দিকে এর ব্যবহার শুরু হয়। এটি সাধারণত উত্তেজিত বা বিশৃঙ্খল জনসমাগম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যখন তারা আইনি প্রক্রিয়া বা নিয়ম অগ্রাহ্য করে। মব কর্তৃত্ব বা জনরোষে মানুষ আইন ও সামাজিক কাঠামো উপেক্ষা করে নিজের হাতে ‘ন্যায়’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, যা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির বিরোধী। সাধারণত এটি ক্ষোভ, অশান্তি বা অবিচারের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ঘটে। কখনো কখনো নির্দিষ্ট শ্রেণি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সহিংসতা সৃষ্টি হয়।  

মব জাস্টিস হলো এমন একটি পরিস্থিতি, যেখানে উত্তেজিত জনতা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে অপরাধীকে শাস্তি দেয়, যা আইনানুগ বিচারপ্রক্রিয়ার পরিবর্তে ঘটে। এটি সাধারণত আইনের প্রতি অবিশ্বাস এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়ার চাহিদার কারণে ঘটে। এর ফলে বেশির ভাগ সময়ই নিরীহ মানুষ এর শিকার হয়, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থি এবং সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। মব জাস্টিস গণতন্ত্রের অবক্ষয়ের একটি উদাহরণ, যেখানে প্রতিক্রিয়াশীল নাগরিক প্রক্রিয়া কার্যকরী হয়ে ওঠে। মবোক্র্যাসি এমন একটি পরিস্থিতি, যেখানে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি বা আইন দুর্বল হয়ে যায় এবং জনতার উত্তেজনা বা ক্ষোভের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা আইনি প্রক্রিয়া ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং সমাজে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করে, ফলে জনগণ সঠিক বিচার পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়।

প্রাচীন গ্রিস ও রোমে আনুষ্ঠানিক বিচারব্যবস্থা থাকলেও ‘মব বিচার’ প্রচলিত ছিল। এথেন্সে ‘অস্ট্রাকিজম’-এর মাধ্যমে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি মনে করা ব্যক্তিদের নির্বাসিত করা হতো এবং রোমে স্বৈরাচারী শাসকদের উৎখাত বা হত্যা করা হতো। মধ্যযুগে বিচারব্যবস্থা ছিল সামন্ত প্রভুদের নিয়ন্ত্রণে। তবে সাধারণ মানুষ সন্দেহভাজন অপরাধীদের শাস্তি দিত, বিশেষ করে ডাইনিদের হত্যা করা ছিল সাধারণ ঘটনা। পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীভূত শাসন প্রতিষ্ঠিত হলেও জনসমক্ষে মৃত্যুদণ্ড ও ধর্মীয় সহিংসতা মব বিচারের রূপে টিকে ছিল।

১৮ শতকের ফরাসি বিপ্লবে ‘জনগণের আদালত’ ও গিলোটিন ব্যবহারের মাধ্যমে বিপ্লবের শত্রুদের শাস্তি দেওয়া হতো। রুশবিপ্লবেও মব বিচার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। যুক্তরাষ্ট্রে আইন প্রয়োগে দুর্বল থাকায় ‘ভিজিলেন্স কমিটি’ গঠিত হয়, যারা বিচার ছাড়াই শাস্তি দিত। গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী দক্ষিণে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের ‘লিঞ্চিং’ ব্যাপক আকার ধারণ করে। ২০ শতকে ফ্যাসিবাদের উত্থানের সঙ্গে মব বিচারও বৃদ্ধি পায়। নাৎসি জার্মানির ‘ক্রিস্টালনাখট’ ছিল রাষ্ট্র-সমর্থিত সহিংসতার একটি নজির; যেখানে ইহুদিদের ওপর হামলা চালানো হয়। আধুনিক বিশ্বেও আরব বসন্ত, ক্যাপিটল হিল হামলা বা জার্মানিতে রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে জনরোষ সহিংস রূপ নেয়।

বাংলাদেশেও বিভিন্ন সময় ‘মব বিচার’ স্বাধীনতা আন্দোলন, নব্বইয়ের স্বৈরাচার পতন থেকে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় ইস্যুতে মব সহিংসতা লক্ষণীয়। ২০১৩ সালে শাহবাগ আন্দোলন, ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, ২০২০ সালের ধর্মীয় উত্তেজনা, ২০২১ সালে ভাস্কর্য বিতর্ক ও গণপরিবহন খাতে অনিয়মের প্রতিবাদ মব বিচারের রূপ নেয়। ৫ আগস্ট ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানের পর ছয় মাস ধরে বিভিন্ন স্থানে মব ও বিক্ষোভ দেখা যায়। যা পরবর্তী সময়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, রাতে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য বা বিবৃতির প্রতিবাদে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বাড়ি ভেঙে ফেলা হলো। ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, ভোলা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, নাটোর ও পিরোজপুরসহ বিভিন্ন শহরে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ‘বাড়ি, চিহ্ন, প্রতীক ভেঙে রাগ দেখানো যায়, কিন্তু ফ্যাসিবাদ যায় না, বরং ফ্যাসিবাদের পুনরুৎপাদন হয়।’

বাম জোটের নেতারা বলেছেন, ২০২৪ সালের গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে গড়া গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যমুক্ত সমাজের আকাক্সক্ষা সামনে রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। তবে কিছু উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড পরিস্থিতি জটিল করছে। শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ বিদেশে বসে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে, যা জনগণকে ক্ষুব্ধ করছে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িতে ভাঙচুর ও বুলডোজার ব্যবহার সরকারের নিষ্ক্রিয়তা প্রদর্শন করছে। যদি সরকার নীরব থাকে তাহলে গণ অভ্যুত্থানের চেতনা প্রশ্নবিদ্ধ করা হতে পারে। তারা সব গণতান্ত্রিক দল ও সচেতন মহলকে অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান জানান এবং ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার আহ্বান জানান।

ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ঢাকার ফজলুল হক মুসলিম হলে ছাত্রদের হাতে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা মব জাস্টিসের ভয়াবহ উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায়। তখনো জনগণ বলেছিল, এ ধরনের ঘটনা থামাতে হবে। কিন্তু সরকার তা থামাতে পারেনি; তবে চেষ্টা দেখা গেছে। এর ফলে শিক্ষকরা পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন, ধর্মীয় স্থাপনা ও মাজারে হামলা, হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে। গণপিটুনি, ব্যক্তিকে ছিনিয়ে মেরে ফেলা ও পদত্যাগে বাধ্য করা- এগুলো সবই অন্যায় বা মব জাস্টিসেরই উদাহরণ।

ড. ইউনূস বলেছিলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যে কোনো সহিংসতা ও বৈষম্যকে অগ্রহণযোগ্য। তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছিলেন, নির্যাতনকারী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে উত্তেজিত মব নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে। শিক্ষার্থীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে, কারণ মব জাস্টিস কখনো সমাধান আনবে না। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, ঢাবি ও জাবিতে যে মব জাস্টিসের ঘটনা ঘটেছে, সে ঘটনায় সরকার মর্মাহত। এ ধরনের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং মব জাস্টিস দমনে কঠোর অবস্থানে থাকবে অন্তর্বর্তী সরকার।

সে কথা কতটুকু রেখেছে সরকার! মবের কর্তৃত্ব রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক শক্তির মাধ্যমে তৈরি হয়, যার মাধ্যমে জনতাকে তাদের স্বার্থে ব্যবহার করা হয়। রাষ্ট্র, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ধর্মীয় গোষ্ঠী, ব্যবসায়ী এবং গণমাধ্যম এ কর্তৃত্ব তৈরিতে সাহায্য করে। সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রচারণার মাধ্যমে মব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক আন্দোলনে প্রভাব ফেলে। মব সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা অত্যন্ত জরুরি। মব জাস্টিসের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমালোচনামূলক চিন্তা উৎসাহিত করা প্রয়োজন। শিক্ষাব্যবস্থায় বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা ও গুজব সম্পর্কে সতর্কতা শেখানো উচিত। ডিজিটাল লিটারেসি ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া তথ্য শনাক্ত করার প্রশিক্ষণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আইনের কঠোর প্রয়োগ, সুশাসন এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হবে। পুলিশ বাহিনীকে শক্তিশালী ও দক্ষ করে অপরাধীদের দ্রুত আটকানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি গুজব প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো উচিত। জনসাধারণের মধ্যে আইনি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নৈতিক শিক্ষার প্রচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে মানুষ বুঝতে পারে যে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া অনৈতিক। সরকারের উচিত, মব জাস্টিসের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া।

দেশের চলমান পরিস্থিতিতে বিএনপি এক বিবৃতিতে বলেছে, অন্তর্বর্তী সরকার পলাতক ফ্যাসিস্ট এবং তাদের দোসরদের আইনের আওতায় আনতে এখনো যথেষ্ট সাফল্য দেখাতে পারেনি। ফলে অনেকেই বেআইনি কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত হচ্ছে। সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, কিন্তু ‘মব কালচার’ ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা বেড়ে গেছে। সরকারের দায়িত্ব ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানের শহীদদের সহায়তা, পলাতক নেতাদের দ্রুত বিচার এবং গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিশ্চিত করা। ফ্যাসিবাদী আদর্শের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলা প্রয়োজন এবং দ্রুত নির্বাচনের আয়োজন করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব।

লেখক : সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

২ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ
ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান
পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা