শেয়ারবাজার অর্থনীতির এমন এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বিনিয়োগকারীদের সম্পদ সৃষ্টির সুযোগ করে দেওয়ার কথা। কিন্তু দেশের শেয়ারবাজার যেন উল্টো স্রোতে চলছে। পঁচিশের প্রথম মাসেই সূচক কমেছে প্রায় ১০০ পয়েন্ট। ঘুরে দাঁড়ানোর প্রশ্ন উঠছে না, বরং রোজই কমছে সূচক। বিনিয়োগকারীরা লগ্নির টাকা হারাচ্ছেন; অব্যাহতভাবে কমছে তাদের মূলধন। পথে বসতে যাওয়া হতাশ বিনিয়োগকারীরা শেষ পর্যন্ত রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন। তারা ১১ দফা দাবি জানান। এতে বিএসইসি এবং আইসিবিতে যোগ্য চেয়ারম্যান নিয়োগ ছাড়াও কোম্পানিগুলোকে আয়ের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার দাবি জানানো হয়। বলা হয়, ব্যাংক, ফাইন্যান্স, ইনস্যুরেন্স, মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবির পুঁজিবাজারে যতটা বিনিয়োগ করার কথা, তা শতভাগ কার্যকর করতে হবে। টাস্কফোর্সের সংস্কারগুলো মিডিয়ার মাধ্যমে তৎক্ষণাৎ বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট অংশীজনদের জানাতে হবে। বিএসইসির দায়িত্বে অন্তত দশটি মিউচুয়াল ফান্ড দ্রুত বাজারে নিয়ে আসা এবং ফোর্স সেল বন্ধের দাবিও জানান তারা। এরপর বাজার কদিন কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয়। কিন্তু বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়েনি। এ পরিপ্রেক্ষিতে বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকার একটা কমিটি গঠন করেছে। তারা উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। দুরবস্থার প্রকৃত প্রেক্ষাপট হচ্ছে, গত দেড় দশকের স্বৈরশাসনে দুর্নীতি-দুরাচারের কলকাঠি নাড়ানো হয়েছে পুঁজির হাটেও। নানা রকমের অনিয়ম-জালিয়াতি হয়েছে দোর্দণ্ড প্রতাপে। এর প্রভাবে বাজার প্রায় অথর্ব-স্থবির হয়ে পড়ে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির উচিত পূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগে বাজার উন্নয়নে সর্বোচ্চ সক্রিয় হওয়া। কিন্তু তাদের মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো এবং স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা শ্রমসাধ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, পুঁজিবাজার সংকুচিত করে রাখা হয়েছে। বাজারে মানসম্পন্ন কোম্পানি অপ্রতুল। সে কারণে বিনিয়োগ সুরক্ষিত থাকছে না। এ ছাড়া এখনো এখানে কোনো অশুভশক্তির মতলবী কারসাজি চলছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা দরকার। সব ধরনের অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে পারলে শেয়ারবাজার প্রতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলায় ফিরে স্থায়ীভাবে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে বলে আশা করা যায়।
শিরোনাম
- দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
- যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
- ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
- বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
- প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
- দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
- দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
- মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
- প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
- প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
- ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ
- তুচ্ছ ঘটনায় বন্ধুকে ছুরিকাঘাত
- গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
- অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
- ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের ভিড়ে খাগড়াছড়ির হোটেল-মোটেলগুলোতে রুম সংকট
- রাখাইনে আরও বাস্তুচ্যুতি বন্ধে মানবিক চ্যানেল স্থাপনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
- সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস: যা মনে রাখা জরুরি
- ভোলায় হাতবোমা-ইয়াবাসহ ৫ সন্ত্রাসী আটক