শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:২১, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

প্রকৃতির নির্মম প্রতিশোধ! ঘর ভাঙার সংস্কৃতি

গোলাম মাওলা রনি
প্রিন্ট ভার্সন
প্রকৃতির নির্মম প্রতিশোধ! ঘর ভাঙার সংস্কৃতি

আমার প্রাথমিক অপরাধ ছিল- রাতের ভোটের প্রধান কারিগর সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদাকে নিয়ে একটি কলাম লেখা। নূ হুদার পঞ্চ সালের পাঁচালি শিরোনামে সহযোগী একটি জাতীয় দৈনিকে নিবন্ধ লেখার কারণে নূরুল হুদা আমার ওপর ভীষণ  খেপে যান। আমি অবশ্য সেই নিবন্ধে তার সম্পর্কে তেমন মন্দ কিছু বলিনি। বরং তিনি যে একজন ভালো মানুষ ছিলেন এবং আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় পান্ডারূপে ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে দলের পক্ষে তৃণমূলে গিয়ে কাজ করেছেন সেটাই উল্লেখ করেছিলাম। আমি বলেছিলাম যে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় তিনি আমার বাড়িতে মেহমান হয়েছিলেন এবং শেখ হাসিনার নির্দেশে আমার নির্বাচনে যথাসম্ভব সাহায্য-সহযোগিতার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছিলেন। সুতরাং তার সঙ্গে আমার একটি পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।

উল্লিখিত অবস্থায় তার কাছ থেকে ন্যায়বিচার, মানবিক আচরণ এবং সহযোগিতা পাওয়ার হক আমার ছিল। কিন্তু তিনি সেটা না করে শেখ হাসিনাকে রাতের ভোটের লোভ দেখিয়ে অথবা শেখ হাসিনার রাতের ভোটের প্রধান কারিগর অর্থাৎ চিফ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ইতিহাসের কলঙ্কময় একটি নির্বাচন আয়োজন করার পূর্বশর্ত হিসেবে আমার নির্বাচনি এলাকায় নিজের ভাগিনার নামে একটি মনোনয়ন বাগিয়ে নেন। শুধু তা-ই নয়, পুরো নির্বাচনের সময় তিনি তার প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে আমার এবং আমার পরিবারের জীবন জাহান্নামে পরিণত করে দেন। ফলে নির্বাচন করার পরিবর্তে প্রাণে বেঁচে থাকার জন্য একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আকুতি জানানোর জন্য আমার অন্য কোনো উপায় ছিল না।

নূরুল হুদাকে বাদ দিয়ে যখন হাবিবুল আউয়ালকে শেখ হাসিনা নিয়োগ দিলেন তখন আমি নূ হুদার পঞ্চ সালের পাঁচালি নামে একটি নিবন্ধ লিখেছিলাম। নিবন্ধ পাঠ করে নূরুল হুদার মাথা সম্ভবত গরম হয়ে গিয়েছিল অক্লান্ত পরিশ্রমএবং তার ভাগিনা অর্থাৎ রাতের ভোটের তথাকথিত সংসদ সদস্যের পেটের আবর্জনা মাথায় উঠে গিয়েছিল। তারা আমার গ্রামের বাড়িটি টার্গেট করে ওটাকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার যে পরিকল্পনা করেছিলেন সেখানে পটুয়াখালী জেলার তৎকালীন ডিসি কামাল আহমেদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল কাইয়ুম এবং গলাচিপা উপজেলার ইউএনও আশিষ কুমার যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তার সঙ্গে চেঙ্গিস-হালাকুর ধ্বংসযজ্ঞের কী মিল ছিল তা সেদিনের ঘটনা বর্ণনা করলেই সম্মানিত পাঠক বুঝতে পারবেন।

২০২২ সালের ১৯ জুলাই সকালবেলা কোনো রকম পূর্বঘোষণা ছাড়াই জেলা প্রশাসন উপজেলা প্রশাসন কয়েকটি বুলডোজার নিয়ে আমার বাড়ির সামনে হাজির হয়। বাড়ি ভাঙার জন্য কয়েক শ হাতুড়ি বাহিনীকে ভাড়া করে আনা হয়। লুটপাটের জন্য আনা হয় আরও ২০-২৫ জন। ১৯৬০ সালের দখলিস্বত্ব, তিন পুরুষের বসতভিটায় নির্মিত ভবনে সংরক্ষিত বহু স্মৃতিময় আসবাব, টাকাপয়সা, সোনার গহনা, দলিলপত্র কোনো কিছু সরানোর জন্য সময় না দিয়ে যখন বুলডোজার চালানো হয় এবং একই সঙ্গে হাতুড়ি বাহিনী ও লুটেরারা তাণ্ডব শুরু করে তখন সেখানে বসবাসরত আমার ৭৫ বছর বয়সি অসুস্থ মা, ভাই, ভ্রাতৃবধূ ও দুটি শিশুকন্যা কোনোমতে প্রাণ নিয়ে দৌড়ে রাস্তায় নেমে হাজার হাজার মানুষের সামনে গগনবিদারী আহাজারি শুরু করে।

ঘটনার দিন আমি ছিলাম ঢাকায়। টেলিফোনে মায়ের কান্না শুনে আমার মাথায় বজ্রপাত শুরু হলো। আমার সাত বছর বয়সি ভাতিজি অর্ধ উন্মাদের মতো দৌড়াতে শুরু করল এবং ঘটনার আকস্মিকতায় মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলল। বাড়ির সামনে একটি ফার্মেসির দোকান চালাত আমার ছোট ভাই সরোয়ার। কোনো দিন রাজনীতি নিয়ে মাথা ঘামায়নি। সবকিছু হারিয়ে সে-ও অঝোরে কান্না শুরু করল, আমার স্ত্রী ১৯৮৬ সালে বধূরূপে ওই বাড়িতে এসেছিল। সে-ও হাউমাউ করে কান্না করে আমাকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় বানিয়ে ফেলল। আমরা সাত ভাই, আমি ছাড়া অন্য কেউ আমার পরিচয়, আমার রাজনীতির মুখাপেক্ষী নয়। তারা সবাই চাকরিবাকরি, ব্যবসাবাণিজ্য করে খায় এবং কালেভদ্রে উৎসব-আয়োজনে গ্রামের পৈতৃক বাড়িতে বছরে দুই-তিনবার বেড়াতে যায়। আমার রাজনীতির কারণে তাদের সম্পত্তি নষ্ট বিশেষ করে আমার বৃদ্ধ মায়ের কান্না- তাদের যারপরনাই বেদনাহত করল। সবাই আমার স্ত্রীকে ফোন করে যেভাবে আহাজারি করল তার ফলে দুনিয়া মুহূর্তের মধ্যে আমার কাছে জাহান্নামে পরিণত হলো।

আমার মাকে আমি কোনো দিন কাঁদতে দেখিনি। হাসিখুশি, সহজসরল জীবনে অভ্যস্ত মা আমাদের ভাইদেরও কোনো দিন মারধর করেননি। আব্বার সঙ্গে কোনো দিন ঝগড়া করেননি। মায়ের চরিত্রের সঙ্গে বড় সন্তান হিসেবে আমার যেসব মিল রয়েছে সেগুলোর মধ্যে সহজে ভেঙে না পড়া, কান্নাকাটি না করা এবং কারও সঙ্গে দ্বন্দ্বফ্যাসাদে না জড়ানোর অভ্যাস অস্থিমজ্জায় মিশে থাকার কারণে ২০২২ সালের ১৯ জুলাই আমি কাঁদতে পারলাম না। কিন্তু আমি যেভাবে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়লাম, আমার বুকের মধ্যে যেভাবে হাহাকার শুরু হলো এবং হাত-পা অবশ হয়ে গেল তাতে করে মনে হলো- ইস! যদি চিৎকার করে একটু কাঁদতে পারতাম।

আমার আব্বা যথেষ্ট সচ্ছল ছিলেন। আমরাও আল্লাহর মেহেরবানিতে সবাই ভালো আছি। বাড়ির আর্থিক মূল্যের চেয়ে বহু গুণ অর্থ বহুবার ব্যবসায় লোকসান হয়েছে। রাজনীতিতে অনেক অর্থ ব্যয় করেছি। জাকাত-ফেতরা, দানখয়রাতেও আল্লাহ আমাকে অনেক সুযোগ দিয়েছেন। কাজেই বাড়ির আর্থিক মূল্য আমাদের কাউকে আহত করেনি। কিন্তু প্রকাশ্য দিবালোকে আমাদের তিন পুরুষের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটি যারা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন, তারা যদি আমাদের হৃদয়ের হাহাকার, চোখের অশ্রু এবং সামাজিক অপমান ছাড়াও হঠাৎ আশ্রয়হীনতার অসহায় অনুভব বুঝতে পারতেন তবে সারা দুনিয়ার বিনিময়েও ওই কুকর্ম করতেন না।

আমাদের একটি বসতভিটার জন্য আমরা কেঁদেছি এবং এখনো কাঁদছি। আমাদের এই কান্না কেয়ামত পর্যন্ত চলতে থাকবে এবং রোজ হাশরে আমরা সপরিবারে আল্লাহর দরবারে নালিশ জানাব। দুনিয়াতে আমাদের আকুতি ক্ষণে ক্ষণে আমাদের আহত করে। আমাদের দৈনন্দিন সুখশান্তি ব্যাহত হয়। বাড়ির কথা স্মরণে এলে যে দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসে তা পৃথিবীর আলোবাতাস ভেদ করে হয়তো আল্লাহর আরশে চলে যায়। আমি জানি না, সাবেক নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদা কোথায় আছেন, কেমন আছেন। তার ভাগিনা অথবা সেই ডিসি কামালের বর্তমান হালহকিকত কী? তবে তারা যে হালতেই থাকুন না কেন, আমরা সবাই তাদের চেয়ে ভালো আছি।

আমি নিয়তিতে বিশ্বাস করা মানুষ। আমি বিশ্বাস করি, মানুষ যদি নিজ হাতে প্রতিশোধ না নিয়ে মহান আল্লাহর ওপর বিচারের ভার দেন তবে দুনিয়ার ভারসাম্য প্রাকৃতিকভাবে সুসংহত থাকে। যদিও প্রতিশোধ গ্রহণের হক রয়েছে, তবু মানুষ সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও প্রতিশোধ না নিয়ে বিচারের ভার আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিলে আসমান থেকে তখন ফয়সালা আসে যা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অন্তরে শান্তির পরশ বুলিয়ে দেয় এবং তার উদারতা, আল্লাহভীতি এবং আল্লাহর প্রতি নির্ভরতার কারণে স্বয়ং আল্লাহ তাঁর মজলুম বান্দার জন্য উত্তম উকিল হিসেবে দুনিয়া ও আখিরাতে তার সফল কর্মের জিম্মাদার হয়ে যান।

উল্লিখিত বিশ্বাসের কারণে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমি প্রতিশোধপরায়ণ হইনি। আমার কর্মী-সমর্থক, আত্মীয়পরিজনকে অনুরোধ করেছি, কোনো অবস্থাতেই আমার প্রতি যারা জুলুম করেছে, তাদের বাড়িঘরে যেন সামান্য আঘাত করা না হয়। মামলা-মোকদ্দমা, হুমকিধমকির মতো কর্ম যেন আমার প্রতি অত্যাচার করা লোকজনের ওপর না হয়, তার জন্য সর্বোচ্চ ধৈর্য নিয়ে নিজেদের সংযত রেখেছি। আর এসব করার কারণে আমার অন্তরের শান্তি-নির্ভীক চলাফেরা, রিজিকে বরকত এবং পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে মানসম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে কীভাবে নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে, তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।

আজকের এই দিনে আমার জীবনের একটি বিয়োগান্তক ঘটনা আপনাদের কাছে বর্ণনা করার মূল উদ্দেশ্য হলো, সারা দেশে ভাঙচুরের নামে যা হচ্ছে, তা কোনো অবস্থাতেই সমর্থনযোগ্য নয়। এসব কর্মে সমস্যা বাড়বে। শান্তি বিঘ্নিত হবে। সামাজিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে এবং হানাহানি-মারামারি, বাড়িতে বাড়িতে গৃহযুদ্ধে রূপ নেবে। যারা ভাঙচুরের উল্লাস নৃত্য করছেন তাদের পরিণতিও অতীতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটানো দুর্বৃত্তদের মতো হবে। প্রতিটি ভাঙচুরের পেছনে যেমন জিঘাংসা, প্রতিশোধপরায়ণতা, লুটপাট, ডাকাতি, দখলবাজি এবং লোভলালসা থাকে তদ্রƒপ প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি পরিবারের একটি হাহাকার, আর্তচিৎকার এবং আহাজারি থাকে। বিশেষ করে কেউ যদি কারও দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অথবা আল্লাহপ্রদত্ত ক্ষমতা, পদপদবির বড়াই করে মানুষের ইজ্জত-আবরু, বসবাসের স্থান অথবা কর্মসংস্থান ধ্বংসের জন্য উন্মাদনা শুরু করে তখন স্বয়ং আল্লাহ মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে যান, যদিও মজলুম হয়তো এককালে জালেম ছিল এবং তার জুলুমের ফলে নয়া জুলুম অনিবার্য হয়ে পড়েছে তবু নয়া জুলুমকারীরা দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহর অভিশাপ থেকে রক্ষা পায় না।

প্রকৃতির আইন অনুযায়ী জালিমের পতনই মজলুমদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। দ্বিতীয়ত, মজলুমকে যদি ক্ষমতা দেওয়া হয় তবে তা জালিমের জন্য সবচেয়ে বড় লজ্জা-অপমান-মনঃকষ্ট ও শাস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু ক্ষমতা লাভের পর মজলুম যদি জালিমের মতো আচরণ শুরু করে তবে প্রকৃতির আইন নয়া জালিমের বিরুদ্ধে এবং সাবেক জালিম তথা নয়া মজলুমের পক্ষে চলে যায়। মানবজাতির হাজার হাজার বছরের ইতিহাসে প্রকৃতির উল্লিখিত আইন কোনো রকম ব্যত্যয় ছাড়া অক্ষরে অক্ষরে জমিনের বুকে মাইলফলক তৈরি করে রেখেছে। কিন্তু আফসোস আমরা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিইনি।

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

১ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ
ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান
পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার
নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা