শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:২১, বৃহস্পতিবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আরেকটি সুযোগ কি হাতছাড়া হচ্ছে!

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
আরেকটি সুযোগ কি হাতছাড়া হচ্ছে!

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এক নয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে দুটিই স্মরণীয় ঘটনার দিন। একটির নায়ক ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ঘটনা পরিচিতি লাভ করে ওয়ান-ইলেভেন নামে। অন্যটির নায়ক দেশের ছাত্র-জনতা। পরিচিতি লাভ করে জুলাই বিপ্লব নামে। ওয়ান-ইলেভেনের নায়ক মইন উ আহমেদের নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনী। বিএনপি ও মিত্র রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ছাড়া সবাই তখন তাদের স্বাগত জানিয়েছিল। আওয়ামী লীগ ও তখনকার সুশীল সমাজ গর্ব করে বলত, ওয়ান-ইলেভেন তাদের আন্দোলনের ফসল। জুলাই বিপ্লবে ঘটল এর উল্টো। এ ঘটনার নায়ক ছাত্র-জনতা। আওয়ামী লীগ ও মিত্র রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ছাড়া দেশবাসী এ বিপ্লবে অংশগ্রহণ করেছে। আর এ বিপ্লবকে সমর্থন করেছে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী। তবে দুটি ঘটনার উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন- দেশটা হবে জনগণের এবং দুর্নীতিমুক্ত। প্রতিষ্ঠিত হবে আইনের শাসন। মানুষের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার থাকবে সুরক্ষিত। শেষ পর্যন্ত ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের যা পরিণতি হয়েছিল এবং বিগত ১৮ বছর দেশবাসীর কপালে যা জুটল, তা যেন চুন খেয়ে মুখ পুড়ে দই দেখে ভয় পাওয়ার মতো অবস্থা।

অনেকেই ওয়ান-ইলেভেন সরকারের পোস্টমর্টেম করেছেন অনেকভাবে। সাধারণত তিন সময়ে এবং তিনভাবে এটি করা হয়েছে। ঘটনা ঘটার আগে কেউ কেউ এমন একটি সরকারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন। সে কারণে পরবর্তীতে দাবি করা হয়েছিল, ওই সরকার ছিল তাদের সরকার। ওই সরকারের শাসন চলাকালে অনেকেই সফলতার কথা আগ বাড়িয়ে বলেছিলেন। তাদের অদক্ষতা, অসততা ও জাতির সঙ্গে প্রতারণার কথা কেউ সাহস করে বলেননি। তবে বিদায়ের পর আবার কেউ কেউ ব্যর্থতার নানা দিক নিয়ে কথা বলেছিলেন। ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সবচেয়ে দুঃসাহসিক কাজ ছিল ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং একই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা। দুই নেত্রীকে গ্রেপ্তার করার মতো ঘটনায় ওই সরকারের প্রতি তখন সাধারণ মানুষের ভীতি তৈরি হয়। এ সরকারের পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব-এমন একটি ইমেজও তৈরি হয়েছিল। সেই সঙ্গে মাইনাস টু ফর্মুলার উদ্ভাবকরা আনন্দে উল্লসিত হয়েছিলেন। তবে দেশের প্রয়োজনীয় সংস্কার, রাজনীতির অরাজনৈতিক কার্যক্রম ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সব সুযোগ এবং জনসমর্থন ওই সরকার পেয়েছিল। সুবর্ণ সুযোগ হাতের মুঠোয় পেয়েও কাজের চেয়ে অকাজে জড়িয়ে পড়ায় মানুষ দিনদিন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে মাত্র আট মাসের মাথায় ২০০৭ সালের ২০ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ছাত্রদের খেলা কেন্দ্র করে ছাত্র ও সেনাসদস্যদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। সেনাসদস্যরা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালায়। লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান মোবাশ্বের মোনেম সেনাসদস্যদের দ্বারা লাঞ্ছনার শিকার হন। এর প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। এরপর ২১, ২২ ও ২৩ আগস্ট সারা দেশে সেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে বিভিন্ন ইস্যুতে জনরোষ বাড়তে থাকে। যা হোক, পরের ঘটনা কমবেশি সবারই জানা। একটি ইতিবাচক পরিবর্তন অর্থাৎ সংস্কার করার যে সুযোগ ওই সরকার ও সেনাবাহিনী পেয়েছিল, বেলা শেষে সে সুযোগ হাতছাড়া হয়। প্রকাশিত হতে থাকে ওয়ান-ইলেভেন সরকারের প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য অংশীজনদের অদক্ষতা, অসততা ও জাতির সঙ্গে প্রতারণার ভয়াবহ সব কাহিনি। তারা এত বেশি অপকর্ম করেছিল যে, ওয়ান-ইলেভেনের সুবিধাভোগী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পরও কোনো কুশীলব দেশে নিজেকে নিরাপদ ভাবতে পারেননি। বাধ্য হয়ে মইন উদ্দিন, ফখরুদ্দীনসহ সংশ্লিষ্ট প্রায় সবাই দেশ ছাড়েন। আর যারা দেশের মধ্যে ছিলেন তাদের অনেকেই মৃত্যুবরণ করেছেন। অনেকে নিজেদের রীতিমতো গুটিয়ে রেখেছেন। চলে গেছেন লোকচক্ষুর অন্তরালে। ওয়ান-ইলেভেনের কুশীলব কথাটি এখন দেশবাসীর কাছে গালি হিসেবে বিবেচিত। আর যারা মাইনাস টু ফর্মুলার উদ্ভাবক ছিলেন, তারা এখনো গণধিকৃত হয়ে আছেন।

দীর্ঘ ১৮ বছর পর আরও একটি সুযোগ আমরা পেলাম। ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারের জগদ্দল পাথর সজোরে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল। আমরা আমজনতা হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের নেতা-কর্মী ছাড়া প্রায় সবাই ছাত্র-জনতাকে শাবাশ দিয়েছে। প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছে। মিষ্টি বিতরণ করেছে। সুযোগ থাকার পরও বন্দুক হাতে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করেনি। বরং বিপ্লবী ছাত্র-জনতা বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ফুল দিয়ে বরণ করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। প্রথমে তিনি এ গুরুদায়িত্ব নিতে রাজি হননি। দায়িত্ব গ্রহণের ঐতিহাসিক ঘটনা বিশ্ববাসী ও দেশবাসীর সামনে তুলে ধরে ড. ইউনূস বলেছেন, আমি তখন প্যারিসে ছিলাম। আরেকটি সুযোগ কি হাতছাড়া হচ্ছে!অলিম্পিক আয়োজন নিয়ে কাজ করছিলাম। ঠিক সে সময়ই প্রথম ফোন আসে। আমি তখন হাসপাতালে ছোট্ট একটি অস্ত্রোপচারের জন্য ভর্তি ছিলাম। ফোনে বলা হয়, শেখ হাসিনা চলে গেছেন, এখন আমাদের সরকার গঠন করতে হবে। অনুগ্রহ করে আমাদের জন্য সরকার গঠন করুন। আমি বললাম, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না এবং এতে জড়াতে চাই না। কিন্তু আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বারবার অনুরোধ জানায়। তারা বলে, দেশের সংকট মুহূর্তে আপনিই উপযুক্ত ব্যক্তি। আমি তাদের বোঝানোর চেষ্টা করলাম, বাংলাদেশে অনেক ভালো নেতা আছেন, তোমরা কাউকে খুঁজে নাও। কিন্তু তারা বলল, না, আমরা কাউকে পাচ্ছি না। আপনাকেই আসতে হবে। শেষ পর্যন্ত ছাত্রদের আত্মত্যাগের কথা ভেবে রাজি হই। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রেক্ষাপট সহজসরল শিশুর মতো তিনি একাধিকবার দেশে-বিদেশে বলেছেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে বিশ্ববরেণ্য এ মানুষটি হয়তো আজ জেলখানায় থাকতেন। কিন্তু ছাত্র-জনতার অকুণ্ঠ আস্থায় মহান আল্লাহ তাঁকে সম্মানিত করেছেন। এ মহান ব্যক্তিত্ব দেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশবাসীর প্রত্যাশা হয়েছিল আকাশচুম্বী। জনসাধারণের মধ্যে এবার দেশের কিছু একটা হবে এমন ইতিবাচক আশাবাদ কাজ করছিল। ছাত্র-জনতার প্রত্যাশা পূরণ করতে তিনি তাঁর পারিষদ গঠন করলেন। কিন্তু পারিষদবর্গ দেখে সচেতন দেশবাসী প্রথমেই একটু হোঁচট খেল। থ্রি-জিরো তত্ত্ব দিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস যেখানে পৃথিবীকে নতুন আলোয় আলোকিত করছেন, সেখানে এ পারিষদ দিয়ে তিনি কি নিজের দেশটা বদলাতে পারবেন-এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে থাকে। প্রশ্নটা প্রথমে দেশের মুষ্টিমেয় কিছু বোদ্ধাজনের মধ্যে জন্ম নিলেও গত ছয় মাসে বিস্তৃত হয়ে এখন অনেকের মধ্যেই কাজ করছে। চিন্তা-চেতনায়, দক্ষতায়, জ্ঞান-গরিমায়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সুখ্যাতিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস যে উচ্চতায় রয়েছেন, তাঁর পারিষদের সদস্যরা সে তুলনায় কতটা খর্বাকৃতির, গত ছয় মাসে তাঁদের কার্যকলাপে নিজেরাই প্রমাণ করেছেন। আমরা যদি তর্কের খাতিয়ে ধরে নিই, দেশটা সংস্কার করে গড়ে তোলার জন্য এর চেয়ে যোগ্য মানুষ পাওয়া যায়নি, তাহলে সেটা ১৭ কোটি মানুষের দুর্ভাগ্য। তবে এও ঠিক, পারিষদের সদস্যরা তাঁদের নিজস্ব কাজের ক্ষুদ্র গণ্ডিতে অবশ্যই সফল ছিলেন।

জুলাই বিপ্লবের পর ছাত্রদের বিশেষ করে সমন্বয়কদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মর্যাদা ছিল ঈর্ষণীয়। দেশের বহু মানুষ সমন্বয়কদের সঙ্গে হাত মেলাতে পারলে ধন্য হয়ে যেত। বহু মানুষ তাঁদের সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকের প্রোফাইল বানিয়েছেন। অনেক পিতা-মাতা তাঁদের ছোট ছোট সন্তানকে সমন্বয়কদের ছবি দেখিয়ে বলেছেন, বড় হয়ে এমন বিপ্লবী ও সাহসী হবে। জুলাই বিপ্লবের পর দেশের অনেক স্থানে মারামারি, বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। যে কোনো একজন সমন্বয়ক সেখানে ছুটে গেলেই থেমে যেত মারামারি বা বিশৃঙ্খলা। কিন্তু ৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে আমরা দেখলাম, জুলাই বিপ্লবে আহতরা মিন্টো রোডে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেন। খবর পেয়ে মধ্যরাতেই সেখানে ছুটে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের সুচিকিৎসা না দেওয়াকে সরকারের ব্যর্থতা বলে উল্লেখ করেন। তবে ঘটনাস্থলের যে বিষয়টি গণমাধ্যমের কল্যাণে দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে তা হলো, কয়েক মাস আগেও হাসনাত আবদুল্লাহকে যেভাবে মূল্যায়ন করা হতো এখন সেভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। বিপ্লবের সঙ্গীরাই তাঁকে চ্যালেঞ্জ করছেন।

বিপ্লবীরা এখন রাজনৈতিক দল গঠনের কাজে ব্যস্ত। হয়তো আগামী সপ্তাহেই তাঁদের দলের আত্মপ্রকাশ ঘটবে। তারপর হবে নির্বাচনের রোডম্যাপ। সবাই মিলে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। রাজনীতিতে ইতিবাচক ধারা ফেরাতে বিপ্লবীরা রাজনীতিতে আসছেন। তাঁদের এ উদ্যোগ অবশ্যই সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। শুধু ভেবে দেখার বিষয় হলো, সরকার ও বিপ্লবীদের ইমেজ ছয় মাসের মধ্যে যেভাবে নিম্নমুখী হচ্ছে, নির্বাচন পর্যন্ত সে গতি কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকবে। সরকারের ব্যর্থতার কথা বিপ্লবীরাই এখন বলতে বাধ্য হচ্ছেন। ব্যর্থতা যদি দিনদিন আরও প্রকট হয় এবং নির্বাচনে বিপ্লবীরা যদি আশাহত হন, তাহলে দেশ গঠনের আরও একটি সুযোগ হাতছাড়া হবে কি না ভাববার বিষয়। কারণ সম্মান ও সমৃদ্ধি অর্জন করার চেয়ে ধরে রাখা অনেক কঠিন।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা