শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:২২, রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে দরকার দ্রুত নির্বাচন

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে দরকার দ্রুত নির্বাচন

নির্বাচন নিয়ে দেশে এক অপ্রয়োজনীয় তর্ক সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন দ্রুত হোক কেউ কেউ চায় না। নির্বাচন নিয়ে কারও কারও মধ্যে গায়ে পড়ে ঝগড়া করার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। দেশে এখন একটি অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সৃষ্ট জঞ্জাল মোটামুটি পরিষ্কার করে একটি নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। এটাই জনগণের প্রত্যাশা। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের সাড়ে পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত নির্বাচনের কোনো সুনির্দিষ্ট রূপরেখা পাওয়া যায়নি। যদিও প্রধান উপদেষ্টা আশ্বস্ত করেছেন, চলতি বছরের শেষ দিকে অথবা আগামী বছরের প্রথমার্ধে নির্বাচন হবে। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে নানা রকম অনিশ্চয়তা এবং বিভিন্নমুখী কথাবার্তা রাজনৈতিক অঙ্গনকে ক্রমশ ঘোলাটে করছে। এই ঘোলাটে পরিবেশে পতিত স্বৈরাচারের পুনর্বাসনের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলেই অনেকের আশঙ্কা।

সংস্কার আগে নাকি নির্বাচন আগে? শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতিবাজ, গণহত্যাকারীদের বিচার আগে না নির্বাচন আগে এ ধরনের প্রশ্নে রাজনৈতিক অঙ্গন এখন বিভক্ত। আমার মনে হয় এই প্রশ্নগুলো অবান্তর প্রশ্ন। যারা এসব বিতর্ক উসকে দিচ্ছে তাদের অন্য মতলব আছে।

প্রথমেই বলে রাখা দরকার, সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। সংস্কার কোনো সোনার পাথরবাটি বা বটিকা নয়, এটি সেবন করলেই সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে সংস্কারের প্রয়োজন হয়। আজকে যেটি সঠিক, কালকে সেটি হয়তো পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে। এভাবেই বিশ্ব প্রকৃতি চলে। সংস্কারের কোনো নির্দিষ্ট ফর্মুলা নেই। তাই সংস্কারের সঙ্গে নির্বাচনের কোনো বৈরিতা আছে বলে অন্তত আমি মনে করি না। আবার অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের নির্বাচন সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে যে নির্বাচনগুলো হয়েছে সেই নির্বাচনগুলো শুধু প্রশ্নবিদ্ধই নয়, হাস্যকর এবং দুর্ভাগ্যজনক বটে। বিশেষ করে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিনা ভোটে নির্বাচন কিংবা ২০১৮-এর রাতের ভোট বাংলাদেশের পুরো নির্বাচনব্যবস্থাকেই কলঙ্কিত করেছে। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচন আইনের বিভিন্ন সংশোধন করেছিল। নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করা হয়েছিল। এমনকি নির্বাচনে জবাবদিহির পথও রুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এ কারণে নির্বাচন সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। তা ছাড়া বিগত সরকারের আমলে ভোটার তালিকায় বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অনেককেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তারা নানাভাবে পালিয়ে ছিলেন। কেউ কেউ জেল, জেলজুলুম-অত্যাচার সহ্য করেছেন। অনেকে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। কাজেই জনগণের একটি অংশ এত দিনের নির্বাচনে ভোটার তালিকাতে অন্তর্ভুক্ত পর্যন্ত হতে পারেননি। তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করাটা অত্যন্ত জরুরি কাজ। ভোটার নিবন্ধন, নির্বাচনের আইন সংস্কার, নির্বাচনে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ার জবাবদিহি নিশ্চিত করা ইত্যাদি সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। এই সংস্কার কাজগুলো শেষ করেই দেশকে নির্বাচনমুখী করা উচিত।

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে দরকার দ্রুত নির্বাচনদ্বিতীয় প্রশ্ন হলো, জুলাই গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া আগে শেষ হবে নাকি নির্বাচন আগে হবে? এটিও একটি অন্যটির সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়। বিচার এবং নির্বাচন দুটি ভিন্ন প্রসঙ্গ। বিচারের সঙ্গে নির্বাচনের কোনো বিরোধ নেই। বাংলাদেশের যে বিচারব্যবস্থা তা ঐতিহাসিকভাবে দীর্ঘসূত্রতায় আবদ্ধ এবং ঔপনিবেশিক আমলের আইনের বাধা। যে কারণে এই বিচারপ্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ। তা ছাড়া আইনের শাসনের প্রধান শর্তই হলো অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হতে হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ গণহত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিচার হচ্ছে। এই বিচারপ্রক্রিয়ায় যেমন স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা জরুরি, তেমনি এই বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত হওয়াটা বাঞ্ছনীয়। কিন্তু দ্রুত বিচার করতে গিয়ে যেন আইনের শাসন এবং বিচারপ্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সেটিও লক্ষ রাখতে হবে। এখানে অযাচিত, তাড়াহুড়া করার কোনো সুযোগ নেই। আর এ কারণেই বিচারের জন্য যদি নির্বাচন উপেক্ষা করে তাহলে সেটি হবে এক ধরনের কালক্ষেপণ এবং জনগণের অধিকার হরণের নামান্তর। যে রাজনৈতিক দলগুলো ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ আন্দোলনে সক্রিয় তারা সবাই একটি বিষয়ে একমত তা হলো ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টে গণহত্যার বিচার হতেই হবে। বাংলাদেশে যেন আর কখনোই ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচারের উত্থান না ঘটে সেটি নিশ্চিত করতে চায় সবাই। তাই যদি হবে তাহলে যে রাজনৈতিক দলই আসুক না কেন, তারা বিচারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাবে নিজস্ব গতিতে। আর সে কারণে বিচারের জন্য কখনোই নির্বাচন থেমে থাকা উচিত নয়।

অন্য যে সংস্কারগুলোর কথা বলা হয়েছে, সে সংস্কারগুলো কোনোভাবেই অন্তর্বর্তী সরকারের এখতিয়ারভুক্ত নয়। তাদের এটা করাও উচিত না। যেমন সংবিধান সংস্কার। সংবিধান সংস্কারের একমাত্র প্ল্যাটফরম হলো জাতীয় সংসদ অর্থাৎ যারা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। জাতীয় সংসদ ছাড়া সংবিধান সংস্কারের কোনো এখতিয়ার আর কারও থাকতে পারে না। সংবিধান সংস্কার কমিশন একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। এই রিপোর্টের ভালোমন্দ ইত্যাদি বিচারবিবেচনা করবে জনগণ। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংসদে আলোচনা হবে। জনগণের মতামতের ভিত্তিতে কতটুকু গ্রহণ করা হবে, কতটুকু বর্জন করা হবে সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু জনগণকে অন্ধকারে রেখে একটি অনির্বাচিত সরকারের সংবিধান সংস্কার করাটা উচিত হবে না। এটি একটি খারাপ দৃষ্টান্ত হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখলাম, পুলিশ, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পোশাক পরিবর্তন করা হয়েছে। এটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। এই কাজগুলো অপ্রয়োজনীয়। একটি অনির্বাচিত সরকার গণ অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে যারা দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে তাদের এসব কাজ করার দরকার কী? দেশকে পলিথিনমুক্ত করার দায়িত্ব এই সরকারের নয়। দেশে হাজারটা সমস্যা, যে সমস্যাগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে সমাধান সম্ভব নয়। সাধারণ মানুষের জীবন গত সাড়ে পাঁচ মাসে এমনিতেই দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি ঘটেছে। যেখানে সেখানে ছিনতাই হচ্ছে, রাহাজানি হচ্ছে। অর্থনীতির অবস্থা এখন শোচনীয়। ব্যবসায়ীরা রীতিমতো হাহাকার করছেন। বহু বড় বড় শিল্পোদ্যোক্তা এখন ব্যবসা বন্ধ করে মানসম্মান নিয়ে বাঁচতে চাইছেন। এ রকম পরিস্থিতি যদি চলতে থাকে তাহলে অর্থনীতি ধ্বংস হতে বেশি সময় লাগবে না। আর তাই আমাদের অর্থনীতির দিকে নজর রাখা উচিত। ঢালাওভাবে ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা হচ্ছে। বিভিন্ন ব্যবসায়ীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হচ্ছে। ব্যাংকঋণে সুদের হার বেড়েছে। ডলার সংকট তীব্র। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কথা শোনা যাচ্ছে। অর্থাৎ বিনিয়োগের সব দরজা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতি যদি চলতে থাকে তাহলে বাংলাদেশের সামনে এক কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। আর এ জন্যই অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত দ্রুত নির্বাচন দেওয়া। কারণ অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণ দরকার। সে জন্য দরকার একটি রাজনৈতিক সরকার। ব্যবসায়ীরা উন্নয়নের সহায়ক। কিন্তু এই অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু জনবিচ্ছিন্ন ব্যক্তি ব্যবসায়ীদের যেন অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে চাইছেন। এটি একটি ভয়ংকর প্রবণতা। এই প্রবণতা বন্ধ হওয়া দরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের সাড়ে পাঁচ মাসের শাসনে কোথাও কোনো শৃঙ্খলা নেই। এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিজেই স্বীকার করছেন, এই কাজে তিনি অভিজ্ঞ নন। তিনি এসেছেন, দায়িত্ব নিয়েছেন এবং চেষ্টা করছেন। ভুলত্রুটি হচ্ছে, তাঁরা ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না। নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীরের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টার স্বীকারোক্তি বলে দেয়, যার কাজ তাকেই করতে হবে। রাজনীতিবিদদেরই দেশ পরিচালনার চালকের আসনে বসতে হবে, সঠিক গন্তব্যের জন্য।

এ কথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই, দীর্ঘ ১৫ বছরের অপশাসনের ফলে দেশ একটি গভীর সংকটে। দেশের অর্থ পাচার, লুণ্ঠনের কারণে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। মুষ্টিমেয় কিছু গোষ্ঠীর লুটপাটের কারণে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি হয়েছিল সংকটময়। তা ছাড়া দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য গুম, খুন, হত্যাসহ নানা রকম অপকর্ম সংঘটিত হয়েছিল। এসব কিছুর প্রেক্ষাপটে ৫ আগস্ট বিপ্লবে দেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু গত পাঁচ মাসে এই সরকার বিপ্লবী চেতনাকে ধারণ করে একটি নতুন বাংলাদেশ পরিকল্পনায় এগোতে পারেনি। বরং মুষ্টিমেয় কিছু ব্যক্তির ক্ষমতালিপ্সা এবং নানা রকম বিভ্রান্তিকর চিন্তাভাবনা দেশকে নতুন সংকটের মধ্যে দাঁড় করিয়েছে। এ সংকট থেকে উত্তরণের একটি উপায় হলো জনগণের ক্ষমতায়ন। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

প্রশ্ন হলো, নির্বাচন বিলম্বিত হলে কার লাভ? এই নির্বাচন বিলম্বিত হলে কি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বা নাগরিক কমিটির লাভ হবে? আমি তা মনে করি না। ৫ আগস্ট সময় পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যে জনপ্রিয়তা ছিল, তাতে এখন ভাটার টান। তাদের মধ্যে এখন নানা রকম অনৈক্যের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাদের দূরত্ব আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা অনেকের। ছাত্রসমাজ বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছে- এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু এখন তাদের থামতে হবে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করতে হবে। আমাদের ছাত্রসমাজ হবে জনগণের বিবেকের কণ্ঠস্বর। যেখানে অন্যায় হবে, যেখানে অনিয়ম হবে সেখানে তারা কথা বলবে। তাহলে শিক্ষার্থীদের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, সম্মান, শ্রদ্ধা অটুট থাকবে। কিন্তু তারাই যদি রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষায় আগ্রহী হয়; ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির মধ্যে নিজেদের জড়িয়ে ফেলে, তাহলে জনগণ হতাশ হবে। নির্বাচন যত পেছাবে ততই আগস্ট বিপ্লবের সূর্যসন্তানদের বিতর্কিত করা হবে। তাই নির্বাচন বিলম্বিত হলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বা নাগরিক কমিটির কোনো লাভ হবে না। এই নির্বাচন পিছিয়ে গেলে কি সাধারণ মানুষের লাভ হবে? কারণ ভ্যাট বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ইত্যাদি নানা কারণে মানুষের এখন নাভিশ্বাস উঠেছে। রাজনৈতিক চিন্তাচেতনায় অনভিজ্ঞদের দ্বারা এই সংকট সমাধান হবে না। নির্বাচন পেছালে জনগণের চেয়েও ক্ষতিগ্রস্ত হবে এই সরকার। তাদের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচন পিছিয়ে গেলে কি লাভ হবে? নির্বাচন যতই পেছাবে ততই বাংলাদেশের পুরনো ফ্যাসিবাদ আবার নতুন করে আত্মপ্রকাশ চেষ্টা করবে। নানা ফাঁকফোকর দিয়ে তারা পুনর্বাসিত হবে। আর সাধারণ মানুষকে তারা বিভ্রান্ত করবে। নতুন করে সংগঠিত হবে। অর্থাৎ আমরা যদি একটু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করি, তাহলে দেখব যে নির্বাচন পেছালে ক্ষতি সবার, লাভ শুধু পতিত স্বৈরাচারের। আর সে কারণেই এখন প্রয়োজন দ্রুত নির্বাচন করা। ইতোমধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে জুলাই-আগস্টের মধ্যে নির্বাচন করার জন্য আওয়াজ তোলা হয়েছে। এই দাবিটি যুক্তিযুক্ত বলেই বেশির ভাগ মানুষ মনে করে। দ্রুত একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন যদি না করা যায় তাহলে নানা রকম ষড়যন্ত্র দানা বেঁধে উঠবে। ইতোমধ্যে নতুন করে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। কান পাতলেই নানা রকম কথা শোনা যায়। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির একটাই উপায় তা হলো নির্বাচন। তা না হলে ফ্যাসিবাদ এবং পতিতদের ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন ঠেকাতেই প্রয়োজন দ্রুত নির্বাচন।

লেখক : নাট্যকার ও কলাম লেখক

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

২ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ
ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা