শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫

রাষ্ট্রনেতাদের মোলাকাত : নানা প্রসঙ্গ

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
রাষ্ট্রনেতাদের মোলাকাত : নানা প্রসঙ্গ

আমেরিকার নবনিযুক্ত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খ্যাপাটে বিশ্বনেতা হিসেবে প্রথম মেয়াদে নাম কিনেছেন। দ্বিতীয় মেয়াদের শপথ গ্রহণের আগেই তিনি পানামা খাল দখলের হুমকি দিয়েছেন। মেক্সিকো ও কানাডার সঙ্গে জড়িয়েছেন বাগ্যুদ্ধে। অনেকে তাঁকে তুলনা করেন সাবেক রাশিয়ান নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভের সঙ্গে। তবে বোদ্ধাজনদের ধারণা, ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি-ধমকি যা-ই দিন, বিশ্ববাসীর জন্য দুর্ভোগ বয়ে আনবেন না।

অনেকেরই জানা, মিসরকে বলা হয় জামাল আবদেল নাসেরের দেশ। জীবদ্দশায় আরব বিশ্বের কণ্ঠস্বর হিসেবে বিবেচিত হতেন তিনি। আরব জাতীয়তাবাদের জনক হিসেবেও স্মরণ করা হয় এ নেতাকে। অথর্ব অযোগ্য রাজা ফারুককে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশের হাল ধরেন কর্নেল নাসের। বলা হয়, রাজপ্রাসাদে বসে মদ, নারী ও জুয়া নিয়ে মেতে থাকা ছাড়া রাজা ফারুকের কোনো যোগ্যতা ছিল না। নাসের ক্ষমতায় এসে মিসরকে শুধু রাজতন্ত্রের অভিশাপ থেকে মুক্তি দেননি, মুক্তি দেন গোলামি ও পশ্চাৎপদতার অভিশাপ থেকে। রাজা ফারুক ছিলেন ব্রিটিশ-ফরাসি সাম্রাজ্যবাদের তাঁবেদার। মিসর ছিল নামেমাত্র স্বাধীন। কলকাঠি ছিল ব্রিটিশ ও ফরাসিদের হাতে। এ দেশের আয়ের প্রধান উৎস ছিল তখন সুয়েজ খাল থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব। অথচ এ খালের মালিকানা ছিল ব্রিটিশ ও ফরাসিদের হাতে। খালের ওপর মালিকানা বজায় রাখতে মিসরে ব্রিটিশ ও ফরাসি সৈন্য মোতায়েন ছিল। যা সে দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর বিষফোড়া হিসেবে বিবেচিত হতো।

নাসের ক্ষমতায় এসে সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেন। ক্ষুব্ধ ব্রিটেন ও ফ্রান্স নাসেরের স্পর্ধাকে সহজে মেনে নিতে পারেনি। আরব বিশ্বের ওপর তাদের খবরদারি শেষ হয়ে যাওয়ার ভয়ে আঁতকে ওঠে তারা। ১৯৫৬ সালে ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে তারা আক্রমণ চালায় মিসরের ওপর। মিসরের পক্ষে এ হামলা রোধ করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু নাসেরের কৃতিত্বে তারা হামলার সুফলও ভোগ করতে পারেনি। নাসের সুয়েজ খাল জাতীয়করণের পরিণাম সম্পর্কে সতর্ক ছিলেন। তিনি আগে থেকে বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছিলেন সোভিয়েত রাশিয়ার সঙ্গে। তখন রাশিয়ায় ক্ষমতায় ছিলেন নিকিতা ক্রুশ্চেভ। মিসরে ইঙ্গ-ফরাসি হামলার বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান তিনি। সাফ সাফ বলে দেন, মিসর থেকে ব্রিটেন ও ফ্রান্স তাদের সৈন্য না সরালে মস্কো তাতে হস্তক্ষেপ করবে। ক্রুশ্চেভের এ হুমকিতে কাজ হয়। কারণ তিনি ছিলেন কথা ও কাজে এক। ব্রিটেন ও ফ্রান্স জানত তারা সৈন্য প্রত্যাহার না করলে ক্রুশ্চেভ ঠিকই এগিয়ে আসবেন। বেঁধে যাবে আরও বড় যুদ্ধ। সবচেয়ে বড় কথা- যুক্তরাষ্ট্র মিসরের ওপর আক্রমণ মেনে নেয়নি। যা ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে পিছু হটতে বাধ্য করে। পরাশক্তি হিসেবে ব্রিটেনের ভাবমূর্তিতে ধস নামে।

মিসরের বিপদের দিনে ক্রুশ্চেভের এ ভূমিকা নাসের কখনো ভোলেননি। তিনি সিদ্ধান্ত নেন ক্রুশ্চেভের সঙ্গে দেখা করবেন। শুরু হয় মস্কো যাওয়ার প্রস্তুতি। ১৯৬৪ সালে মস্কো সফরের আগে প্রস্তুতি নিতে গিয়েই জামাল আবদেল নাসের পড়েন কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থায়। তাও এক মজার কাহিনি। নাসেরের অভ্যাস ছিল কোনো ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হওয়ার আগে তার সম্পর্কে ধারণা নেওয়া। এ উদ্দেশ্যে তথ্য ও উপাত্তের চেয়ে তিনি গুরুত্ব দিতেন সে ব্যক্তির ছবিকে। বিশেষ করে রাষ্ট্রনায়ক ও বিদেশি নেতাদের সঙ্গে দেখা করার আগে বিভিন্ন ভঙ্গিমার ফটো দেখে মন-মানসিকতা সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করতেন। ক্রুশ্চেভের সঙ্গে দেখা করার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হয়নি। সোভিয়েত নেতার যেসব ছবি তিনি তাঁর পররাষ্ট্র দপ্তরের মাধ্যমে সংগ্রহ করেন তার একটি ছিল জাতিসংঘের। কিউবা সংকট নিয়ে তখন বিতর্ক চলছিল। সে বিতর্কে মুখোমুখি অবস্থান নেয় মস্কো ও ওয়াশিংটন। আমেরিকা কিউবায় হস্তক্ষেপ করতে চেয়েছিল। কিন্তু মস্কো পারমাণবিক অস্ত্রবাহী যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর হুমকি দেয়। সে হুমকির কাছে কিউবা গ্রাসের ইচ্ছা ত্যাগ করতে বাধ্য হয় আমেরিকা। যাই হোক, এ নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্কের সময় স্তম্ভিত হওয়ার মতো এক ঘটনা ঘটে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে কিউবা বিতর্ক নিয়ে ভাষণ দেওয়ার সময় এতটা হইচই শুরু হয় যে, ক্রুশ্চেভ বেশ বিরক্তিবোধ করেন। কিছুতেই তাঁর প্রতি অধিবেশনের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারছিলেন না। শেষে ক্ষুব্ধ হয়ে টেবিলে পা উঠিয়ে চাপড়ানো শুরু করেন। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শক্তির কর্ণধারের এ আচরণে স্তম্ভিত হয়ে যান বিশ্বনেতারা। পিনপতন স্তব্ধ নীরবতা নেমে আসে মুহূর্তের মধ্যে। নাসের ছবিটি দেখে ক্রুশ্চেভের মন-মানসিকতার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে হোঁচট খেলেও তাঁর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা ত্যাগ করেননি। দুই নেতার মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্কও ছিল বেশ উষ্ণতায় ভরা। রাশিয়া সফরকালে নাসেরকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান অর্ডার অব লেনিন পদকে ভূষিত হন নাসের।

রাষ্ট্রনেতাদের মোলাকাত : নানা প্রসঙ্গকিউবান নেতা ফিদেল কাস্ত্রো বিদেশি দর্শনার্থীদের মন জয়ের জাদু জানতেন এমনটিই ভাবা হতো। তাঁর সঙ্গে যারাই দেখা করেছেন তাঁদের প্রায় সবাইকেই বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করতে পেরেছেন তিনি। বঙ্গবন্ধুকে দেখে তিনি বলেছিলেন, আমি হিমালয় দেখিনি, তবে শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসিকতায় এ মানুষটি হিমালয়। বিশ্বনেতাদের সঙ্গে মোলাকাতে ভেনেজুয়েলার প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজ ছিলেন অনন্য গুণের অধিকারী। বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বিমানবন্দরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে চুমো খেয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। পশ্চিমা কিংবা লাতিন কালচারের ক্ষেত্রে এটি মানানসই হলেও বাংলাদেশি নেত্রীর জন্য ছিল কিছুটা হলেও বিব্রতকর।

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও কারও সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আগে তার সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিতেন। নাসেরের মতো প্রার্থিত ব্যক্তির ছবির প্রতি আগ্রহ না দেখালেও তথ্য-উপাত্তের দিকে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কারও সঙ্গে দেখা-সাক্ষাতের আগে পূর্ব প্রস্তুতির ধার ধারতেন না। তবে তিনি ছিলেন এক অবাক গুণের অধিকারী। কারও সঙ্গে পরিচয় হলে মনের ক্যামেরায় তাঁর ছবি এঁকে রাখতে পারতেন। ২০-২৫ বছর পর দেখা হলেও পূর্ব পরিচিতির বিষয়টি স্মরণে আনতে পারতেন অনায়াসে। এমনকি নামধাম পরিচয়ও বলতে পারতেন প্রায় নির্ভুলভাবে। শেখ সাহেবের এ স্মরণশক্তিকে তাঁর রাজনৈতিক সমালোচকরাও প্রশংসা করেছেন।

সাবেক সোভিয়েত নেতাদের সঙ্গে দেখা করার ক্ষেত্রে মার্কিনসহ পশ্চিমা নেতারা স্নায়ুর চাপে ভুগতেন। প্রেসিডেন্ট রিগ্যানের সঙ্গে গর্বাচেভের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আলোচনা বিশ্ব শান্তির ক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখে। রিগ্যান প্রথম জীবনে ছিলেন সিনেমার অভিনেতা। বেশ কিছু ছবিতে তিনি নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তবে অভিনয় ক্ষেত্রে রিগ্যান তেমন সাফল্য দেখাতে পারেননি, যা উল্লেখ করা যায়। সম্ভবত অভিনেতা হিসেবে ততটা সফল ছিলেন না বলেই তিনি সে পেশা ত্যাগ করে রাজনীতিতে নামেন। রাজনীতির নাট্যমঞ্চে তিনি ছিলেন এক শ ভাগ সফল। কিন্তু সোভিয়েত নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের আগে রিগ্যান এতটাই নার্ভাস বোধ করতেন যে, তা কাটিয়ে উঠতে আগে থেকে রিহার্সেল দিতেন। কীভাবে প্রতিপক্ষকে অভ্যর্থনা জানাবেন, কীভাবে কথা শুরু করবেন, এ নিয়ে দীর্ঘ চিন্তাভাবনায় ব্যস্ত থাকতেন। পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউল হক চেহারায় কাঠখোট্টা হলেও দর্শনার্থীদের মন জয়ে পটু ছিলেন। অতিথিদের অভ্যর্থনা ও আপ্যায়নে তিনি ফরমালিটির ধার ধারতেন না। স্বদেশিদের ওপর কড়া শাসনের কুখ্যাতি অর্জন করলেও বিদেশিদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে এ জেনারেল ছিলেন সফল। পাকিস্তান সফররত বিদেশি রাজনৈতিক নেতা ও কূটনীতিকদের সঙ্গে তাঁর আচরণ ছিল আন্তরিক। বাংলাদেশের এক রাজনৈতিক নেত্রীর অভিজ্ঞতায় তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। জিয়াউল হক এ নেত্রীকে তাঁর রেস্ট হাউসে পৌঁছে দিতে পুত্র এজাজুল হককে গাড়ি ড্রাইভের নির্দেশ দেন।

পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সময়জ্ঞান ছিল টনটনে। প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান একবার তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ফিরে আসেন একরকম অপমানিত হয়ে। মিনিটখানেক বিলম্ব হওয়ার গাফিলতিকে মেনে নেননি জিন্নাহ সাহেব। শোনা যায়, নেতার এ স্বেচ্ছাচারী মনোভাবে লিয়াকত আলী খান ক্ষুব্ধ হন। জিন্নাহকে একরকম বিনা চিকিৎসায় মরতে হয়। একবার অসুস্থ অবস্থায় স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে করাচিতে আনার সময় বিমানবন্দরে তাঁকে রিসিভ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী দূরের কথা কোনো সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন না। প্রায় অচেতন জিন্নাহকে বিমান থেকে নামিয়ে বিমানবন্দরের মাটিতে ফেলে রাখা হয়। তাঁর শরীরের ওপর পিঁপড়ে উঠে গেলেও তা দেখার কেউ ছিল না। অথচ আমৃত্যু তিনি ছিলেন পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল। স্বাধীন পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা তো বটেই। জিন্নাহর বোনের ক্ষোভ এ নিষ্ঠুর আচরণের পেছনে লিয়াকত আলী খানের ইশারা ছিল।

চীন-ভারত সম্পর্ককে আর যাই হোক বন্ধুত্বপূর্ণ বলে ভাবা কঠিন। অথচ একসময় ভারত ছিল চীনের সবচেয়ে বড় বন্ধু। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি। ভারতের প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস। এ উপলক্ষে রাজধানী বেইজিংয়ের ভারতীয় দূতাবাসে অভ্যর্থনার আয়োজন করা হয়। সে অনুষ্ঠানে চীনের সর্বোচ্চ নেতা মাও সে তুং প্রটোকল ভেঙে সস্ত্রীক উপস্থিত হন। এ ধরনের অনুষ্ঠানে বড়জোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যোগদানই যথেষ্ট। কিন্তু ভারতের প্রতি বন্ধুত্বের গভীরতা প্রমাণে চীনের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নেতা তাতে উপস্থিত হন। ১৯৫০ সালের ২ অক্টোবর। কোরিয়া যুদ্ধ তখন তুঙ্গে। এ যুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘকে শিখণ্ডি বানিয়ে আরও ২০টি দেশকে সঙ্গে নিয়ে তারা উত্তর কোরিয়ার অগ্রাভিযান বন্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। চীন সাফ সাফ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র দুই কোরিয়ার অস্থায়ী সীমারেখা অতিক্রমের চেষ্টা করলেই তারা উত্তর কোরিয়ার পক্ষে যুদ্ধে নামবে। এ সিদ্ধান্তটি প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাই বন্ধু প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে জানাতে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে রাতে ডেকে পাঠান। যাতে ভারতের পক্ষ থেকে চীনের মনোভাব যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দেওয়া হয়। রাষ্ট্রদূত কে এম পানিক্কর চীনা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে স্তম্ভিত হয়ে যান। দেখেন প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাই তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে বাসভবনের আঙিনায় দাঁড়িয়ে আছেন। তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই দেশের বন্ধুত্বে ফাটল ধরে। সে ফাটল কোনো দিন জোড়া লাগেনি।

বিদেশি নেতাদের সঙ্গে মোলাকাতে মাও সে তুংয়ের আন্তরিকতার তুলনা খুঁজে পাওয়া ভার। আমাদের অন্যতম জাতীয় নেতা মওলানা ভাসানী চীন সফর করেন সেই পাকিস্তান আমলে। চীনের সর্বোচ্চ নেতা মাও সে তুংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতেরও সুযোগ পান তিনি। মওলানা ভাসানীকে একজন রাষ্ট্রপ্রধানের মতোই বরণ করেন চীনের সর্বোচ্চ নেতা। রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুও ছিলেন অতুলনীয়। ১৯৫৮ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় ছিটমহল বিনিময়ের চুক্তি। এ উপলক্ষে দিল্লিতে যান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ফিরোজ খান নূন। মিস্টার ও মিসেস নূন দেশে ফেরার সময় ঘটে এক বিব্রতকর ঘটনা। সিঁড়ি বেয়ে বিমানে ওঠার সময় হঠাৎ পা ফসকে পড়ে যায় ভিকারুননিসা নূনের এক পায়ের হাইহিল জুতা। সবাইকে অবাক করে নেহরু নিজে হাইহিল জুতা কুড়িয়ে বিমানের সিঁড়ির ওপরে বিব্রত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকা ম্যাডাম নূনের হাতে তুলে দেন। সৌজন্যবোধ হয়তো একেই বলে।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

১ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ
ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান
পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার
নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৭
যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৭

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাওরে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার
হাওরে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

২৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা