শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

২০২৫ হোক সফল নির্বাচনের সুবর্ণ বছর

মেজর নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ (অব.) পিএইচডি
প্রিন্ট ভার্সন
২০২৫ হোক সফল নির্বাচনের সুবর্ণ বছর

২৯ নভেম্বর ২০২৪ বাংলাদেশ প্রতিদিনে আমি কোথা থেকে কখন যে কী হয়ে গেল শিরোনামে একটি নিবন্ধ লিখেছিলাম। তখন হঠাৎ করে ট্রাকে ট্রাকে মানুষ শাহবাগের দিকে ধেয়ে আসছিল বিনা সুদে ঋণ পাওয়ার মিথ্যা ঘোষণা শুনে।

রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মাঠ প্রশাসন, আর বিপ্লব ঘটানো ছাত্র-জনতার কাতারে থাকা লড়াকু মানুষগুলো সজাগ থাকলে মাইক্রো ভাড়া করা, লোকজন জড়ো করে গাড়িতে ওঠা, যে বাস-ট্রাক রাজধানীতে দিনের বেলা ঢোকার কথা নয়, সেসব বাস বা ট্রাক সবার চোখের সামনে দিয়ে ঢুকে শাহবাগ পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া অবশ্যই ঠেকানো যেত। এমন সব সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা দায়িত্ব যাদের, তারা তাদের দায়িত্ব পালন না করলেও ঠিকই কিন্তু যার যার অবস্থানে এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। তাদের অবস্থা বর্ণনা করে প্রয়াত কবি শামসুর রাহমান তাঁর নিজ বাসভূমে কাব্যগ্রন্থে দুঃস্বপ্নে একদিন কবিতায় লিখেছিলেন- সরকারি বাসে চড়ছি, দরকারি কাগজ পড়ছি, কাজ করছি, খাচ্ছি দাচ্ছি, ঘুমাচ্ছি, কাজ করছি, খাচ্ছি দাচ্ছি, চকচকে ব্লেডে দাড়ি কামাচ্ছি, দুবেলা পার্কে যাচ্ছি, মাইক্রোফোনে কথা শুনছি, ঝাঁকের কই ঝাঁকে মিশে যাচ্ছি। এভাবেই ১৯৭১, ১৯৭৫, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০২৪-এ স্বার্থপর ও ধান্দাবাজেরা আগের জমানায় সমাজ আর বঞ্চিত হওয়ার চিত্র এঁকে এঁকে ঝাঁকে মিশে যেতে সময় নেয়নি।

আমি যখন এ লেখাটি লিখছি তখন সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম- খুব অস্বাস্থ্যকর বাতাস নিয়ে বিশ্বে দ্বিতীয় দূষিত শহর ঢাকা। অথচ সেই ১৯৭০ সালে কবি শামসুর রাহমানের নিজ বাসভূমে কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল, যার একটি অংশে এ দুঃস্বপ্নে একদিন কবিতাটির স্থান পেয়েছিল। মজার বিষয় হলো, শহুরে এ কবি এ কবিতায় তখনই লিখেছিলেন- নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে, মাটি কাটছে ট্রাক্টর, ফ্যাক্টরি ছাড়ছে ধোঁয়া, কাজ হচ্ছে- কাজ হচ্ছে, কাজ করছি, খাচ্ছি দাচ্ছি ঘুমাচ্ছি, কাজ করছি...। আসলে সবাই কাজ করছে, কাজ হচ্ছে, সেই সঙ্গে কাজের নামে অকাম-কুকাম এসব থেমে নেই বলে বিশ্বের অন্যতম দূষিত শহরে আমরা প্রায় ২ কোটিরও বেশি মানুষ বসবাস করছি, বুক ভরে বিষ নিচ্ছি, খাচ্ছি দাচ্ছি, ঘুমাচ্ছি আর ঘুমাচ্ছি।

এসব দেখে শহুরে কবিরা যখন কবিতা লেখেন আর গ্রামের তাজা বাতাস খাওয়া সহজসরল বাউলরা নেচে নেচে গান গেয়ে বেড়ান- তোরা বাতাস কর, বাতাস কর, বাতাস কর সখী, মাথায় পানি ঢাল তোরা, যা করার তা কইরা গেছে, আমার বন্ধু মনচোরা। পরিস্থিতি কি তাহলে সত্যি এ রকম? আমরা সাধারণ জনগণ কি কেবল বাতাস করে যাব আর পানি ঢালব কর্তাব্যক্তিদের মাথায়? আর ধান্দাবাজরা যা করার তা করে যাবে? সেই ২৯ নভেম্বর আমি আসন্ন এক মাসে তথা বছরের শেষ ও নতুন বছরের শুরুতে কোন বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন তা ইঙ্গিত করতে গিয়ে পাঠ্যবই সময়মতো শিক্ষার্থীদের হাতে না পৌঁছানোর শঙ্কাও প্রকাশ করেছিলাম। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এত দিন যারা পাঠ্যবই ছাপানোর নামে নয়ছয় করেছেন, তারা এখন পাঠ্যবই প্রকাশে বিলম্ব দেখে হাসছেন। অন্যদিকে বইয়ের শেষে জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকা কিংবা রংপুরের বীর শহীদ আবু সাঈদের ভুল মৃত্যু তারিখ দেখে অট্টহাসিতে লুটোপুটি খাচ্ছে আগের আমলে বইয়ে গুগলের অনুবাদ নিজের লেখা বানিয়ে চালিয়ে দেওয়া এবং সম্মানী গ্রহণ করা সুশীল সমাজ। আসলে চোরেরা ধর্মের কাহিনি শোনে না, যা করার তা করে যায় আর আমলারা কী পেলাম আর কী পেলাম না কিংবা পেয়েও হারালাম কী কী- এসব হিসাব করতে করতে একদিন পেনশনে চলে যান। আবার সুযোগ পেলে পেনশন ফিরে বৈষম্যের ধুয়া তুলে আবারও খাচ্ছি যাচ্ছি কিন্তু বঞ্চিত হচ্ছি আওয়াজ তোলেন। আর এতেই দেশ ও জনগণের যাচ্ছি যাচ্ছি অবস্থা।

গত সপ্তাহজুড়ে আলোচিত ছিল নির্বাচন প্রসঙ্গ। নির্বাচন শব্দটি দীর্ঘদিন এ দেশে নির্বাসিত ছিল, না নির্বাচন নামে সার্থক কোনো কিছুর অস্তিত্ব স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে কোনো দিন এ দেশে ছিলই না বা ছিল, এ নিয়ে বিতর্ক আছে। সেই ১৯৭৩ সালে জাতীয় নির্বাচনে হেলিকপ্টারে করে ব্যালট বাক্স তুলে এনে ঢাকায় গণনা ও ফল ঘোষণার কাহিনি আজও মনে পড়ে দাউদকান্দিবাসীর। ১৯৭৫ সালে বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে তথা বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) নামক একটি মাত্র দল এবং একজন নেতা ছাড়া বাকি সবকিছু নিষিদ্ধের আয়োজন করা হয়েছিল। বাকশাল কায়েম হলে আসলে প্রকৃত অর্থে নির্বাচন করার কোনো প্রয়োজনই হয়তো এ দেশে হতো না। এর বিপরীতে দেশ পেল জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসন ও হ্যাঁ-না ভোট নামক নতুন রেফারেন্ডামে (গণভোট) তখন কোনো কোনো কেন্দ্রে শতভাগেরও বেশি ভোট প্রদানের ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছিল।

২০২৫ হোক সফল নির্বাচনের সুবর্ণ বছরজিয়ার পর এরশাদ এলেন, দেখলেন, নির্বাচন নিয়ে খেললেন। মুখে খেলা হবে না বললেও কাজকর্মে ঠিকই বুঝিয়ে দিলেন নির্বাচন তার কাছে হিন্দি সিনেমায় অমিতাভের বিখ্যাত সংলাপ- ইয়ে তো মেরা বাচপান কা খেল হ্যায় জেলার সাব-এর মতো নির্বাচনও তার কাছে ছোটবেলার খেলার চেয়ে বেশি কিছু নয়। যাকেতাকে ধরে জনপ্রতিনিধি বানিয়ে দেওয়া নির্বাচন আয়োজন তার প্রতিদিনের গলফ খেলার মতো বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। আন্দোলন-সংগ্রাম ও বিপ্লবের মধ্য দিয়ে এরশাদ বিদায় নিলেন।

প্রথম একটি প্রকৃত নির্বাচনের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ১৬৮ আসন পেয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। কিন্তু বিরোধী আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি তা মানতে পারল না। পাঁচ বছর পর ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ১৪৬ আসন পেয়ে সরকার গড়ল আওয়ামী লীগ, মানল না বিএনপি। ২০০১-এর নির্বাচনে বিএনপি ১৯৩ আসন পেয়ে সরকার গঠন করলেও আওয়ামী লীগ দাবি করল ভারতের কাছে গ্যাস বিক্রি না করায় তাদের হারিয়ে দিয়েছে আমেরিকা। বিএনপির ২০০৬ সাল মেয়াদ শেষের আগে নির্বাচন নিয়ে নানা জটিলতা সৃষ্টি হলো। ফলে দেশে আবির্ভূত হলো সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। দুই বছর কোনো প্রকার জাতীয় নির্বাচনবিহীন ছিল বাংলাদেশ।

এরপর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার আয়োজিত ২০০৮-এর ভোটে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ২০১৪ সালে ভোটবিহীন ১৫৩ জন সংসদ সদস্য নিযুক্তির নির্বাচন, ২০১৮ সালে রাতের নির্বাচন ও ২০২৪-এ ভোটারবিহীন নির্বাচন উপহার দিল। আরও উপহার দিল বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিদেশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসগুলোর নাক গলানোর নতুন অধ্যায়। এভাবেই প্রকৃতপক্ষে নির্বাসিত ছিল নির্বাচন শব্দটি।

জুলাই বিপ্লবে সামনে ছিল ছাত্রসমাজ। যারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিতই হতে পারত না। তাই ২০২৫ সালে সবার আগে তাদের নির্বাচনের ব্যবস্থা করে দেওয়া জাতির নৈতিক দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে সব বাধা উপড়ে ফেলে প্রকৃতপক্ষে দেশের ছাত্রসমাজ কী চায়, তা প্রমাণ ও প্রকাশের সুযোগ দিতে হবে। এটা দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক অবস্থানে কোন দল, মত বা সংগঠন কোন অবস্থানে আছে, তারও একটা পূর্বাভাস দেবে, যা পরবর্তী সময়ে জাতীয় নির্বাচনে করণীয় পন্থা উদ্ভাবনে সহায়তা করবে সব অংশীজনকে। নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পেলে কাউকে নির্বাচিত না করার মতো কিংবা কাউকে না ভোট দেওয়ার মতো যত পরীক্ষা-নিরীক্ষা আছে, সব করা যেতে পারে ছাত্র সংসদের এ নির্বাচনগুলোতে। ফলে তা একটি সুন্দর নিরীক্ষাও হয়ে যেতে পারে।

দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় পর্যায়ে কোনো জনপ্রতিনিধি না থাকায় এক অসহায় অবস্থার মধ্যে রয়েছে প্রান্তিক জনগণ। সামান্য একটি জন্মনিবন্ধন বা উত্তরাধিকার সনদপ্রাপ্তি এখন প্রান্তিক জনগণের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধিরা পালিয়ে যাওয়ার কারণে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও তাই অবিলম্বে আয়োজন করা উচিত এবং এ নির্বাচনেও না ভোট বা নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পেলে কাউকে নির্বাচিত ঘোষণা না করার সুযোগ রেখে নিরীক্ষা করা যেতে পারে।

এসব নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় পরবর্তী সময়ে অবশ্যই জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে হবে এবং তত দিনে সব দল ও সংগঠন তাদের যার যার অবস্থান বুঝতে পারবে এবং সেই মোতাবেক সংশোধিত হয়ে কিংবা নতুন কর্মকৌশল নির্ধারণ করে একটি সার্থক নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে। ২০২৫ হোক সফল নির্বাচনের সুবর্ণ বছর।

লেখক : গবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

ইমেইল: [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

১ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ
ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান
পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার
নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

২৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা