শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৭ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:১৪, মঙ্গলবার, ০৭ জানুয়ারি, ২০২৫

বিশ্বাস আর স্বপ্নের আলিঙ্গন

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
বিশ্বাস আর স্বপ্নের আলিঙ্গন

প্রতিশোধস্পৃহাজনিত উন্মত্ততায় ভোগা ব্যক্তিদের কাজকারবার দেখলে আমোদিত হন অনেকে। কেউ কেউ হন রুষ্ট। দুই কিসিমেরই অভিজ্ঞতা আছে আমার। ওই অভিজ্ঞতা অর্জনকালে আমি হই স্মৃতিকাতর। তখন কেবলই যাঁকে মনে পড়ে তিনি সাহিত্যিক-সাংবাদিক আবু জাফর শামসুদ্দিন (জন্ম : ১২ মার্চ-১৯১১, মৃত্যু : ২৪ আগস্ট ১৯৮৮)। তাঁকে আমরা তাঁর ভাষায় ‘চ্যাংড়া সাংবাদিকরা’- জাফর ভাই বলে সম্বোধন করতাম। দুনিয়ায় অল্প যে কজনকে অতি উচ্চমানের মানুষ বলে মানি তাঁদের একজন এই আবু জাফর শামসুদ্দিন।

‘বৈহাসিকের পার্শ্বচিন্তা’ শিরোনামে দৈনিক সংবাদ-এ কলাম লিখতেন একুশে পদকজয়ী (১৯৮৩) আবু জাফর শামসুদ্দিন। ‘অল্পদর্শী’ ছদ্মনামে লিখতেন। সংবাদ-এ কাজ করতাম বলেই বিরাট মাপের এই মানুষটির সঙ্গে মাঝেমধ্যে ভাববিনিময়ের সুযোগ পাই। তাঁর লেখা ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ বাংলা সাহিত্যের অনন্য গ্রন্থ। তাঁর লেখা গল্প, উপন্যাস ইংরেজি, হিন্দি, উর্দু, মারাঠি ও জাপানি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তাঁর স্নেহছায়া পেয়ে আমরা গর্বিত।

রাজধানীর রাজারবাগে আবু জাফর শামসুদ্দিনের মাঝারি মানের বাসভবন। পাশে আরেকটি ছোট্ট বাসা, এটা তিনি সংসার খরচের ক্ষেত্রে বরকত হবে, এই আশায় ভাড়া দিতেন। আমার অনুরোধে তিনি ফাহিম নামে সদাগরি অফিসের এক তরুণ কর্মকর্তাকে ওই বাসায় সপরিবার থাকতে দেন। তাঁকে ‘চাচা’ ডাকতেন ফাহিম। ফাহিমের জাফর চাচা প্রায় প্রতিদিনই রান্না করা খাবার পাঠাতেন চার সদস্যের ফাহিম পরিবারের জন্য। ফাহিমের ধারণা, বাড়িঅলা প্রতি মাসে ভাড়াটেদের ন্যূনপক্ষে সাড়ে তিন কী চার হাজার টাকার খাবার বিনি পয়সায় খাওয়ানোর ব্যবস্থা জারি রেখেছেন। বছরখানেক পরে প্রমোশন পেয়ে ম্যানেজার পদে উঠলেন ফাহিম। তখন ফাহিম আরও উন্নত মানের বাসায় ওঠার সিদ্ধান্ত নেন। তাই বাসাটি ছেড়ে দেন। ‘আগামী মাস থেকে থাকব না’ নোটিস দিতে গেলে জাফর ভাই বলেন, ‘দুই হাজার টাকায় তোমার বোধ হয় পোষাচ্ছে না। বহু বছর চাকরি করেছি। চাকরিজীবনের কষ্ট আমি বুঝি। সামনের মাস থেকে তুমি দেড় হাজার টাকা করেই দিও।’

পাকিস্তান জমানায় জাফর ভাই ও তাঁর কয়েকজন সাংবাদিক বন্ধু আফগানিস্তান সফর করেছিলেন। সে দেশের সরকারের মেহমান তাঁরা। তাপানুকূল মিনিবাসের আরোহী হয়ে তাঁরা নানা শহর পরিদর্শন করার পর্যায়ে কান্দাহার শহরে ঢুকছেন। একদা মাদরাসায় পড়া আবু জাফর শামসুদ্দিন পশতু ভাষায় লেখা শব্দাবলি মোটামুটি বুঝতেন। তিনি দেখলেন, রাস্তার দুধারে সুন্দর সুন্দর বাড়ি। প্রায় প্রতিটি বাড়ির সামনে বাহারি ফুল বাগান। ওই বাগানগুলোর মধ্যেই পারিবারিক গোরস্তান। কবরের উত্তর দেয়ালটা বেশ উঁচু। সেখানে যাকে গোর দেওয়া হয়েছে তার নাম লেখা। নামের নিচেই পশতু ভাষায় কী কী যেন লেখা। এই লেখার পর আরেকটা নাম। এরপর কী কী লেখা। এভাবে নাম আর কী কী লেখা আছে পাঁচবার।

‘বুজছনি! আমি মনে করলাম এক কবরে পাঁচজনকে দাফন করা হয়েছে’ বলেন জাফর ভাই, ‘গাইডকে বলি, তোমাদের বিশাল দেশ। মানুষ কম। দাফনের বেলায় জমি নিয়া কনজুসিকরণের দরকার হইল ক্যান?’ জবাবে গাইড যা বললেন তাতে জাফর ভাই হতভম্ব হয়ে গেলেন। গাইড জানালেন, কবরে একজনই শায়িত। তার নাম প্রথমে লেখা রয়েছে।

এরপরই লেখা আছে ঘাতকের নাম। মানে যার গুলিবর্ষণে বা ছুরিকাঘাতে মৃত্যুটি ঘটেছে তার নাম। ঘাতকের নামের পরে রয়েছে ঘাতকের বাবার নাম। এরপর ঘাতকের ভাইয়েরবাংলা সাহিত্যে নাম। এরপর রয়েছে ঘাতকের ছেলের নাম। এরপর ঘাতকের নাতির নাম। এতজনের নাম লেখার উদ্দেশ্য কী? জানতে চাইলেন আবু জাফর শামসুদ্দিন। গাইড বলেন, ‘হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের সুবিধার্থে নাম-পরিচয় দেওয়া আর কী। ঘাতকের রক্ত-সম্পর্কীয় যে কোনো একজনকে খতম করে দিতে পারলেই হাসিল হয়ে যাবে মনজিলে মকসুদ, মানে প্রতিশোধ। জাফর ভাই বলেন, ‘যাকে ঘাতক মনে করে এত পরিকল্পনা সে-ই যে প্রকৃত ঘাতক সেটা নির্ণয় করার পদ্ধতি কী?’ গাইড বলেন, ‘পদ্ধতির নাম বিশ্বাস। যার নিকটজন হত্যার শিকার হলো, সে হত্যা ঘটনার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে এবং একটা বিশ্বাস ধারণ করে যে অমুকই খুনটা করেছে। এই বিশ্বাসের সঙ্গে একটা স্বপ্নের সংযোগ ঘটে দ্রুত। বিশ্বাস ছাড়া স্বপ্ন বাস্তবায়ন অসম্ভব।’

‘বিশ্লেষণ তো ভুলও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নির্দোষ ব্যক্তির জীবন যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।’ যুক্তি দেখালেন আবু জাফর শামসুদ্দিন, ‘পুলিশি তদন্তের পর হত্যা মামলা রুজু করার ব্যবস্থা কি এদেশে নেই? গাইড বলেন, ‘অবশ্যই আছে। ওটা তো বাদশাহি এন্তেজাম। মামলা হবে। বিচার হবে। রায় হবে। মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকর করতে বাদশাহর অনুমোদন লাগবে। দীর্ঘ ইন্তেজারের ব্যাপার! অত ঝামেলায় কার পোষায়?’

আমরা সমস্বরে বলি, বিশ্বাস আর স্বপ্নের আলিঙ্গন তো দেখছি ভেরি ডেঞ্জারাস!

২. প্রতিশোধস্পৃহাজনিত উন্মত্ততায় ভোগা এক ব্যক্তি দূরপাল্লার বাসে আমার সহযাত্রী হয়েছিলেন ১৯৭৮ সালে। ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে বাড়ি যাচ্ছিলাম। সালামত আলী বসেছেন আমার বাঁয়ে। বাস ছুটছে ফেনী শহরের দিকে। সংবাদপত্র পড়ছি। চল্লিশোর্ধ সালামত আলী গায়ে পড়ে আলাপ জমানোয় সচেষ্ট। বললেন, ‘স্টুডেন? নাকি সার্ভিস? (ছাত্র, নাকি চাকুরে)’

বিনোদন সূত্র পাওয়ায় সংবাদপঠনে ক্ষান্ত দিলাম। বললাম, ‘সার্ভিস’। সালামত বলেন, ‘মাশাল্লাহ। বুঝাই যায় না সার্ভিস করেন। তো কোন ডিফাটে সার্ভিস করেন। বেতন কত? বেতনের অঙ্ক শুনে বলেন, ‘ফাইন! ফাইন! ম্যারিজ (বিয়ে) কইচ্ছেননি?’ তাঁকে জানাই যে বিয়ে করা হয়নি। সালামত বিস্মিত হন, ‘কন কী! সার্ভিস করেন অথচ ম্যারিজ করেন নাই, থান ক্যামনে? (থাকেন কীভাবে)’

আপনি ম্যারিজ করেছেন? প্রশ্ন শুনে সালামত আলী হাহ্ হা হোহ্ হাসতে হাসতে বলেন, ‘টু সান, ওয়ান ডটারের ফাদাররে কইলেন ম্যারিজ কইরছনি, আপনি ভাইজান, দারুণ রহস্য করতে পারেন।’

শুধু সালামত নন, অনেক শিক্ষিতজনকেও দেখেছি, তারা ‘রসিকতা করা’ না বলে, বলেন ‘রহস্য করা’। রসিকতা আর রহস্যর মধ্যকার পার্থক্য বুঝিয়ে বলি সালামতকে। সালামত বলেন, ‘ক্লাস এইট পইজ্জন্ত পইড়ছি। সব শব্দের ইন্টারেস্টিং বুজার পাওয়ার তো কম হবেই। তো আল্লার কাছে শোকর। এইট পাস আমারে মাবুদ দিছেন আদমসির মতো মিলের ফোরম্যানের পোস্ট।’

‘আদমসি’ মানে আদমজী জুট মিল। এই ফোরম্যান যে ভায়রার বাড়িতে ফায়ার-লাগানো-ম্যান সেটা জানা গেল মিনিট দশেকের মধ্যে। বাস তখন ফেনী শহর ছেড়ে পশ্চিমমুখো ছুটছিল। সালামত আলী জানান, তাঁর এসএসসি পাস শালি বিজলী বেগমের সঙ্গে বিকম পাস ব্যাংক অফিসার আকমল হোসেনের বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে তাঁর কদর কমতে কমতে একেবারে জিরো হয়ে গেছে। ভায়রাকে পাঁচ কাঠা জমি উপহার দিয়েছেন শ্বশুর। সালামতকেও পাঁচ কাঠা দেওয়া হয়েছিল, ওটা তিনি বেচে দিয়েছেন। শ্বশুর প্রদত্ত জমিতে আকমল নিজের জন্য এল টাইপের চমৎকার একটা ঘর তুলেছেন।

সালামতের বিশ্বাস, ওই ঘরে ওঠার পর থেকে আকমল-বিজলী দম্পতির অহংকার আসমান ছুঁয়ে ফেলেছে। ফলত বিশ্বাসের সঙ্গে স্বপ্নের সংযোগ ঘটালেন সালামত। স্বপ্ন বাস্তবায়নও হয়ে গেছে। বিজলীর শিশুসন্তানের আকিকা অনুষ্ঠান হলো ধুমধামে। খেয়েদেয়ে মেহমানরা বিদায় নিতে নিতে রাত গভীর। বাড়ির লোকজন ঘুমিয়ে পড়তেই দাউ দাউ আগুন জ্বলে উঠল নতুন টিনের ঘরে। সালামত বলেন, ‘আড়াই  টিঁয়ার (টাকার) কেরোসিন ত্যাল আর পঁচিশ পইসার ম্যাচবাত্তির একখান কাঠি ব্যবহার করলাম ভাইজান। ব্যস, ছাই হইয়া গেল সত্তর হাজার টিঁয়া খরচ করি বানানো রাজবাড়ি।’

সাফল্যের বর্ণনাকালে তৃপ্তিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে সালামতের চেহারা। আমার আসনের সামনের আসনে বসা বিস্মিত দুই যাত্রী কুপিত হয়ে বলেন, ‘এই জানোয়াররে ধাক্কা মাইরা বাসের তুন ফেলি দেওয়া উচিত। আমার পেছনের আসনে বসা দুই যুবক হাঁক দেয়, ‘কন্ডাক্টর। বাস থামান।’ আমি সালামতকে বললাম, ‘চুপচাপ নেমে যান। নইলে এরা আপনাকে দুরমশ করবে।’ তখন আমার বয়স কম, সাহস বেশি। সমমনা চার যাত্রীর আবির্ভাবে শক্তিমান হয়ে গর্জে উঠি, ‘জলদি নামবি? নাকি লাথি খাওনের জন্য ওয়েট করছিস?’

৩. মালয়ালম ভাষার কাহিনিকার কামরু নীলকান্ত পিল্লাই তাঁর ‘উল্টাসিধা’ শীর্ষক গল্পে প্রতিশোধ গ্রহণ ব্যাকুলতায় ব্যাধিগ্রস্ত ধনপতি কনজু মেননের মর্মান্তিক পরিণতি বর্ণনা করেছেন। ‘উল্টাসিধা’ গল্পটি পড়তে পড়তে যা স্পষ্ট হয়, তা হলো : প্রতিপক্ষকে নাকাল করার বেলায় অতিচালাকের সফল কৌশল দেখে মুখ হাঁ হয়ে যায় আমাদের। তখন আমরা ভুলে যাই যে এরা নিজের দম আটকানোর জন্য নিজের গলায় দড়িও বাঁধে চমৎকার।

রাজনীতিক রাজ শিবশংকরের সঙ্গে ধনপতি কনজু মেননের বিরোধ পাকতে পাকতে এমন অবস্থায় এসেছে যে মওকামতো পেলে রাজকে কাবাব বানিয়ে খায় কনজু। সমস্যা হলো, কনজু যতই রাজকে বিড়াল বানাতে চায় রাজ ততই বাঘ হয়ে যায়। শেষতক কনজুর বিশ্বাস জন্মে যে রাজকে সপরিবার হাওয়া করে দেওয়াই মঙ্গল। স্বপ্নটা ছকে ফেলল কনজু মেনন। স্বপ্নটা হলো : গভীর রাতে পেশাদার খুনি ভইকম সদলে ঢুকবে রাজনীতিক রাজের বাড়িতে। রাজ, তার বৃদ্ধ মা, স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে আর গৃহপরিচারিকাকে জবাই করবে। ঘাতকের হাতে বাড়ির নম্বর দিয়ে বলা হয়, সাবধান! কুটিকরণ রোডের দুই ধারের সব বাড়িরই রং গোলাপি। তুমি উনিশ নম্বর বাড়িতে অপারেশন করবে। মনে রেখ, নাম্বার নাইনটিন।

চক্রান্ত অনুযায়ী অপারেশন চালানো হয়। অপারেশন সাকসেসফুল! হত্যা অভিযানের বিবরণ শোনার পর কনজু মেননের আর্তচিৎকার ‘হায় রে তোরা কী করলি! তোরা তো আমার বোনের বাড়ির সবাইকে খুন করে ফেললি।’ ঘাতকের হাতে দেওয়া হয়েছিল ইংরেজিতে লেখা উনিশ। যে কাগজে উনিশ লেখা ছিল, ঘাতকরা উল্টো করে ধরায় তা ইংরেজি একষট্টি হয়ে যায়। কনজু মেননের বোনের বাড়ি নম্বর ছিল একষট্টি।

লেখক : সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা