শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৬ জানুয়ারি, ২০২৫

মানুষের পাশে দাঁড়ান

মীর আবদুল আলীম
প্রিন্ট ভার্সন
মানুষের পাশে দাঁড়ান

প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের রূপ পরিবর্তনের জন্য আসে শীত। তীব্র শীতে কাঁপছে দেশ; নেই সূর্যালোক। বিপর্যস্ত জনজীবন। শীত যেমন তার লাবণ্যে অমোঘ রূপ নেয়, তেমনি শীতের আগমনে জীবনের এক কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে তাদের জন্য, যারা সমাজের প্রান্তিক জনগণ। কুয়াশা আর হাড়কাঁপানো শীতে মানুষের কাজের গতিও কমে গেছে। কমে গেছে আয়। সন্ধ্যার আগেই বেশির ভাগ মানুষ ঘরে ঢুকে যাচ্ছে।  কাজের অভাবে খাদ্য জোটানো দায়, এ অবস্থায় শীতবস্ত্র কিনবে কী করে? এ মানুষগুলো দেশের অবস্থাসম্পন্ন মানুষ কী করে সেদিকেই চেয়ে আছে। এবারের শীতের তীব্রতার একটু বর্ণনা দিতেই হয়। পঞ্চগড়ে ৩ জানুয়ারি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৩ রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শীতজনিত রোগ বাড়ছে। মৃত্যুর খবরও মিলছে। সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া, টনসিলাইটিস, ব্রংকিউলাইটিস, সাইনোসাইটিস, অ্যাজমা, চর্মরোগ, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়াসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু থেকে বয়স্ক সব বয়সের মানুষ। হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বারে শীতজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। শীতের কুয়াশা যেমন শহর থেকে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আঘাত হানে, তেমনি তা দরিদ্র, গৃহহীন ও অসহায় মানুষের জীবনে এক অন্ধকারাচ্ছন্ন অধ্যায় রচনা করে।

শীতকাল এসে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে দেশের অনেক অঞ্চলে শুরু হয় তীব্র শীতের প্রকোপ। বিশেষ করে শহর ও গ্রামের গরিব, ছিন্নমূল এবং গৃহহীন মানুষের জন্য শীতের সময়টা অত্যন্ত কঠিন। এসব মানুষের কাছে শীত একটি বড় বিপদ, কারণ তাদের কাছে শীতবস্ত্র, গরম কাপড় এবং আশ্রয়ের অভাব থাকে। তারা খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে বাধ্য হয়, যা তাদের স্বাস্থ্য ও জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ।

এমন পরিস্থিতিতে আমাদের সবার উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো। শীতবস্ত্র বিতরণ, গরম কাপড়ের ব্যবস্থা এবং আশ্রয়ের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, খাবার সহায়তা এবং শীতকালীন রোগের প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে এ শীতে তাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করা সম্ভব। এটা আমাদের মানবিক দায়িত্ব যে শীতের এ কঠিন সময়ে দরিদ্র, অসহায় এবং শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াব। একত্র হয়ে যদি আমরা সবাই একটু সহানুভূতি এবং সাহায্যের হাত বাড়াই, তাহলে আমরা একটি শক্তিশালী এবং মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে পারব।

শৈত্যপ্রবাহে এদেশে মানুষ মারা যায় প্রতি বছরই। তবে এ-সম্পর্কিত মৃত্যুর কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই। গবেষকরা ২০০০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চারটি জাতীয় দৈনিককাজের অভাব পত্রিকার শৈত্যপ্রবাহ-সম্পর্কিত খবরের বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করে এ-সংক্রান্ত একটি ডেটাসেট তৈরি করেছেন এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য রিপোর্টের সঙ্গে তা যাচাই করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের চারজন এবং স্পেনের ওভিডো বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অ্যান্ড হেলথ সায়েন্সেস অনুষদের দুজন গবেষক বাংলাদেশে শৈত্যপ্রবাহে মৃত্যুর ঘটনার স্থান-কালগত প্রবণতা এবং বৈশিষ্ট্যগুলো বিশ্লেষণ করেছেন। ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের সহযোগী অধ্যাপক মো. খালিদ হাসান জাতীয় দৈনিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল মৃত্যুহার বিষয়ে বিশদ জানা। আমরা দেখেছি যে ওই ২০ বছরে শৈত্যপ্রবাহের সময়কাল ও পুনরাবৃত্তি বেড়েছে।’

তিনি আরও জানান, গবেষণাকালীন শৈত্যপ্রবাহে ৫ হাজার ৬১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুহারের দিক থেকে শীর্ষে রংপুর বিভাগ, এরপরই রয়েছে রাজশাহী বিভাগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ময়নাতদন্ত না হওয়ায় ঠান্ডাজনিত রোগে কত মানুষের মৃত্যু হয়েছে তা বলা মুশকিল। শীতকালীন মৃত্যু নিয়ে আমাদের রাষ্ট্র-সংশ্লিষ্টদের ভাবতে হবে। মৃত্যুর হার কমিয়ে আনার জন্য যা করা দরকার, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। তা ছাড়া যারা বিত্তবান, তাদেরও একটা বড় দায়িত্ব রয়েছে। এ কঠিন সময়ে মানবতার প্রতি আমাদের দায়িত্ব যেন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে, এটাই সময় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। মানবিক সহানুভূতি ও সহায়তার হাত বাড়ালে, আমাদের সমাজের হৃদয়ে পরিবর্তন আনা সম্ভব।

শীত মৌসুমে, যাদের সামর্থ্য কম, তারা সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়ে। দেশের গ্রামীণ অঞ্চল থেকে শহরের বস্তিতে, ছিন্নমূল এবং গৃহহীন মানুষের কাছে শীতের তীব্রতা একেবারে দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। শীতের সকালে আমরা যখন ঘর থেকে বেরিয়ে তাজা বাতাসে শ্বাস টানি, তখন আশপাশের শীতার্ত মানুষের কষ্টও যেন আমাদের হাড়ে হাড়ে অনুভূত হয়। এমন সময়ে আমাদের মানবিক দায়িত্ববোধের পরীক্ষা নেওয়ার সময় চলে আসে। এ শীতে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার জন্য এক মহান কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়।

তীব্র শীতে বিশেষ করে গৃহহীন মানুষদের জন্য জীবন হয়ে ওঠে আরও কঠিন। ছিন্নমূল মানুষ, যাদের কোনো আশ্রয় নেই তারা খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে বাধ্য হয়। শীতের কারণে অনেকেই ঠান্ডা থেকে সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া, হাঁপানি কিংবা শ্বাসকষ্টের মতো রোগে আক্রান্ত হয়। শিশু, বৃদ্ধ এবং শারীরিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য শীতের আগমন এক ভীষণ বিপদ হয়ে দাঁড়ায়। শীতের সময় দরিদ্র মানুষের খাদ্যসংকটও প্রকট হয়ে ওঠে, তাদের গরম কাপড় ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অভাব চরম আকার ধারণ করে। এ অবস্থায় শীতের মধ্যে তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং সাহায্যের হাত বাড়ানো একান্ত জরুরি হয়ে পড়ে।

এ সময় আমরা যা করতে পারি :

১. শীতবস্ত্র বিতরণ : দরিদ্র মানুষের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ একটি সহজ কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর উপায়। কম্বল, সোয়েটার, শাল, গরম কাপড় প্রদান তাদের শীতের যন্ত্রণা কিছুটা হলেও কমিয়ে দিতে পারে। সরকারি এবং বেসরকারি সংগঠনগুলো এ উদ্যোগে নেতৃত্ব দিতে পারে; কিন্তু প্রতিটি ব্যক্তি এবং পরিবারকেও এর সঙ্গে যুক্ত হওয়া উচিত। ছোট ছোট দানে অনেক বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।

২. আশ্রয় স্থাপন : যারা গৃহহীন, তাদের জন্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা উচিত। খোলা আকাশের নিচে যারা রাত কাটায়, তাদের জন্য শীতকালে অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো এ উদ্যোগ নিতে পারে, যেখানে মানুষজন রাত কাটাতে এবং শীতের প্রকোপ থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারে।

৩. স্বাস্থ্যসেবা প্রদান : শীতকালীন অসুখের সংখ্যা বেড়ে যায়, বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুদের মধ্যে। স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে হবে। শীতকালে প্রতিটি গ্রামে বা শহরে বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প চালু করা, সর্দি-কাশি এবং শ্বাসকষ্টের রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। দরিদ্র ও অসহায়দের মধ্যে যে চিকিৎসার জন্য অর্থের সংকট থাকে, তাদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ প্রদান করা জরুরি।

৪. খাদ্যসহায়তা : শীতের সময়ে অনেক দরিদ্র পরিবার কাজকর্মের অভাবে খাদ্যসংকটে পড়তে পারে। তাদের জন্য খাদ্যসহায়তা, বিশেষ করে শীতের খাবার যা শীত থেকে নিরাপদ রাখে, তা প্রদান করা যেতে পারে। প্রয়োজনীয় খাবার, যেমন স্যুপ, পুষ্টিকর খাবার এবং শাকসবজি প্রদান করে তাদের শরীরকে শক্তিশালী করা সম্ভব।

৫. সচেতনতা বৃদ্ধি : শীতকালীন রোগের প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের মধ্যে শীতের সময় সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ইত্যাদি রোগ থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্য খতিয়ে দেখা,  তাদের গরম রাখার ব্যবস্থা করা এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

শীতে যারা দরিদ্র, গৃহহীন ও অসহায় তাদের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক কর্তব্য নয় বরং সমাজের দায়ও বটে। একত্রে কাজ করলে আমরা অনেক কষ্ট লাঘব করতে পারি। শীতকালীন এ সহানুভূতি আমাদের সমাজের শক্তি, অটুট সম্পর্ক এবং মানুষের প্রতি শ্রদ্ধার প্রমাণ হতে পারে। মানুষের দুঃখকষ্টে আমাদের এগিয়ে আসা উচিত, কেননা একে অপরের সাহায্যেই  সমাজ তার প্রকৃত রূপ পায়।

সবশেষে বলতে চাই, শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো মহান কাজ, যা মানবিকতার পরিচায়ক।  প্রত্যেক নাগরিকের ছোট্ট সাহায্যও বিশাল পরিবর্তন আনতে পারে। তাই আমাদের উচিত একে অন্যের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করা, যাতে শীতের এ কঠিন সময়ে একজন মানুষও অসহায় না থাকে। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে শীতকালে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো একমাত্র উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। সমাজের অভাবী ও দরিদ্র মানুষদের জন্য এটি শুধু দান নয়, বরং মানবতার প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধা ও কর্তব্য।

লেখক : গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

১ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ
ফেরিঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান
পিরোজপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার
নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৭
যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৭

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

২৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা