বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ বলেছেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সমাজের প্রতি শিক্ষার্থীদের দায়বদ্ধতা বেড়েছে। যারা পরিবর্তনের সামর্থ্য রাখে, তারা গড়তেও পারে। তাই ইতিবাচক দিকে থেকে এই সমাজকে চালিত করা, ঘুণেধরা কাঠামোকে পুনর্নির্মাণ করা এবং ন্যায়ভিত্তিক সুষম সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। গতকাল পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে বেসরকারি গ্রিন ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি। অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিসটিংগুইসড প্রফেসর ও অন্তর্বর্তী সরকারের সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, একজন গ্রাজুয়েটের সাফল্য তার একার নয়, এর পেছনে রয়েছে পরিবার, সমাজ, এমনকি রাষ্ট্র। তাই তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা রয়েছে; সেই মূল্য শিক্ষার্থীদের দিতে হবে। পাশের শিক্ষার্থীর সঙ্গে নয়, একজন গ্রাজুয়েটকে গোটা বিশ্বের মেধাবীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হবে।
আলী রীয়াজ বলেন, সমাবর্তনের মাধ্যমে শুধু গ্রাজুয়েশন পর্বের সমাপ্তির ঘটছে না, বরং আজ থেকে জীবনের আরও একটি পর্বের সূচনা হচ্ছে। আর তা হলো ব্যবহারিক, নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়া ও নিজের অবস্থান তৈরি করার জীবন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন গ্রিন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন প্রমুখ। সমাবর্তনে মোট ৪ হাজার ১২৯ জন গ্রাজুয়েটকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়।