শৈশবের দিনগুলোর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়েছেন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় হাওলাদার হিমাগার লিমিটেড প্রাঙ্গণে শৈশবের বন্ধুদের আয়োজিত মিলনমেলায় উপস্থিত হন তিনি।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো কথা বলেননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পেজ ও আইডি থেকে এই আয়োজনের লাইভে ভেসে উঠেছে নানা বিষয়। এতে দেখা গেছে, একটি বসার স্থানে বসে মাইক হাতে নিয়ে কথা বলছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সবটুকু সময়জুড়ে তিনি স্মৃতিচারণা করেছেন। বলেছেন নিজের শৈশব ও কৈশোরের কথা। স্মরণ করেছেন স্কুলজীবনের বন্ধুদের। যারা বেঁচে নেই তাদের কথা বলতেই চোখের কোনে জল গড়িয়েছে তাঁর। মির্জা ফখরুল পুরনো বন্ধুদের কাছে পেয়ে স্মরণ করিয়ে দেন ফেলে আসা দিনের কথা। এ সময় তিনি বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা আবৃত্তি করে শোনান বন্ধুদের। এর আগে তিনি উল্লেখ করেন, এক সময় আবৃত্তি করতাম এখন করি না, বক্তৃতা করি। তার পরও আমি চেষ্টা করব কবিতা আবৃত্তি করার। কারণ এক সময় আমিও নাটক করেছি, রং মেখেছি, একসময় নাট্যগোষ্ঠী করতাম। পরে তিনি তাঁর প্রিয় কবিতা বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ আবৃত্তি করে শোনান।
শেষে তিনি সুন্দর আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। বলেন, যারা এখনো বেঁচে আছি, আমরা একটু বাঁচার মতো বাঁচতে চাই। এই বাঁচাটা হচ্ছে নিজেকে অনুভব করা আমি আছি, আমি বেঁচে আছি।