শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৪৬, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বড় বিপদে ঢাকার বানর

শামীম আহমেদ
প্রিন্ট ভার্সন
বড় বিপদে ঢাকার বানর

একসময় ঢাকার অলিগলি, বিশেষ করে পুরান ঢাকার সরু রাস্তা আর শতবর্ষী গাছগুলো ছিল বানরদের স্বাধীন বিচরণক্ষেত্র। বানরদের আধিক্যের কারণে, পুরান ঢাকার একটি ছোট্ট এলাকার নাম হয়ে যায় বানরটুলী। আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা কমিশনের ভিতরে রয়েছে বানরতলা। খাবার হাতে ডাক দিলেই চারদিক থেকে নেমে আসত বানর। ক্ষুধা লাগলে বাড়িঘরে ঢুকে খাবার চুরি করত। বিরক্ত করত। খাবার পেলেই খুশি হয়ে ফিরে যেত। দিনভর কিচিরমিচির শব্দে মাতিয়ে রাখত এলাকা। ক্রমেই হারাতে বসেছে সেই দৃশ্য। শহরজুড়ে উন্নয়ন, উঁচু উঁচু ভবন, গাছপালা কেটে ফেলা, তীব্র খাদ্য সংকট, মানুষের নির্যাতন, পাচার, বিদ্যুতের উন্মুক্ত তার শক খেয়ে মৃত্যুসহ নানা কারণে হারাতে বসেছে ঢাকার ঐতিহ্য বানর।

ঢাকায়, বিশেষ করে পুরান ঢাকায় বানরের ইতিহাস উঠে এসেছে কবি-সাহিত্যিক-গবেষকদের বিভিন্ন লেখায়। সত্যজিৎ রায় তার সত্যজিৎ স্মৃতি নামক বইয়ে লিখেছেন, আমার মামার বাড়ি ওয়ারীতে, র‌্যাঙ্কিন স্ট্রিটে। সে বাড়ি এখন আছে কি না জানি না। সে রাস্তা এখন আছে কি না জানি না। বাড়ির কথা কিছু মনে নেই। মনে আছে শুধু যে প্রচ- বাঁদরের উপদ্রব। টিকাটুলীর প্রাণীজীবন শীর্ষক বইয়ে গবেষক আফসান চৌধুরী লিখেছেন, একটা সময় ছিল, যখন ঢাকায় মানুষের অনুপাতে বাঁদরের সংখ্যা ছিল বেশি। সেই অনুপাত উল্টো হতে হতে আজ বাঁদর প্রায় নেই বললেই চলে। মীজানুর রহমানের ঢাকা পুরাণ ও নাজির হোসেনের কিংবদন্তীর ঢাকা বইয়েও উঠে এসেছে বানরের কথা। সেখানে বানরের সঙ্গে মজা করার পাশাপাশি বিরক্ত হয়ে বানর হত্যার কথাও উঠে এসেছে।

পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের ধারণা, একসময় আশপাশের জঙ্গল থেকে বানরগুলো আসে। তখন মানুষ প্রচুর খাবার দিত। ফলে বানরগুলো থেকে যায়। পরে খাবারের উৎস কমে গেলেও বনজঙ্গল হারিয়ে যাওয়ায় বানরগুলো আর ফিরতে পারেনি। পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বেড়ে ওঠা কাজী রাকিব বলেন, ছোট বেলায় অনেক বানর দেখতাম। আমরা খাবার হাতে ডাক দিলে চলে আসত। অনেকে তখন খাবার দিত। রাস্তায় দলবেঁধে বসে থাকত বানরের দল। বিরক্ত করলে খামচি দিত। ভেঙচি কাটত। পেট ভরা থাকলে কাউকে বিরক্ত করত না। এখন মানুষ আগের মতো খাবার দেয় না। গেন্ডারিয়ায় সাধনা ঔষধালয়ের কারখানা এবং পার্শ্ববর্তী কবরস্থানে কিছু বানর থাকে। শুনেছি, ১৯১৪ সালে গেন্ডারিয়ায় সাধনা ঔষধালয় প্রতিষ্ঠার পর শত শত বানর সেখানে ভিড় করত কারখানা থেকে গুড় খেতে। এটা দেখে সাধনা ঔষধালয়ের মালিক কারখানার একটি ঘর বানর থাকার জন্য ছেড়ে দেন। সেই সঙ্গে বানরের খাবারের ব্যবস্থাও করে দেন। এখনো খাবার দেওয়া হয়। এ কারণে কিছু বানর ওই কারখানার আশপাশে থাকে। আগে সিটি করপোরেশন থেকে বানরের খাবার দেওয়া হতো, এখন তাও নেই।

...জানা গেছে, ঢাকায় বানরের উপস্থিতি কয়েক শতাব্দী পুরোনো। ধারণা করা হয়, মুঘল আমল থেকেই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বানর ছিল। তখন শহরজুড়ে ছিল ঘন সবুজ বাগান, ছোট ছোট গ্রাম ও জলাশয়। বিশেষ করে লালবাগ কেল্লা, বুড়িগঙ্গার তীর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বোটানিক্যাল গার্ডেন, কার্জন হল, ক্যান্টনমেন্ট এলাকা, এয়ারপোর্টের আশপাশ এলাকা ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন মন্দির ও আশ্রমের আশপাশে বানরের বড় দল দেখা যেত। উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ শাসনামলে, বিশেষ করে ১৮০০-১৯০০ সালের মধ্যে বানরের সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। ব্রিটিশরা ঢাকায় বিভিন্ন পার্ক ও বাগান তৈরি করলে বানর সহজেই সেখানে টিকে যায়। পুরান ঢাকার ইসলামপুর, ফরাশগঞ্জ, চকবাজার, বংশাল ও শাঁখারী বাজার এলাকায় ছিল বানরদের অবাধ বিচরণ। এ ছাড়া বনানী ও গুলশান লেকের আশপাশের এলাকা, মিরপুর ও জাতীয় চিড়িয়াখানা এলাকা, সুন্দরবাগ ও কেরানীগঞ্জের কিছু এলাকা, শেখেরটেক ও মোহাম্মদপুরের কিছু জায়গায়, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা, এয়ারপোর্টের আশপাশ, আগারগাঁও এলাকায় কিছু কিছু বানর দেখা যেত। তবে এখন আর সেভাবে বানর দেখা যায় না। গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকার বানর মূলত বাংলা বানর (Rhesus Macaque - Macaca mulatta)। এরা মূলত সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের বনাঞ্চল থেকে এসে ঢাকাতে আটকা পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে ঢাকায় কয়েক হাজার বানর ছিল, বর্তমানে সংখ্যাটি ৩০০-৫০০ এর মধ্যে নেমে এসেছে।

পরিবেশবিদরা বলছেন, এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আগামী দশকে ঢাকা শহর থেকে বানররা চিরতরে হারিয়ে যাবে। এটি শুধু প্রাণীর জন্য নয়, পরিবেশের ভারসাম্যের জন্যও একটি বড় বিপর্যয়। বানর সংরক্ষণের জন্য অভয়ারণ্য তৈরি করা, বানরের ওপর আক্রমণ বন্ধ করতে প্রচারণা চালানো, নতুন গাছ লাগানো ও পুরোনো গাছ সংরক্ষণ করা, ক্ষুধার্ত বানরের খাবার ও চিকিৎসার  ব্যবস্থা করতে হবে। বন বিভাগ, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো একসঙ্গে কাজ করলে বানর বাঁচানো সম্ভব। প্রাকৃতিকভাবে বানরের খাদ্য নিরাপত্তা তৈরিতে ফল গাছ লাগানো যেতে পারে।

এই বিভাগের আরও খবর
প্লাস্টিক দূষণের শীর্ষে কোকাকোলা
প্লাস্টিক দূষণের শীর্ষে কোকাকোলা
নদনদী বাড়ল শতাধিক
নদনদী বাড়ল শতাধিক
বিলুপ্তির পথে প্রকৃতির ঝাড়ুদার
বিলুপ্তির পথে প্রকৃতির ঝাড়ুদার
আগাছা থেকে বৈদেশিক মুদ্রা
আগাছা থেকে বৈদেশিক মুদ্রা
কচুরিপানা থেকে পরিবেশবান্ধব প্লাস্টিক!
কচুরিপানা থেকে পরিবেশবান্ধব প্লাস্টিক!
নদনদীর গলা টিপছে ‘ব্লু ডেভিল’
নদনদীর গলা টিপছে ‘ব্লু ডেভিল’
প্রাণীদের স্বজনহারানো শোক
প্রাণীদের স্বজনহারানো শোক
বাড়ছে আলো দূষণ
বাড়ছে আলো দূষণ
দাবানলের হুমকিতে পৃথিবী
দাবানলের হুমকিতে পৃথিবী
কচ্ছপ বাঁচানোর দাবি
কচ্ছপ বাঁচানোর দাবি
টিকে আছে যেসব বন্যপ্রাণী
টিকে আছে যেসব বন্যপ্রাণী
প্রাণী রক্ষায় দরকার সরকারি উদ্যোগ
প্রাণী রক্ষায় দরকার সরকারি উদ্যোগ
সর্বশেষ খবর
গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির
গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি

২১ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

বলিউড অভিনেতা মনোজ কুমার মারা গেছেন
বলিউড অভিনেতা মনোজ কুমার মারা গেছেন

৩২ মিনিট আগে | শোবিজ

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’
আজ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’

৫৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

সিরিজ হারের পর শাস্তিও জুটল পাকিস্তানের কপালে
সিরিজ হারের পর শাস্তিও জুটল পাকিস্তানের কপালে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ
মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

৮ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’
বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের
তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ