শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:১৩, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫

বৈষম্যবিরোধী ও সমন্বয়কদের সামলান

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
বৈষম্যবিরোধী ও সমন্বয়কদের সামলান

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর বজ্রকণ্ঠে খামোশ হুংকার রাজনীতি অঙ্গনে অতিপরিচিত। তিনি ছিলেন গণমানুষের রাজনীতিবিদ। বাংলাদেশের মানুষের কাছে তিনি মজলুম জননেতা হিসেবে পরিচিত। তাঁর জন্ম সিরাজগঞ্জে হলেও টাঙ্গাইলের সন্তোষ ছিল তাঁর পরবর্তী ঠিকানা। ১৯৫৭ সালের কাগমারী সম্মেলনে তিনিই প্রথম পাকিস্তানি শাসকদের ওয়ালাইকুম আস্সালাম বলেছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম বীজ তিনি কাগমারী সম্মেলনেই বপন করেছিলেন। রাজনীতিতে তিনি কাউকে পরোয়া করতেন না। মহাপ্রতাপশালী শেখ মুজিব সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন টাঙ্গাইলের আবদুল মান্নান। সে সময় টাঙ্গাইলসহ সারা দেশের মানুষ মওলানা সাহেবের কাছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন। একপর্যায়ে তিনি পল্টন ময়দানের সমাবেশে গর্জে উঠলেন। শেখ মুজিবকে উদ্দেশ করে বললেন, মজিবর তোমার মান্নানরে সামলাও। ও সব খাইয়া ফালাইলো। আজ বিপ্লব-উত্তর বাংলাদেশে মওলানা সাহেব যদি বেঁচে থাকতেন, তাহলে নাহিদ, আখতারকে উদ্দেশ করে বলতে বাধ্য হতেন, নাহিদ, আখতার, তোমাদের বৈষম্যবিরোধী ও সমন্বয়কদের সামলাও। তারা তোমাদের বিপ্লবের অর্জন খাইয়া ফালাইলো।

গত ৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার মন্ত্রিসভার পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী সংগঠনটির সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই ঘোষণা দেন। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমবেত ছাত্র-জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার মন্ত্রিসভাকে পদত্যাগ করতে হবে। সরকার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত অসহযোগ আন্দোলন চলবে। সেনাবাহিনীসহ নিরাপত্তা বাহিনীর উদ্দেশে তিনি বলেন, এই সরকারকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। আপনারা সরকারকে সমর্থন না দিয়ে জনগণকে সমর্থন দিন। সেদিন ছাত্র-জনতার মাঝে নাহিদ ইসলাম পরিণত হয়েছিলেন হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা। তাঁর সেদিনের ঘোষণাতেই সরকারের তখ্তে-তাউস কেঁপে ওঠে। যার পরিণতি ৫ আগস্টের বিজয়। এই বিশাল বিজয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সব পর্যায়ের সমন্বয়ক, নেতা-কর্মী, ছাত্র-জনতা সবারই অবদান আছে। সে কারণে এই যুদ্ধের সব যোদ্ধার প্রতি লাল সালাম। বিপ্লবের সব সাথি নিয়ে নাহিদ, আখতার এখন সংগঠিত করছেন একটি মধ্যপন্থার রাজনৈতিক দল, জাতীয় নাগরিক পার্টি। বিশাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে দলটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। তারুণ্যনির্ভর বিপ্লবীদের দলটির কাছে দেশবাসীর অনেক প্রত্যাশা। সর্বপ্রথম কাজ হলো, দলকে সুসংগঠিত করা। অন্য রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা যা করে, তা এই দলের কেউ করবে না- এমন কঠোর নির্দেশনা থাকতে হবে। সারা দেশ থেকে খবর পাওয়া যায়, আগে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ যা করত এখন বৈষম্যবিরোধী বা সমন্বয়কের নামধারী কিছু টাউট সেসবই করছে। থানার ওসি, সাব রেজিস্ট্রারের অফিস, এসি ল্যান্ড, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসপি, ডিসির রুমে এই টাউটদের দেখা যাচ্ছে। এ ছাড়া সারা দেশে যেসব মব হয়েছে, যেসব বাড়ি লুট হয়েছে, সবই হয়েছে এই টাউটদের নেতৃত্বে। তাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন ছাত্রলীগ, যুবলীগের কর্মীরা। শহরের বিভিন্ন পাড়ায় মহল্লায় মহড়া দেওয়া, এমনকি গ্রামের বিচার-আচারেও এখন বৈষম্যবিরোধী বা সমন্বয়ক পরিচয়ধারী টাউটদের আধিপত্য। দেশের মানুষ তাদের ভয় পেয়ে সমীহ করে। সে কারণে এই টাউটদের ব্যাপারে দলের পক্ষ থেকে এখনই কঠোর নির্দেশনা দেওয়া দরকার। বৈষম্যবিরোধী বা সমন্বয়ক পরিচয়ে কেউ যেন কোনো অন্যায় আবদার নিয়ে কোনো সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালতে কোনো তদবির করতে না পারে, সেজন্য দলের পক্ষ থেকে একটি সুস্পষ্ট ঘোষণা আসা দরকার। তা না হলে এসব টাউট-বাটপার বিপ্লবীদের ইমেজ ক্ষুণ্ন করবে।

ভাসানীর নতুন দলকে দুই লক্ষ্যে সামনে অগ্রসর হতে হবে। একটি হলো- জীবনজীবিকার সমস্যা সমাধানে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি। নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, সামাজিক সমস্যা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার যাতে মাথা ঘামায় তা বলতে হবে। জনগণের সার্বিক সমস্যার কথা তুলে ধরতে হবে। জনগণ যখন বুঝতে পারবে, এই দল তাদের কথাই বলছে, তখনই নতুন দলের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা আরও বাড়বে। অন্যদিকে বিপ্লবীদের মনে রাখতে হবে, এই সরকার তাদেরই আন্দোলনের ফসল। এই সরকার কোনো কারণে ব্যর্থ হলে বিপ্লব ব্যর্থ হবে। দেশবাসীর আশার আলো নিভে যাবে। সে কারণে সরকার যেন আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সেজন্য পুলিশ বাহিনীকে ট্রমা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করতে হবে। সারা দেশে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ, নারীর শ্লীলতাহানির মতো ঘটনা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। আট বছরের ছোট্ট আছিয়ারাও এই জঘন্য অপরাধীদের হাত থেকে নিস্তার পাচ্ছে না। এসব সামাজিক অপরাধ বন্ধ করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বানও জোরালোভাবে জানাতে পারে নতুন দল। সামাজিক বিপ্লব ছাড়া শুধু পুলিশি ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।

দেশের অর্থনীতির অবস্থা খুবই খারাপ। গত সাত মাসে দেশে সরকারি-বেসরকারি তেমন কোনো বিনিয়োগ হয়নি। বিশেষ করে বেসরকারি খাতে ব্যবসায়ী শিল্পপতিরা রীতিমতো হাত-পা গুটিয়ে বসে আছেন। অনেক গার্মেন্ট, টেক্সটাইল, কাগজ, ইস্পাত কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। শিল্পাঞ্চলগুলোতে প্রায় প্রতিদিনই শ্রমিক অসন্তোষ চলছে। শ্রমিকরা রাস্তা অবরোধ করছেন। এ অবস্থা দেশের গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করে দেবে। কারণ গণতন্ত্রের জন্য অর্থনৈতিক স্থিরতা একটি বড় সহায়ক শক্তি। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের লুটপাটের পর দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে গত সাত মাসে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এমনকি দেশের ব্যবসায়ী শিল্পপতিদের নিয়ে একটি বৈঠকও করা হয়নি। কীভাবে দেশের অর্থনীতিতে স্বাভাবিক গতি ফিরবে, কীভাবে ব্যবসায়ীরা শঙ্কামুক্ত হবেন, কীভাবে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়বে, কীভাবে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে- এসব বিষয়ে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। লুটেরাদের লুটের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংকগুলোর গ্রাহকরা আতঙ্কিত। এসব ব্যাংকের অনেক শাখা গ্রাহকের চাহিদামতো টাকা দিতে পারছে না। একটি ব্যাংকের ঢাকার সাতমসজিদ রোড শাখায় একজন গ্রাহক কিছু টাকা ফিক্সড ডিপোজিট করেছিলেন। ওই গ্রাহক এখন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত। তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাবেন। কিন্তু ব্যাংক তাঁর টাকা ফেরত দিচ্ছে না। এমনকি টাকা ফেরত চাওয়ার আবেদনপত্রও গ্রহণ করছে না। এ অবস্থায় টাকার শোকে অসুস্থ ব্যক্তি আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এ ধরনের সমস্যা অনেক। সমস্যা যতই পাহাড় সমান হোক না কেন, ইচ্ছা করলেই সমাধান সম্ভব। এর জন্য নতুন দলের বিপ্লবীরা যদি একদিন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রকৃত সমস্যাগুলো জানার চেষ্টা করেন এবং সেসব সমস্যা সমাধানে সরকারকে অনুরোধ করেন তাহলে বেসরকারি খাতে গতি ফিরবে। বেসরকারি খাতে গতি ফিরলেই জাতীয় অর্থনীতি গতি ফিরে পাবে। নতুন কর্মসংস্থান হবে। অস্থির বেকার জনগোষ্ঠীতে স্থিরতা ফিরবে।

জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতা ফ্যাসিস্টদের পতন ঘটিয়েছে। দেশের ১৭ কোটি মানুষের বিরাট একটি অংশ এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। মনে রাখতে হবে, পরাজিত শক্তির চিহ্নিতরা বিদেশে পাড়ি দিয়েছে, কিন্তু তাদের আন্ডা-বাচ্চারা দেশের ভিতরে এখনো পুরোদমে সোচ্চার। তারা দীর্ঘ ১৬ বছর টানা ক্ষমতায় ছিল। তাদের হাতে টাকা আছে। তাদের সম্পদ আছে। এখনো তারা মিলেমিশে দখল চাঁদাবাজি বহাল রেখেছে। তাদের অনেকেই মিশে গেছে বর্তমান স্রোতের সঙ্গে। প্রশাসনের বিরাট অংশ এখনো তাদের নিয়ন্ত্রণে। তা ছাড়া ছাত্র-জনতাকে নিয়ে আন্দোলন করে একটি মহাক্ষমতাবান সরকারের পতন ঘটানো যায়- এই শিক্ষাও তারা ইতোমধ্যে পেয়েছে। দেশের মানুষের মধ্যে যদি অশান্তি কাজ করে, তাহলে সুযোগ নেবে ফ্যাসিস্টদের অনুসারীরা। সেই সুযোগ তাদের কোনোভাবেই দেওয়া যাবে না। সেজন্য বিপ্লবীদের দায়িত্ব নিতে হবে। শুধু রাষ্ট্র সংস্কার, নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই হবে না। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার দায়িত্বও নিতে হবে। দেশকে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য বিপ্লবীদের যে অঙ্গীকার, তা বাস্তবায়ন করতে হলে দেশবাসীর কাছে প্রত্যেক বিপ্লবীকে ক্লিন ইমেজের হতে হবে। আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি নীতির কথা আমরা অনেকেই জানি। অনেকে বিভিন্ন আলোচনায় সেটার অবতারণাও করি। তা হলো, নবীজি মিষ্টি খুব পছন্দ করতেন। কিন্তু নিজে মিষ্টি খাওয়া বন্ধ করে অন্যকে মিষ্টি খাওয়া থেকে বিরত থাকার উপদেশ দিয়েছিলেন। নবীজির শিক্ষা হলো, অন্যকে কোনো উপদেশ দেওয়ার আগে সেটা নিজের ব্যক্তিগত জীবনে পালন করতে হবে। তা না হলে ওই উপদেশ কেউ মানবে না। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই- রাজনীতির এমন আত্মপ্রতারণা থেকে বের হতে হবে। সুস্থ, সুন্দর ও জনমুখী রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

 

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

 [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির
গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি

২১ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

বলিউড অভিনেতা মনোজ কুমার মারা গেছেন
বলিউড অভিনেতা মনোজ কুমার মারা গেছেন

৩২ মিনিট আগে | শোবিজ

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’
আজ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’

৫৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

সিরিজ হারের পর শাস্তিও জুটল পাকিস্তানের কপালে
সিরিজ হারের পর শাস্তিও জুটল পাকিস্তানের কপালে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ
মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

৮ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’
বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ