শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫

লাইফ সাপোর্টে শিশুটি : সমাজ-সভ্যতা কাঁদে...

মীর আবদুল আলীম
প্রিন্ট ভার্সন
লাইফ সাপোর্টে শিশুটি : সমাজ-সভ্যতা কাঁদে...

ধর্ষণ একটি শব্দ যা শুধু এক নারীর, এক শিশুর, এক ব্যক্তির জীবনের ট্র্যাজেডি নয়; এটি একটি সভ্যতার কলঙ্ক, নৈতিকতার চরম অবক্ষয়। আমরা উন্নতির গল্প শুনি, সভ্যতার জয়গান গাই, কিন্তু আজ আমাদের শহরের বাতাস বিষাক্ত, নীরবতাও যেন চিৎকার করে কাঁদে। একটার পর একটা ধর্ষণের ঘটনা আমাদের চারপাশে ঘটে যাচ্ছে, অথচ সমাজের বিবেক যেন কোনো এক অন্ধকার গুহায় নিদ্রামগ্ন। সমাজ যখন ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে ব্যর্থ হয়, তখন ধর্ষণ কেবল বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে রয়ে যায় না; এটি প্রাতিষ্ঠানিক অপরাধে পরিণত হয়। প্রতিদিন সংবাদমাধ্যম খুললেই চোখে পড়ে-

স্কুলগামী মেয়েটা ধর্ষিত হলো। মাদ্রাসার শিক্ষার্থী শিক্ষক দ্বারা নিপীড়িত। বাড়ির কাজের মেয়ে গৃহকর্তার লালসার শিকার। পথের কিশোরী রাতের অন্ধকারে ধর্ষিত হলো। বাসে ধর্ষিত নারী। এই গল্পগুলো নতুন কিছু নয়। একের পর এক মেয়েরা, শিশুরা, নারীরা, আয়া, বুয়া, বৃদ্ধা ধর্ষণের শিকার হচ্ছে, কিন্তু সমাজ কি বদলেছে?

নির্যাতিতাদের কান্না শুনতে পায় আকাশের তারা, রাতের নীরবতা, ধর্ষিত শিশুর ছেঁড়া পুতুলও সব শুনতে পায় কিন্তু শুনতে পায় না এই সমাজ! ধর্ষকরা প্রকাশ্যে হাঁটে, চায়ের দোকানে বসে রাজনীতির কৌশল শেখে, টক শোতে মুখরোচক কথা বলে। এই বাস্তবতা আমাদের সভ্যতার মুখে চপেটাঘাত ছাড়া আর কিছু নয়।

একটি ধর্ষণের ঘটনা শুধু একটি মেয়ের জীবনের নয়, এটি একটি সমাজের ধ্বংসপ্রক্রিয়া। ধর্ষিতা মেয়েটি শারীরিকভাবে বেঁচে থাকলেও মানসিকভাবে প্রতিনিয়ত মরে যায়। সমাজ তাকে কলঙ্কিত বলে দূরে ঠেলে দেয়, পরিবার অনেক সময় তাকে বোঝা মনে করে, আর বিচার? সেটি হয় না বললেই চলে। একটা মেয়ের স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা করবে, বড় হবে, কিন্তু ধর্ষণের পর তার পরিচয় দাঁড়ায় ধর্ষিতা

একটা শিশুর স্বপ্ন ছিল, কিন্তু সমাজ তার শৈশব কেড়ে নিল। একটা নারীর স্বপ্ন ছিল সংসার হবে, ভালোবাসবে- কিন্তু এক রাতের নির্মমতা তাকে নিঃশেষ করে দিল।

এই বাস্তবতা প্রতিদিন আমাদের শহরের গলিতে গলিতে ছড়িয়ে পড়ছে। একটা মেয়ে রাতে বের হতে ভয় পায়, একটা মা চিন্তিত থাকে তার কিশোরী মেয়েকে স্কুল পাঠানোর সময়, একটা শিশু আর নির্ভয়ে খেলতে যেতে পারে না।

নারীর জীবনসংকট ও ভয়াবহ পরিস্থিতির প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে পুরো সমাজে। একটি মেয়ে রাতের অন্ধকারে রাস্তায় বের হওয়ার আগে একশবার ভাবে, কিন্তু একজন পুরুষ নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়ায়। একটি মা তার মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর আগে প্রতিদিন আতঙ্কে থাকে, কারণ তার মনে প্রশ্ন জাগে- সে কি নিরাপদে ফিরবে? একটি শিশু আর বন্ধুদের সঙ্গে মুক্ত মনে খেলা করতে পারে না, কারণ সমাজ তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

নারীরা আজ নিজেদের দোষী ভাবতে শুরু করেছে, তাদের চলাফেরা, পোশাক, কথাবার্তা সবকিছুতেই যেন সমাজের দৃষ্টি তীক্ষè হয়ে উঠেছে। অথচ মূল অপরাধীরা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

যে সমাজ ধর্ষককে চায়ের দোকানে বসিয়ে রাখে, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় আগলে রাখে, তাদের মুখরোচক বক্তৃতায় সম্মান দেয়, সে সমাজে ধর্ষণের সংখ্যা বাড়বেই। আমরা দেখেছি, ধর্ষক রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে পার পেয়ে যায়। প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান হলে মামলা ফাইলবন্দি হয়ে যায়। কোনো মাদরাসার শিক্ষক হলে, সমাজ বলে ধর্মীয় ব্যক্তি, কুৎসা রটানো হচ্ছে। বিচার পেতে গেলে উল্টো নির্যাতিতাকে দোষারোপ করা হয়- মেয়েটার পোশাক ঠিক ছিল না, ও কেন রাতে বের হয়েছিল? এভাবেই একটি রাষ্ট্রে বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। সমাজ ধর্ষকদের রক্ষা করতে ব্যস্ত, আর ধর্ষিতা বিচার চেয়ে ধুঁকে ধুঁকে বেঁচে থাকে।

ধর্ষণ বন্ধ করা সম্ভব, যদি আমরা ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে সচেতন হই। পরিবার থেকে সন্তানদের শেখাতে হবে, ধর্ষণ শুধু অপরাধ নয়, এটি একধরনের সামাজিক ব্যাধি। ছেলেদের শেখাতে হবে নারীর প্রতি সম্মান কীভাবে দেখাতে হয়। আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে যেন অপরাধীরা বেরিয়ে যেতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। ধর্ষণের শাস্তি দ্রুত কার্যকর করতে হবে। ধর্ষকের পরিচয় বড় নয়, অপরাধ বড়। রাজনৈতিক দলগুলোকে ধর্ষকদের রক্ষা করা বন্ধ করতে হবে। রাস্তায় পর্যাপ্ত সিসিটিভি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে, যাতে কেউ নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারে।

এই ভয়াবহ বাস্তবতা থেকে মুক্তি পেতে হলে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আনতে হবে।

১. বিচারব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। ধর্ষণের দ্রুত ও কঠোর বিচার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে অপরাধীরা ভয় পায়।

২. নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন প্রয়োজন। ধর্ষিতাকে অপমানের প্রতীক নয়, বরং একজন বীর যোদ্ধা হিসেবে দেখতে হবে, যে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও বেঁচে আছে।

৪. শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। নারীদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং সমাজে নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

৪. সমাজের নীরবতা ভাঙতে হবে। ধর্ষণের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে, যাতে অপরাধীরা বুঝতে পারে, এটি কোনো সাধারণ অপরাধ নয়, এটি একটি সামাজিক ব্যাধি।

আমরা এভাবে আর কত দিন চুপ থাকব? একটা সমাজের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য তখনই ঘটে, যখন মানুষের বিবেক মরে যায়। আমরা কি সেই মৃত বিবেকের সমাজে বাস করছি? নাকি এখনো আমাদের কিছু করার আছে? একটি শিশু ধর্ষিত হলে শুধু সে একা কাঁদে না। এই সমাজ, সভ্যতা কাঁদে। ধর্ষণের প্রতিটি ঘটনা আমাদের জন্য কলঙ্ক। আমরা কী চাই, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এমন একটা সমাজ রেখে যেতে, যেখানে মায়েরা সারাক্ষণ সন্তানের নিরাপত্তার জন্য আতঙ্কে থাকবে?

আজ সময় এসেছে রুখে দাঁড়ানোর। নীরবতা ভাঙতে হবে, বিচার চাইতে হবে, অপরাধীদের রাস্তায় ঘুরে বেড়ানোর অধিকার কেড়ে নিতে হবে। না হলে একদিন আমাদের প্রতিটি সকাল হবে নষ্ট সকাল, প্রতিটি রাত হবে রক্তমাখা রাত, আর আমরা শুধু শুনব- ছি! সভ্যতা মরে গেছে...

    লেখক : সাংবাদিক, সমাজ গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির
গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির

এই মাত্র | পূর্ব-পশ্চিম

প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি

১৩ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

বলিউড অভিনেতা মনোজ কুমার মারা গেছেন
বলিউড অভিনেতা মনোজ কুমার মারা গেছেন

২৪ মিনিট আগে | শোবিজ

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’
আজ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

সিরিজ হারের পর শাস্তিও জুটল পাকিস্তানের কপালে
সিরিজ হারের পর শাস্তিও জুটল পাকিস্তানের কপালে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ
মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

৮ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’
বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ