শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫

সীমান্তে বিজিবি ও জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ধারা

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. বায়েজিদ সরোয়ার, এনডিসি (অব.)
প্রিন্ট ভার্সন
সীমান্তে বিজিবি ও জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ধারা

জানুয়ারি ২০২৫ মাসজুড়ে উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সীমান্তে শূন্যরেখার কাছে বেড়া নির্মাণ, হত্যাসহ বিভিন্ন আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) সঙ্গে প্রতিবাদে নেমেছে হাজারো স্থানীয় জনগণ। গত ৫ আগস্ট  রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর হঠাৎ পাল্টে গেছে সীমান্তের দৃশ্যপট। বিজিবির প্রহরার সঙ্গে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সীমান্তের সাধারণ মানুষও একাট্টা হয়ে উঠেছে। শুরু হয়েছে আগ্রাসী তৎপরতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের নতুন ধারা।

সীমান্তে কাস্তে হাতে কৃষকের বার্তা : একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় গত ৭ জানুয়ারি থেকে ভাসছিল। এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্তের একটি ঘটনা। একদল বাংলাদেশি সীমান্তরক্ষীর পাশে হাতে কাস্তে, মাথায় গামছা পেঁচানো, লুঙ্গি গেঞ্জিতে আবৃত চিরায়ত বাংলার কৃষকের আহ্বান। এই কৃষক, এই সাধারণ মানুষ, যারা সত্যিকারের দেশপ্রেমিক, তারা আবার জেগেছে। সীমান্তে ভারতকে নতুন বার্তা দিচ্ছে। মাথা উঁচু করে চলার এ বার্তা। জনগণ সঙ্গে থাকলে সৈনিকরা চিরকাল অকুতোভয়। সীমান্তে অপরূপ হলুদ সর্ষে বনে দৃশ্যমান হলো দেশপ্রেমের ঝিলিক। প্রতিরোধে দৃপ্ত এ এক নতুন সীমান্ত জনপদ। সীমান্ত অঞ্চলের এ কৃষকরাই যেন ব্রিটিশ আমলে রংপুরের প্রতিবাদী নূরলদীনের সিলসিলা। আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তারা সীমান্তে ডাক দিয়ে যায়- ‘জাগো বাহে কোনঠে সবায়’?

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, কাস্তে হাতে এ সর্বহারা কৃষকই ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে লড়েছে। তারাই ছিল অত্যাচারী জমিদারদের বিরুদ্ধে হাজী শরিয়তউল্লাহর তেজি লাঠিয়াল। এরা ছিল নূরলদীনের লড়াকু সৈনিক। নাচোলের কৃষক বিদ্রোহ ও তেভাগা আন্দোলনের সাহসী সংগ্রামী কৃষক। ১৯৭১-এর রণাঙ্গনে এ অবহেলিত কৃষক আর অস্ত্র হাতে নেওয়া নিম্নবর্গের খেটে খাওয়া মানুষই ছিল মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখসমরের মূল গণযোদ্ধা।

সীমান্তে বিএসএফের নির্মম হত্যাকাণ্ড : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রয়েছে বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম ৪ হাজার ১৫৬ কিলোমিটার সীমান্ত। সমসাময়িককালে এ সীমান্তই বিশ্বের সবচেয়ে রক্তঝরা সীমান্ত। শুধু গত ১৬ বছরেই বিএসএফ বাংলাদেশের ৫৮৮ জন মানুষকে হত্যা করছে। অথচ বিগত আওয়ামী লীগ সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে বাংলাদেশের নাগরিকদের হত্যার বিরুদ্ধে কখনো প্রকৃত প্রতিবাদ করেনি। ‘রক্তের সম্পর্ক’ ও ‘বন্ধুরাষ্ট্র’ হিসেবে ব্যাপকভাবে আলোচিত ও উদযাপিত ভারতীয় বাহিনীর হাতেই নির্মমভাবে হত্যার শিকার বাংলাদেশের সীমান্তের মানুষ। এ হত্যা থামছেই না। শেখ হাসিনা ভারতে পালানোর পর সীমান্ত হয়েছে আরও উত্তেজনাপূর্ণ। তবে বাংলাদেশ সরকার ও সীমান্তরক্ষীদের মনোভাবে অনেক পরিবর্তন এসেছে। বিজিবি এখন আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে। দেশের ‘ফার্স্ট লাইন অব ডিফেন্স’ বা ‘প্রথম প্রতিরক্ষাব্যুহ’ হিসেবে পরিচিত বিজিবি ঠান্ডা মাথায় সীমান্তে উসকানিমূলক আগ্রাসী কর্মকাণ্ড মোকাবিলা করেছে।

সীমান্তযুদ্ধে বিজিবি ও জনতার অসাধারণ ঐক্য : সেনাবাহিনী থেকে প্রেষণে নিয়োজিত মূলত সেনা অফিসারদের গতিশীল নেতৃত্বে ‘সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী’ বিজিবি একটি পেশাদার ও কর্তব্যনিষ্ঠ সীমান্ত জনপদসংগঠন হিসেবে মর্যাদা লাভ করে। বিভিন্ন সময় এ বাহিনী আসালং মৌজা, লক্ষ্মীপুর, জকিগঞ্জ, মোগলহাট, উখিয়া, রেজুপাড়া, পাদুয়া, বড়াইবাড়ী, হিলি, আখাউড়া, তোতাদিয়া, টেকনাফ, জকিগঞ্জ, বেরুবাড়িসহ অসংখ্য সীমান্ত সংঘর্ষ/যুদ্ধে ভারতীয় ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিরুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শন করেছে। এসব ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণ সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে সীমান্তরক্ষীদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

১৯৫৮ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার লক্ষ্মীপুর বিওপি এলাকায় বিএসএফ ও ইপিআর (বর্তমানে বিজিবি) এর মধ্যে প্রচণ্ড ‘সীমান্তযুদ্ধ’ সংঘটিত হয়। পরবর্তী সময়ে ১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টও এ অভিযানে (অপারেশন শাড়ি ড্যান্স) অংশগ্রহণ করেছিল। এ সীমান্তযুদ্ধে স্থানীয় জনগণ অসাধারণ ভূমিকা পালন করে। এ যুদ্ধে ইপিআর ব্যাটালিয়ন কমান্ডার মেজর তোফায়েল মোহাম্মদ ও জমাদার আজম খানের বীরত্বগাথা সেই অঞ্চলে রূপকথার গল্পের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল। তাঁদের বীরত্বগাথা পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে (মরণ যাহার চরণ সেবক) অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।

২০০৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইলে (বিখ্যাত বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তের স্মৃতিবিজড়িত কালিকচ্ছ গ্রামে) অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ১ রাইফেল ব্যাটালিয়নে স্বল্পকালীন দায়িত্ব পালনকালে লক্ষ্মীপুর-মুকুন্দপুরের সীমান্ত এলাকার সেই যুদ্ধকালীন ঘটনাগুলো এলাকাবাসী ও জ্যেষ্ঠ বিজিবি সদস্যদের থেকে জানার সুযোগ হয়েছিল।

আসালং মৌজাযুদ্ধ : ১৯৬২ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে খাগড়াছড়ির (মাটিরাঙ্গা উপজেলা) তাইন্দং বিওপি (১১ উইং) নিকটবর্তী আসালং মৌজায় বড় রকমের একটি ‘সীমান্তযুদ্ধ’ সংঘটিত হয়। সেই সময় ভারতীয় বাহিনী ফেনী নদী/আসালং খাল অতিক্রম করে আসালং মৌজার কিছু অংশ দখল করলে তৎকালীন ইপিআর ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর (৬ এফএফ রেজিমেন্ট) একটি শক্তিশালী দল সেখান থেকে তাদের উৎখাতের জন্য আক্রমণ পরিচালনা করে (অপারেশন কিক অফ)। এ সেনাদলের কোম্পানি কমান্ডার ছিলেন তৎকালীন ক্যাপ্টেন সি আর দত্ত (পরে মেজর জেনারেল বীর উত্তম)। এ যুদ্ধের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল- দুর্গম অঞ্চলে সৈন্যদের রসদসামগ্রী, অস্ত্র, গোলাবারুদ বহন ও ট্রেঞ্ঝ খননে সাধারণ মানুষের (পাহাড়ি-বাঙালি) অসাধারণ অবদান। এ যুদ্ধের কথা মেজর জেনারেল সি আর দত্ত বীর উত্তম থেকে শোনার সুযোগ হয়েছিল। আসালং মৌজা থেকে কুমিল্লা সেনানিবাসে ফেরার পথে তাঁদের পথে পথে স্থানীয় জনগণ ফুলের মালা দিয়ে সম্মানিত করেছিল। চট্টগ্রাম সেনানিবাসে দায়িত্ব পালনকালে ২০০৬ সালে এ আসালং যুদ্ধক্ষেত্রে আমার যাওয়ার সুযোগ হয়। পাদুয়া ঘটনা এপ্রিল ২০০১- সিলেটে মোতায়েন বিডিআরের একটি সাহসী দল ২০০১ সালের ১৫ এপ্রিল সিলেট জেলার (গোয়াইনঘাট উপজেলা) পাদুয়ায় অবস্থিত দীর্ঘদিন বিএসএফের দখলে থাকা ‘পাদুয়া’ ক্যাম্পটি বিনা রক্তপাতে পুনরুদ্ধার করে।

এ ঘটনায় একদল গ্রামবাসী পরিখা খনন করে সীমান্তরক্ষীদের সহায়তা করেছিল। ১৬ এপ্রিল সূর্য ওঠার পর আশপাশের হাজার হাজার গ্রামবাসী হাজির হয়েছিল পাদুয়া গ্রামে। এটি ছিল অসাধারণ এক দৃশ্য। গ্রামের মানুষ আর বিডিআর সৈনিক সম্পূর্ণ একাত্ম। ১৬ এপ্রিল সকাল থেকে ১৯ এপ্রিল সূর্যাস্ত পর্যন্ত চার দিন গ্রামটিতে উড়েছিল বাংলাদেশের পতাকা। দুঃখজনকভাবে পরে বিডিআরকে ক্যাম্পটি ছেড়ে আসতে হয়।

রৌমারী-বড়াইবাড়ী যুদ্ধ : এপ্রিল ২০০১ পাদুয়া ঘটনার জের ধরে প্রতিশোধমূলক প্রতিক্রিয়ায়, ২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল ভারতের বিএসএফের একটি বিশাল বাহিনী রাতের আঁধারে কুড়িগ্রাম জেলার (রৌমারী উপজেলা) ‘বড়াইবাড়ী বিওপি’ আক্রমণ করে। বিওপি কমান্ডার হাবিলদার নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বীরত্বমূলক প্রতিরোধে আক্রমণকারী বিএসএফের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বিএসএফ ১৬ জন মৃত সীমান্ত সেনাকে মাঠে ফেলে পালিয়ে যায়। এ আক্রমণে মোট ৩ জন বিডিআর সদস্য শাহাদাতবরণ করেন। এ ঘটনাটির জন্য সম্পূর্ণরূপে দায়ী ছিল বিএসএফ।

এ যুদ্ধে স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা ছিল অবিস্মরণীয়। যুদ্ধের সময় এলাকাবাসী বিডিআরের রসদ, গুলির বাক্স, অস্ত্র ইত্যাদি দলবেঁধে মাথায় করে পৌঁছে দিয়েছিল ক্যাম্পে। খাদ্য সরবরাহ ছাড়াও অন্য অঞ্চল থেকে অতিরিক্ত বিডিআর আসার আগপর্যন্ত এভাবেই জনগণ বিডিআরকে সর্বতোভাবে সহায়তা দান করে। ক্ষুদ্রাকারে হলেও রৌমারী প্রতিরোধযুদ্ধকে একটি জনযুদ্ধে রূপান্তরিত করেছিল।

রেজুপাড়া ঘটনা : ১৯৯১ সালের ২১ ডিসেম্বর সকালে মিয়ানমারের লুন্টিন বাহিনী বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলাধীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) ব্যাটালিয়নের ‘রেজুপাড়া বিওপি’ অতর্কিত আক্রমণ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি প্রচলিত যুদ্ধের সামরিক অভিযানে (অপারেশন নাফ রক্ষা) নিয়োজিত হয়েছিল। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে জরুরি ভিত্তিতে একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন ও একটি আর্টিলারি ব্যাটারি ওই এলাকায় মোতায়েন করা হয়। পরে আরও সৈন্য দল আসে, যা ব্রিগেড পর্যায়ে উন্নীত হয়।

এ সময় উখিয়া সীমান্তে নিয়োজিত ছিল লে. কর্নেল কাজী বায়েজীদুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ২৯ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (সাপোর্ট ব্যাটালিয়ন)। অতি অল্প সময়ে এ ব্যাটালিয়নের প্রতিরক্ষা অবস্থান তৈরিসহ বিভিন্ন কাজে উখিয়া-নাইক্ষ্যংছড়ি অঞ্চলের জনসাধারণ সেনাবাহিনী ও বিডিআরকে অসাধারণ সহায়তা প্রদান করেছিলেন ।

বাংলাদেশ কাউকে কুর্নিশ করে না : বাংলাদেশের মানুষ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চায়, তবে তা হতে হবে সমতার ভিত্তিতে। লাখো প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। বাংলাদেশ কাউকে কুর্নিশ করে না। কোনো আধিপত্য মানে না। ভারতের মিডিয়া, রাজনীতিবিদদের একাংশ, এমনকি সরকার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছে। এ ছাড়াও মোদি সরকার বাংলাদেশবিরোধী নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এ বিষয়ে ব্যাপক সতর্কতা প্রয়োজন।

জাগো বাহে কোনঠে সবায় : বর্তমানে ভারত ও মিয়ানমার দুই সীমান্তেই অস্থিরতা ও জটিল পরিস্থিতি বিদ্যমান। এ সময় সীমান্তরক্ষীদের ঠান্ডা মাথায় ধৈর্য ধরে কিন্তু সাহসিকতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আগামী দিনেও এ ধরনের উসকানিমূলক ও আগ্রাসী আচরণের জবাব দেওয়ার জন্য বিজিবিকে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। তবে এসব ক্ষেত্রে কোনো হঠকারী চিন্তা, অন্ধবিদ্বেষ ও উগ্র পন্থার স্থান নেই।

জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে সীমান্তে যেকোনো আগ্রাসনের প্রতিরোধ সম্ভব। বর্তমান বাস্তবতায়, বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীকে অবশ্যই ‘ডেটারেন্স’ অর্জন করতে হবে। জনগণের সহযোগিতা বিজিবির বড় শক্তি। জাতীয় ঐক্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে আশাবাদী বিষয় হলো, সীমান্তের মানুষ আবার জেগেছে। যদি কখনো আমাদের মাতৃভূমির ওপর শকুনের দৃষ্টি পড়ে, যদি কোনো বিপদ আসে এ বাংলায়, তখন সীমান্তে নুরলদীনরা আবার ডাক দিয়ে যাবে- ‘জাগো বাহে কোনঠে সবায়’?

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, গবেষক

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

এই মাত্র | নগর জীবন

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৩০ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে কৃষকের হাত কেটে নিল সন্ত্রাসীরা
মাদারীপুরে কৃষকের হাত কেটে নিল সন্ত্রাসীরা

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

চুরিতে বাধা দেওয়ায় তরমুজ চাষিকে পিটিয়ে হত্যা
চুরিতে বাধা দেওয়ায় তরমুজ চাষিকে পিটিয়ে হত্যা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সিজার পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব?
সিজার পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব?

৪৫ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

স্ক্রিনশট আসল নাকি নকল, বোঝার উপায় কী?
স্ক্রিনশট আসল নাকি নকল, বোঝার উপায় কী?

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মাদারীপুরে আগুনে পুড়লো ১৯ দোকান
মাদারীপুরে আগুনে পুড়লো ১৯ দোকান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’
‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীতে অটোরিকশার ধাক্কায় নারীর মৃত্যু
রাজধানীতে অটোরিকশার ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ১৫
গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ১৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নগরকান্দায় ফসলি জমিতে পড়েছিল তরুণের মরদেহ
নগরকান্দায় ফসলি জমিতে পড়েছিল তরুণের মরদেহ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সবার কল্যাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
সবার কল্যাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সার্ভার জটিলতা, কমলাপুরে কয়েকটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়
সার্ভার জটিলতা, কমলাপুরে কয়েকটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হায়দরাবাদকে হারিয়ে যা বললেন রাহানে
হায়দরাবাদকে হারিয়ে যা বললেন রাহানে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির
গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

বলিউড অভিনেতা মনোজ কুমার মারা গেছেন
বলিউড অভিনেতা মনোজ কুমার মারা গেছেন

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’
আজ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিরিজ হারের পর শাস্তিও জুটল পাকিস্তানের কপালে
সিরিজ হারের পর শাস্তিও জুটল পাকিস্তানের কপালে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ
মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

২২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’
বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড
এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের
তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধলেশ্বরীতে সেনা অভিযানে অস্ত্রসহ ডেঞ্জার গ্যাংয়ের ১৬ সদস্য আটক
ধলেশ্বরীতে সেনা অভিযানে অস্ত্রসহ ডেঞ্জার গ্যাংয়ের ১৬ সদস্য আটক

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক-আঘাতে ধরাশায়ী এশিয়ার শেয়ারবাজার
ট্রাম্পের শুল্ক-আঘাতে ধরাশায়ী এশিয়ার শেয়ারবাজার

২১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা