শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৫ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩০, বুধবার, ০৫ মার্চ, ২০২৫

ভাসানী ও ঘাড় ধাক্কা খাওয়া এক প্রধানমন্ত্রী

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
ভাসানী ও ঘাড় ধাক্কা খাওয়া এক প্রধানমন্ত্রী

রাজনীতি হলো রাজার নীতি। রাজতন্ত্রের যুগে এটিই ছিল নিয়ম। প্রজাতন্ত্রের যুগে প্রজারাই দেশের মালিক মোক্তার। এমনকি এ আধুনিক যুগে যেসব দেশে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র রয়েছে, সেখানেও রাজাকে চলতে হয় প্রজাদের কথায়। প্রজাদের দ্বারা নির্বাচিত পার্লামেন্ট নির্ধারণ করে দেয় রাজা বা রানি কত বেতন-ভাতা পাবেন। কী করবেন আর কী করবেন না। রাজতন্ত্রে কে রাজা হবেন তা নির্ধারণে প্রজাদের কোনো ভূমিকা নেই। রাজার পুত্র বা কন্যা রাজা বা রানি হবেন এটিই সুনির্ধারিত নিয়ম।

কিন্তু প্রজাতন্ত্র বা গণতন্ত্রের যুগে বস্তির ছেলেও জনসমর্থনের জোরে রাষ্ট্রপতি হওয়ার নজির রয়েছে। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট প্রেমদাসা ছিলেন বস্তির ছেলে। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ডি সিলভা লুলা ছিলেন হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান। পঞ্চম শ্রেণির বেশি লেখাপড়া করতে পারেননি অর্থাভাবে। সেই লুলা প্রেসিডেন্ট হয়ে দেনার দায়ে দেউলিয়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়ানো ব্রাজিলকে প্রায় আকাশে উঠিয়েছেন। তাঁর সুশাসনে ব্রাজিল পৃথিবীর অন্যতম বড় অর্থনীতির দেশ হিসেবে স্বীকৃত। রাস্তার ঝাড়ুদার হিসেবে তিনি কাজ করেছেন, তিনি জাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হয়েছেন জনসমর্থনের গুণে। নামিবিয়ার রাষ্ট্রপতি শ্যাম নাজোমো ছিলেন পেশায় নাপিত।

বাংলাদেশের রাজনীতির প্রবাদপুরুষ মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার কণ্ঠস্বর হিসেবে ভাবা হতো এ নেতাকে। ভাসানীর জন্ম নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে। বিয়ে করেন জমিদারকন্যাকে। যিনি ছিলেন তাঁর বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। অথচ এ মানুষটি আমৃত্যু গ্রামের অতিসাধারণ কৃষক কিংবা শহরের বস্তিবাসীর মতো জীবনযাপন করেছেন। শ্বশুরবাড়ির সূত্রে যে সম্পদ অর্জন করেছেন, তার সবই দান করে দিয়েছেন গরিবদের মধ্যে।

মওলানা ভাসানী ভারতের দেওবন্দ মাদরাসায় দুই বছর পড়াশোনা করলেও কোনো সনদ অর্জন করেননি। কৃষক শ্রমিক ও গরিব মানুষের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন সারা জীবন। ভারতের আসামের বাঙালিদের অবস্থা যখন বিপন্ন তখন ছুটে গিয়েছেন তাদের পাশে। ভাসানচরে কৃষকদের সংগঠিত করেছেন। তাদের নেতৃত্ব দিয়ে বন্যার কবল থেকে বাঁচাতে বাঁধ তৈরি করেছেন। স্থাপন করেছেন মাদরাসা ও বিদ্যালয়। বাঙালিদের প্রতি আসাম সরকারের বৈষম্যের অবসান ঘটিয়েছেন। ভাসানচরের মানুষের কাছে তিনি ছিলেন পীর। ভাসানচরের মওলানা হিসেবেও তাঁর পরিচিতি গড়ে ওঠে। পৈতৃক নাম আবদুল হামিদ খানের সঙ্গে যুক্ত হয় ভাসানী শব্দটি।

মওলানা ভাসানী কংগ্রেস থেকে যোগ দেন মুসলিম লীগে। আসাম মুসলিম লীগের সভাপতি ও বিধানসভার সদস্যও নির্বাচিত হন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হলে আসাম থেকে মওলানা ভাসানীকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি চলে আসেন পূর্ব পাকিস্তানে। মুসলিম লীগের বড় মাপের নেতা হওয়া সত্ত্বেও কায়েমি স্বার্থবাদীরা তাকে দলের বাইরে রাখে নিজেদের নেতৃত্ব হারানোর ভয়ে। মওলানা ভাসানী টাঙ্গাইলের মুসলিম লীগ নেতা ও জমিদার পন্নীর বিরুদ্ধে জয়ী হন প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সেই নির্বাচন বাতিল করে তাঁর জয় কেড়ে নেওয়া হয়। ১৯৪৯ সালে মওলানার নেতৃত্বে গড়ে ওঠে আওয়ামী মুসলিম লীগ। পরবর্তী সময়ে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন তিনি।

ওই নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের কাছে মুসলিম লীগের ভরাডুবি ঘটে। প্রাদেশিক পরিষদে যুক্তফ্রন্ট যেখানে পায় ২২৮টি, মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৯টি আসন। শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে প্রাদেশিক সরকার গঠিত হয়। এ সময় মওলানা ভাসানী বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে সুইডেন সফর করেন। ওই সময় ইউরোপের কয়েকটি দেশ ভ্রমণের সুযোগও হয় মওলানার। খন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াস তাঁর ভাসানী যখন ইউরোপে বইতে সে সফরের যে চিত্র তুলে ধরেছেন তা সত্যিকার অর্থেই অনন্য। এতে বলা হয়, লাগেজ বলতে মওলানা ভাসানীর আজীবনের সাথি একটি মাত্র স্যুটকেস। দৈর্ঘ্য ষোলো ইঞ্চি। সম্পদ বলতে তাঁর মধ্যে থাকে একটি গামছা, একটি লুঙ্গি, একটি খদ্দরের পাঞ্জাবি, মাথার একটা টুপি, কিছু তামাকপাতা ও চুনের একটি ডিব্বা। এসব নিয়েই পূর্ব বাংলার শহরে-গ্রামে সফর করেন এবং এসব নিয়েই তিনি গেছেন ইউরোপ সফরে। চিরসাথি স্যুটকেসটিতে তালা নেই। সেই বস্তু বিদায় নিয়েছে বহু দিন আগেই। ফলে চির উন্মুক্ত স্যুটকেসটি দড়ি বা শাড়ির পাড় দিয়ে বেঁধে নিয়ে এখানে-সেখানে যেতে হয়।

...ঢাকা থেকে যে দড়ি দিয়ে তাঁর একমাত্র লাগেজ বেঁধে আনা হয়েছিল লন্ডনে, একদিন সেটা হারিয়ে গেল। অনেক খোঁজাখুঁজির পর দেখা গেল সেটা ডাস্টবিনে শোভা পাচ্ছে। বাসার ঝাডুদার রাবিশ মনে করে সেটা ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছিলেন।

একদিন তাঁর ইউরোপ সফরসঙ্গীরা বলল, হুজুর, এটা ফেলে দিয়ে একটা নতুন স্যুটকেস কিনে নেন না কেন? উত্তরে তিনি বললেন, জীবনের বহুদিনের সঙ্গী আমার এ স্যুটকেসটি। বিদেশ-বিভুঁইয়ে ওকে না ফেলে দিয়ে দেশে গিয়েই না হয় বদলানো যাবে।

লন্ডন থেকে স্টকহোমে যাওয়ার পথেও ছেঁড়া লুঙ্গির একাংশ দিয়ে বেঁধে স্যুটকেসটি নিয়ে যাওয়া হলো। স্টকহোম থেকে পুনরায় লন্ডনে ফেরার পথেও সেই ছেঁড়া লুঙ্গির বাঁধন। কিন্তু লন্ডন এয়ারপোর্টে এসে রহস্যজনকভাবে স্যুটকেসটি হারিয়ে যায়। স্যুটকেসটি হারানোর ফলে সফরসঙ্গীরা খুব খুশি হন। সিদ্ধান্ত হলো, একটা নতুন স্যুটকেস ক্রয় করা হবে।

যেদিন স্যুটকেস কেনার জন্য বাসা থেকে বের হচ্ছিলেন ঠিক তখনই মওলানার সঙ্গে কয়েকবার জেলখাটা সেই স্যুটকেসটি নিয়ে হাজির ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের লোক।

বললেন, মনে কিছু করবেন না স্যার, স্যুটকেসটি ভুলক্রমে ব্রাসেলসে চলে গিয়েছিল। আমরা দুঃখিত। মওলানার তখনো বেলজিয়াম দেখার সুযোগ হয়নি অথচ তাঁর জেলখাটা স্যুটকেসটি সে দেশটা এক চক্কর ঘুরে এসেছে। পুরোনো সাথি পেয়ে হুজুরের আনন্দ আর ধরে না। তিনি আরও খুশি হলেন দেখে যে বিমান কোম্পানি তাঁর ভাঙা স্যুটকেসটি মেরামত করে তাতে একটা তালা লাগিয়ে এক জোড়া চাবি ঝুলিয়ে দিয়েছে।

আমাদের দেশের রাজনীতিতে পচন ধরেছে। এ নিয়ে দ্বিমত পোষণের কোনো সুযোগ নেই। শুধু মওলানা ভাসানী নয়, এ দেশে ছিলেন হাজী দানেশের মতো ত্যাগী রাজনীতিক। অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ যাঁরা, তাঁরাও তাঁর সততা নিয়ে কখনো প্রশ্ন করেননি। আওয়ামী লীগের পৌনে ১৬ বছরের শাসনামলে অনেক মন্ত্রী-এমপির বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অসততার অভিযোগ উঠলেও মতিয়া চৌধুরী ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ব্যক্তিগত সততা নিয়ে কেউ কখনো প্রশ্ন তোলেননি। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থেকে ৮ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সিপিবি নেতা মোহাম্মদ ইউসুফ। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। সংসদ নির্বাচনে তিনি নিজের পকেট থেকে কোনো অর্থ ব্যয় করেননি। ব্যয় করার সামর্থ্যও তাঁর ছিল না। এলাকাবাসী চাঁদা দিয়ে তাঁকে সংসদে পাঠান রাঙ্গুনিয়ার পক্ষে কথা বলার জন্য। মৃত্যুকালে ধনসম্পদ দূরের কথা চিকিৎসা খরচ জোগানোরও অর্থ ছিল না। মোহাম্মদ ইউসুফের ভাই ছিলেন চায়ের দোকানদার। ভাইয়ের সংসারে দুই বেলা খাবার জুটলেও নিজের চিকিৎসার খরচ জোগানোর উপায় ছিল না। পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন আবু হোসেন সরকার। তাঁকেও বিনা চিকিৎসায় মরতে হয়েছে অসহায়ভাবে। একসময় রাজনীতিতে এমন নেতার অভাব না থাকলেও এখন টাউট-বাটপার আর লোভীরাই রাজনীতির নিয়ন্ত্রক। শুধু বাংলাদেশ নয়, একসময় আমাদের উপমহাদেশের রাজনীতিতে যাঁরা নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁদের প্রায় সবাই ছিলেন ত্যাগী। মহাত্মা গান্ধী ছিলেন ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান। কিন্তু তিনি গ্রামের একজন সাধারণ গরিব কৃষকের মতোই জীবনযাপন করতেন। পাকিস্তানের পাখতুন খোয়ার আবদুল গফফার খান ট্রেনে চলাচলের জন্য তৃতীয় শ্রেণির টিকিট কিনতেন। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের চারবারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সিপিএম নেতা মানিক সরকার। ২০ বছর দায়িত্ব পালনের পর ২০১৮ সালে তিনি যখন মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়েন তখন ঘর ভাড়া করে থাকার সামর্থ্যও ছিল না এ ত্যাগী নেতার। তিনি পার্টি অফিসে ওঠেন বসবাসের জন্য।

আর ভারতের দুইবারের প্রধানমন্ত্রী গুলজারিলাল নন্দ বাসা ভাড়া দিতে না পারায় বাড়িওয়ালা তাঁকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন বাসা থেকে। ৯৪ বছরের বৃদ্ধ সাবেক প্রধানমন্ত্রী এজন্য সংবাদ শিরোনামে পরিণত হন। গুলজারিলাল নন্দ দুবার ভারতের অস্থায়ী প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। মন্ত্রীও ছিলেন বহুদিন ধরে। অবসর জীবনে সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে মাসে ৫০০ টাকা ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। বলেন, দেশের জন্য যে আত্মত্যাগ করেছি, তা টাকার বিনিময়ে বিক্রি করতে পারব না। সরকারি আবাসনসহ বিভিন্ন সুযোগসুবিধার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দেন। বলেন, কদিন আর বাঁচব। এভাবেই জীবনটা কেটে যাক না। এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। তারপর মুম্বাইয়ের সেন্ট্রাল কলেজের অর্থনীতির অধ্যাপক হন। দেশের স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেন।

আয়ের আর কোনো উৎস না থাকায় বন্ধুদের অনুরোধে কিছুটা বাধ্য হয়েই তিনি সরকারি ভাতা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু সেটাও সময়মতো হাতে পেতেন না। দুই মাস ভাতা না আসায় বাকি রয়ে যায় বাড়িভাড়া। কদিন ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া হয়নি, টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে যায় ওষুধ খাওয়া। সম্বল ছিল কেবল একটা ছেঁড়া মাদুর, পুরোনো চাদর, অ্যালুমিনিয়ামের একটা বাসন, একটা পেয়ালা, প্লাস্টিকের একটা বালতি আর একটা মগ। বাড়িওয়ালা ঘর থেকে বের করে দিলে কাকুতিমিনতি করে কয়েক দিন সময় চান গুলজারিলাল নন্দ। প্রতিবেশীদের অনুরোধে কিছুটা নরম হলেন বাড়িওয়ালা। সময় দেওয়া হলো আরও পনেরো দিন। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় হইচই দেখে এক নবীন সাংবাদিক বিষয়টি লক্ষ করেন। জুতসই খবর হবে ভেবে বৃদ্ধের ও বাড়ির ছবি তুলে নিলেন সাংবাদিক। মনে মনে ভাবেন তাঁর প্রতিবেদনের শিরোনাম হবে, টাকার জন্য এক অসহায় বৃদ্ধকে বাড়ি থেকে বের করে দিলেন পাষাণ হৃদয়ের এক বাড়িওয়ালা।

পত্রিকা অফিসে গিয়ে সাংবাদিক সম্পাদককে ঘটনাটি জানান। ছবিগুলো দেখে সম্পাদক তো হতবাক।

পরদিন সকালে খবরের কাগজে ছবিসহ প্রকাশিত হলো, অসহায় অবস্থায় জীবনযাপন করে চলেছেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

গুলজারিলাল নন্দের দুরবস্থার খবর পৌঁছে যায় সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসীমা রাওয়ের কাছে। মন্ত্রী-আমলাসহ তিনি হাজির হন বৃদ্ধ নেতার আস্তানায়। বাড়িওয়ালা বুঝতে পারলেন না, ঘটনাটা কী। পরে শুনলেন, তাঁর ভাড়াটে যে সে কেউ নন, ভারতের একজন স্বাধীনতাসংগ্রামী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে সঙ্গে তিনি গুলজারিলাল নন্দের কাছে ক্ষমা চান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনি ক্ষমা চাচ্ছেন কেন, আপনার তো কোনো দোষ নেই। আমি ভাড়া দিতে পারিনি, সেটি তো আমার অপরাধ।

ভারতের রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালাম কখনো প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে জড়িত হননি। দেশের জন্য অসামান্য অবদানের পুরস্কার হিসেবে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হন তিনি। ভারতের এ সাবেক রাষ্ট্রপতি যখন মারা যান তখন তাঁর রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছিল আড়াই হাজার বই, চারটি শার্ট, ছয়টি প্যান্ট, তিনটি স্যুট, ছেচল্লিশটি ডক্টরেট এবং পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ ও ভারতরত্ন পুরস্কার।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল :[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির
গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি

২১ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

বলিউড অভিনেতা মনোজ কুমার মারা গেছেন
বলিউড অভিনেতা মনোজ কুমার মারা গেছেন

৩২ মিনিট আগে | শোবিজ

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’
আজ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’

৫৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

সিরিজ হারের পর শাস্তিও জুটল পাকিস্তানের কপালে
সিরিজ হারের পর শাস্তিও জুটল পাকিস্তানের কপালে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ
মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার সবসময় আন্তরিক : সুপ্রদীপ চাকমা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

৮ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’
বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ