শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা দাওয়াতি মিলনমেলা

আবদুর রশিদ
প্রিন্ট ভার্সন
টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা দাওয়াতি মিলনমেলা

তুরাগ তীরের ইজতেমা মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যের ডাক দেয়। ভ্রাতৃত্ব, একতা, সাম্য ও শান্তির বার্তা উপহার দেয়। প্রতি বছরের মতো এবারও অনেক দেশের মুসলমানরা ইজতেমায় অংশগ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশে এসেছেন। অংশ নিচ্ছেন তাবলিগ জামাতের দাওয়াতি কার্যক্রমে।

দাওয়াত শব্দটি আরবি, এর আভিধানিক অর্থ আহ্বান করা। ইসলামে দীনহারা মানুষকে দীনের দিকে বা ইসলামের দিকে আসার আহ্বান জানানোকে দাওয়াত বলা হয়। বস্তুত আত্মবিস্মৃত মানবজাতিকে এক আল্লাহর পথে আহ্বান করাই ছিল নবী-রসুলগণের প্রধানতম দায়িত্ব। শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে পবিত্র কোরআন মাজিদে দাঈ হিসেবে উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে : ‘আল্লাহর অনুমতিক্রমে তাঁর দিকে আহ্বানকারীরূপে এবং উজ্জ্বল প্রদীপরূপে আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি’ (সুরা আহযাব-৩৩:৪৬)। বিশ্ব ইজতেমা দাওয়াতি কার্যক্রমের মহামিলন মাহফিল। আল্লাহর মনোনীত পথে মানবজাতিকে পরিচালিত করার জন্য দুনিয়ার প্রথম মানব ও নবী হজরত আদম (আ.) থেকে সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত ১ বা ২ লাখ ২৪ হাজার নবীর আগমন ঘটেছে পৃথিবীতে। তাঁরা আল্লাহ নির্দেশিত সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের কাফেলায় মানুষকে সঙ্গী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। নবুয়তের দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এ দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসারীদের ওপর। মহানবীর বিদায়ের পর থেকে পর্যায়ক্রমে এ দায়িত্ব খোলাফায়ে রাশেদিন, সাহাবায়ে কেরাম, তাবেইন, তাবেতাবেইন, সলফে সালেহিন, আলেম-ওলামা ও পীর মাশায়েখগণ পালন করে আসছেন। দিল্লির মেওয়াতে দারুল উলুম দেওবন্দের মুরব্বি মাওলানা ইলিয়াস (রহ.) ১৯২৬ সালে দাওয়াত ও তাবলিগের কাজ শুরু করেন, যার সম্প্রসারিত রূপ আজকের টঙ্গীর তুরাগ তীরের বিশ্ব ইজতেমা। এক আল্লাহর প্রতি ইমান আনা এবং ঐক্যবদ্ধভাবে সৎ কাজ করা ও অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখাই এ দাওয়াতের মুখ্য উদ্দেশ্য। দাওয়াতি কাজের এ দায়িত্বটি তাবলিগ জামাতের মুরব্বিরা বেছে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন এবং হাদিসের আলোকে। আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘আমি চাই তোমাদের মধ্যে এমন একদল লোক, যারা মানুষকে সত্যের পথে আহ্বান করবে, ভালো কাজের আহ্বান করবে, আর মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখবে। ওই দলটাই হলো সফলকাম।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত-১০৪)। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও দাওয়াতি কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিয়েছেন।

বিদায় হজের ভাষণে তিনি বলেছেন, ‘আমার পর আর কোনো নবী আসবে না। অতএব, আমার একটি বাণী হলেও অন্যের কাছে পৌঁছে দাও। আল্লাহ এবং রসুলের বাণী মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, বিপথগামী মানুষকে সঠিক পথে আনা, মানুষের দুনিয়া ও আখিরাতের জীবনের কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাবলিগ মিশন। জাগতিক লোভলালসার ঊর্ধ্বে উঠে যথার্থ মানবকল্যাণের মিশনকে এগিয়ে নিতে চান এই কাফেলার সদস্যরা। এক মুসলমান আরেক মুসলমানের ভাই এই বোধকে উজ্জ্বল করেছে আল্লাহপ্রেমিকদের এ দলটি। অভাবগ্রস্ত বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশেও তারা অবস্থান নিয়েছে আল্লাহ ও তাঁর রসুলের হুকুম অনুযায়ী। সোজা কথায় ইহকাল ও পরকালের শান্তির জন্য মানুষকে সত্য ও সরল পথে আহ্বান জানানোর দায়িত্ব পালন করছে তাবলিগ জামাত। 

বিশ্বের যে কোনো দেশের যে কোনো মত ও পথের মুসলমান যোগ দিতে পারেন। সব মাজহাবের অনুসারী অংশগ্রহণ করতে পারেন। ইজতেমায় যারা আসে তার মধ্যে কেউ হানাফি মাজহাবের অনুসারী, কেউ শাফেয়ি মাজহাবের অনুসারী। আবার কেউ হামবলি মাজহাবের অনুসারী। কেউ আবার মালিকি মাজহাবের অনুসারী। এমন মুসলমানও ইজতেমায় আসে যারা কোনো মাজহাবেরই অনুসারী নয়। প্রতিটি বয়ানে মুসলমানদের মধ্যে আবার ভ্রাতৃত্ব ও সংহতি কীভাবে ফিরিয়ে আনা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়। সাহাবিদের সোনালি যুগের আলোচনা হয়। সবার মধ্যে কীভাবে মহব্বত সৃষ্টি করা যায় সে চেষ্টা করা হয়। সবার উদ্দেশ্য থাকে আল্লাহর সন্তুষ্টি। আল্লাহর রসুলের সুন্নতের প্রতি ভালোবাসা ও আনুগত্য। প্রিয় নবী ও তাঁর সাহাবিরা যেভাবে ইসলাম প্রচারের জন্য মক্কা-মদিনার বাইরে গেছেন, সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছেন, এখানেও সেই শিক্ষা দেওয়া হয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবিদের যেভাবে ইসলাম প্রচারের কাজে উদ্বুদ্ধ করতেন, এখানেও তাই করা হয়।

মানুষকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসার শিক্ষা দেওয়া হয়। আল্লাহর রাস্তায় জানমাল ব্যয় করার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সবাইকে ইসলাম প্রচারে অংশ নিতে উৎসাহিত করা হয়। বিশ্ব ইজতেমায় আগত মেহমান সবাই আল্লাহর জিকিরে মশগুল থাকে। রাতের বেলায় তাহাজ্জুদ নামাজে আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করে। রবিবার আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে বিশ্ব ইজতেমা।     

♦ লেখক : ইসলামবিষয়ক গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

এই মাত্র | নগর জীবন

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৩০ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে কৃষকের হাত কেটে নিল সন্ত্রাসীরা
মাদারীপুরে কৃষকের হাত কেটে নিল সন্ত্রাসীরা

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

চুরিতে বাধা দেওয়ায় তরমুজ চাষিকে পিটিয়ে হত্যা
চুরিতে বাধা দেওয়ায় তরমুজ চাষিকে পিটিয়ে হত্যা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সিজার পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব?
সিজার পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব?

৪৫ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

স্ক্রিনশট আসল নাকি নকল, বোঝার উপায় কী?
স্ক্রিনশট আসল নাকি নকল, বোঝার উপায় কী?

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মাদারীপুরে আগুনে পুড়লো ১৯ দোকান
মাদারীপুরে আগুনে পুড়লো ১৯ দোকান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’
‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীতে অটোরিকশার ধাক্কায় নারীর মৃত্যু
রাজধানীতে অটোরিকশার ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ১৫
গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ১৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নগরকান্দায় ফসলি জমিতে পড়েছিল তরুণের মরদেহ
নগরকান্দায় ফসলি জমিতে পড়েছিল তরুণের মরদেহ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সবার কল্যাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
সবার কল্যাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সার্ভার জটিলতা, কমলাপুরে কয়েকটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়
সার্ভার জটিলতা, কমলাপুরে কয়েকটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হায়দরাবাদকে হারিয়ে যা বললেন রাহানে
হায়দরাবাদকে হারিয়ে যা বললেন রাহানে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির
গাজায় একদিনে প্রাণ গেল আরও ১১২ ফিলিস্তিনির

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

বলিউড অভিনেতা মনোজ কুমার মারা গেছেন
বলিউড অভিনেতা মনোজ কুমার মারা গেছেন

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’
আজ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিরিজ হারের পর শাস্তিও জুটল পাকিস্তানের কপালে
সিরিজ হারের পর শাস্তিও জুটল পাকিস্তানের কপালে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ
মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

২২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’
বয়কটের ডাক, আয় কম, শো বাতিল: বিপাকে ‘সিকান্দার’

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড
এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের
তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধলেশ্বরীতে সেনা অভিযানে অস্ত্রসহ ডেঞ্জার গ্যাংয়ের ১৬ সদস্য আটক
ধলেশ্বরীতে সেনা অভিযানে অস্ত্রসহ ডেঞ্জার গ্যাংয়ের ১৬ সদস্য আটক

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক-আঘাতে ধরাশায়ী এশিয়ার শেয়ারবাজার
ট্রাম্পের শুল্ক-আঘাতে ধরাশায়ী এশিয়ার শেয়ারবাজার

২১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা