পটুয়াখালীর বাউফলে এক কলেজছাত্রী বন্ধুর সঙ্গে রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়ে বখাটেদের হাতে লাঞ্ছনার শিকার হওয়ার পর বাড়ি ফিরে আত্মহনন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই শিক্ষার্থীর নাম সম্পা রানী দাস (১৯)। তিনি একই গ্রামের সমীর দাসের মেয়ে। সম্পা বরিশাল সরকারি হাতেম আলী কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। গতকাল সকালে বাউফল থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। লাঞ্ছনাকারী ওই বখাটের নাম হৃদয় রায়হান। সে বাউফল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়াডের্র বাসিন্দা।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সরস্বতী পূজা উপলক্ষে ঘুরতে বের হয়েছিলেন সম্পা। দুপুরে এক বন্ধুর সঙ্গে উপজেলা সদরের পাবলিক মাঠসংলগ্ন খাবার হোটেলে যান তিনি। তখন হৃদয় রায়হানসহ ৫-৬ বখাটে তাদের উত্ত্যক্ত ও একপর্যায়ে লাঞ্ছিত করে। বিষয়টি ওই শিক্ষার্থীর বন্ধুদের একজন ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে জানায়। এরপর বাউফল থানার এএসআই মো. শাহিন এসে ওই তরুণীর বন্ধুকে থানায় নিয়ে যায়। সম্পাও থানায় যান। তবে বিকালে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। পরিবার সূত্র আরও জানা যায়, বাড়িতে পৌঁছে সম্পা গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে। এ বিষয়ে হৃদয় রায়হানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এএসআই মো. শাহিন সাংবাদিকদের বলেন, ওখানে যে মেয়ে সংক্রান্ত বিষয় ছিল তা তিনি জানতেন না।
ওসি মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনায় ইউডি মামলা করা হয়েছে। সন্ধ্যা ৭টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা করা হয়নি।