গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই আত্মগোপনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। এরপর ভার্চুয়াল মিটিংয়ে অংশ নিয়ে বিসিবিতে জমা দিয়েছেন পদত্যাগপত্র। ক্রিকেট বোর্ডের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব জানান দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন। ২০১২ সাল থেকে বিসিবির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন পাপন। গত বছর জানুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনের পর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রিত্বও পান তিনি। তবে গণ অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর গত ২১ আগস্ট বিসিবির সভাপতির দায়িত্ব ছাড়েন তিনি। রবিবার দুর্নীতির অভিযোগে পাপন এবং তার স্ত্রী রোকসানা হাসানসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের ২৭টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেন আদালত।
দুদক জানায়, হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে নাজমুল হাসান পাপনের বিরুদ্ধে।